Home Blog Page 256

পর্দার সহিংসতা আমাদের সামাজিক জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে

ভয়ংকর খুন ও মারামারি আছে, এমন অ্যাকশন বা থ্রিলার সিনেমা বা ভিডিও গেম নিয়মিত দেখলে অবচেতনভাবেই সহিংস আচরণ অনুকরণের প্রবণতা তৈরি হতে পারে। সহিংস সিনেমা-ভিডিও দেখে অভ্যস্তদের কাছে ধৈর্য নিয়ে ধাপে ধাপে একটি সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে আক্রমণাত্মকভাবে কোনো কিছু আদায় করাকে তুলনামূলকভাবে সহজ মনে হতে পারে। সামাজিক পরিস্থিতিতেও তারা আলোচনার পরিবর্তে আক্রমণাত্মক উপায়ে কোনো কিছু সমাধানের চেষ্টা করে।

ভার্চুয়াল জগতে সহিংসতা দেখা শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে নিষ্ঠুরতা বিষয়ে নির্লিপ্ততা চলে আসতে পারে। বাস্তব জীবনে ঘটা সহিংস আচরণ তাদের কাছে মনে হতে পারে স্বাভাবিক, অন্যের দুঃখকষ্টে সমব্যথী হওয়ার পরিবর্তে দেখা দিতে পারে নির্বিকারত্ব। পৃথিবী সম্পর্কে একটি বিকৃত দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে পারে। তারা বিশ্বাস করতে শুরু করে, মানুষ মাত্রই সহিংস এবং পৃথিবীটা একটি খারাপ জায়গা। ফলে ভয়, সন্দেহ ও অন্যদের প্রতি অনাস্থা বেড়ে যেতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সহিংস ভিডিও বা চলচ্চিত্র দেখলে উদ্বেগ, ও মানসিক চাপ বাড়ে; শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে আক্রমণাত্মক চিন্তা, মনোভাব এবং আচরণ বাড়িয়ে তুলতে পারে। সিনেমা বা সিরিজে শেখা সহিংস আচরণ আন্তব্যক্তিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।মমত্ববোধের অভাব ও আক্রমণাত্মক আচরণ তরুণদের সুস্থ সামাজিক সম্পর্কগুলো তৈরি করতে এবং বজায় রাখতে বাধা তৈরি করে।

সহিংস সিনেমা বা ভিডিও দেখে যে সবাই সমানভাবে প্রভাবিত হবে, এমনটি বলা যায় না। ব্যক্তির মেজাজ, ব্যক্তিত্ব, পারিবারিক পরিবেশ, সামাজিক অবস্থা ইত্যাদির ভিত্তিতে এর প্রভাব নির্ভর করে। সিনেমা ও ভিডিও গেমে সহিংসতার প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং নিজের ভেতর পরিমিতিবোধ তৈরি করাই এ ব্যাপারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
দৈনিক প্রথম আলোয় প্রকাশিত নিবন্ধের সংক্ষেপ।
লেখক- রউফুন নাহার
সহকারী অধ্যাপক, এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণ হলে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের প্রস্তাব

গতকাল ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩’ আইনের সংশোধনবিষয়ক আইন মন্ত্রণালয় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ওই নিষিদ্ধের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। সভায় আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই আইনের মোট ৮টি সংশোধনীর খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। অষ্টম সংশোধনী প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘কোনও রাজনৈতিক দল যদি এ আইনের অধীন কোনও অপরাধ করে, তাহলে সে দলকে ১০ বছর পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে।’

এই সভায় সভাপতিত্ব করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। সভায় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন- রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়েছে কবে? খুঁজে পাবেন সেই নুরেমবার্গের আমলে। ২০২৪-এ এসে আশা করি নুরেমবার্গ প্রয়োগ করতে যাব না। …এখানে শুধু কয়েকজন তৃপ্তি পাবে, যারা অন্য রাজনীতি করে। সভায় আরও বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না, অধিকারকর্মী ডেভিড বার্গম্যান, সাবেক জেলা জজ ইকতেদার আহমেদ, আইনজীবী শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদুর রহমান প্রমুখ।

ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনী ঐক্য গড়তে চায় জামায়াত

জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির সঙ্গে বনিবনা হওয়ার সম্ভাবনা কম-এমনটা ধরে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের সঙ্গে একটি নির্বাচনী ঐক্য গড়তে চাইছে জামাত। যদিও তা এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো রূপ নেয়নি। এ লক্ষ্যে দলটি ইতিমধ্যে অন্তত পাঁচটি ইসলামি দল এবং আলেমদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছে।

জামায়াত ইতিমধ্যে ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে একটা যোগাযোগের সম্পর্ক তৈরি করেছে। এর মধ্য দিয়ে কার্যত কওমি ধারার আলেমদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের যে বিরোধ বা বিতর্ক, সেটি কমেছে। ইসলামী আন্দোলনের নেতা মুফতি ফয়জুল করিম ও খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ঐক্য গড়তে তাঁদের কোনো সমস্যা নেই। তবে তার আগে জামায়াতকে ধর্মীয় কিছু বিষয়ে মাওলানা মওদুদীর লেখা নিয়ে আলেমদের সঙ্গে যে বিরোধ, তার সমাধান করতে হবে।

জামায়াত নেতারা মনে করছেন, ইসলামি দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনী ঐক্য হবে কি না, সেটি নির্ভর করছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের ওপর। জামায়াতের পর ইসলামপন্থীদের সমর্থনের দিক থেকে এই দলটিকে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের একজন নেতা জানান, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের জন্য অন্তর্বতী সরকারকে এক বছর সময় দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে দলের নির্বাহী পরিষদে। সেভাবেই তাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিএনপি’র সাথে সম্পর্ক গভীর করতে চায় ভারত

বিএনপি’র সঙ্গেও তারা তাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সম্পর্ক দৃঢ় করতে চান। এই সম্পর্কের মধ্যে কী করে আরও সুস্থতা, আরও পজেটিভিটি আনা যায়, সেটা নিয়ে তারা কাজ করতে আগ্রহী।- ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা’র সাথে বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল।

‘বাংলাদেশের সঙ্গে যে সম্পর্ক সেই সম্পর্ক আরও কীভাবে গভীর করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের যে সমস্যাগুলো রয়েছে- ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের, আমরা সেগুলো তুলে ধরেছি। আমাদের পানি সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা প্রয়োজন-সেই কথাগুলো আমরা বলেছি। সেই সঙ্গে সিকিউরিটির যে বিষয়টা আছে সেটা নিয়েও কথা বলেছি।- বিএনপি মহাসচিব বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন- ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছেন, এই বিষয়গুলোতে তারা সজাগ। দ্রুততার সঙ্গে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছেন তারা। ৫ আগস্টের পর বিএনপির সাথে ভারতীয় কোন প্রতিনিধির এটাই প্রথম বৈঠক।

বাইডেন – ইউনুস বৈঠক : জানা দরকার ৭টি পয়েন্ট

২৪ সেপ্টেম্বর জো বাইডেন ও ড. ইউনুসের বৈঠক হবে বেশ বিরল এক ঘটনা। সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘ অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন না। এ ধরনের বৈঠকগুলো হয় ওয়াশিংটনে। তার মানে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ।

|বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে সবচেয়ে কম প্রতিনিধির দলনেতা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস ২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন। দলের সদস্য সংখ্যা ৫৭।

চারটি প্রস্তাব রাখবে বাংলাদেশ।
|৫ আগস্টের আগে এবং পরে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরবে। বিভিন্ন খাতের সংস্কারের বিষয়টি আলোচিত হবে।
|যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা এবং কোম্পানির কাছে থাকা ঋণ পরিশোধের সময় চাওয়া হবে।
|বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি বিনিয়োগ চাওয়া হবে।
|যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাবে।

এছাড়াও, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করবেন।

কাছাকাছি আসছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র

> ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ৩ বিলিয়ন ডলারের লেজার-গাইডেড বোমাসহ MQ-9B ড্রোন কিনছে।
> ভারত থেকে চুরি হওয়া মোট ২৯৭টি পুরাকীর্তি সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফেরত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
> এক্সে পোষ্টে মোদি লিখেছেন- কোয়াডের বৈঠকের আগে বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।
> বাইডেন জানান- ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পার্টনারশিপ অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী, ঘনিষ্ঠ এবং গতিশীল।

ভারতই প্রথম দেশ, যারা ন্যাটো-ভুক্ত না হয়েও এই ড্রোন পাচ্ছে। এমকিউ-৯বি ড্রোন এশিয়ায় ভারতের প্রতিবেশী আর কোনও দেশের কাছে নেই। আমেরিকা অত্যাধুনিক ড্রোন দিয়ে ভারতকে চীনের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার বন্দোবস্ত করে দিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাশেম সোলেমানি এবং আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছিল এমকিউ ৯ রিপার ড্রোন। ওই সিরিজের এমকিউ-৯বি সি গার্ডিয়ান সংস্করণটি কিনছে ভারত। ড্রোন কেনার পাশাপাশি, ভারতীয় নৌবাহিনী এই আর্থিক বছরে আরও দুটি বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে চাইছে – আরও ৩টি স্করপেন সাবমেরিন এবং ২৬টি রাফালে-এম যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে কথা চলছে।

মানুষের তাপ – আর্দ্রতা সহ্যক্ষমতা আগের ধারণার চেয়ে কম!

নতুন গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য- মানুষের তাপ-আর্দ্রতা সহ্যক্ষমতা আগের ধারণার চেয়ে কম। ৩৫ ডিগ্রি নয়, ওয়েট-বাল্ব তাপমাত্রায় মানুষের শরীর সর্বোচ্চ ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত সহ্য করতে পারে। আশু পদক্ষেপ জরুরি।

পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির নতুন এক গবেষণা বলছে- মানবদেহের তাপ-আর্দ্রতা সহ্য করার ক্ষমতা আগের ধারণার চেয়ে কম। প্রচন্ড গরম উচ্চ আর্দ্রতা সহ প্রাণঘাতী হতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে এধরণের তাপপ্রবাহ বাড়ছে। ঘামের মাধ্যমে শরীর তাপ হারায়, ঠান্ডা হয়। কিন্তু তীব্র গরম এবং বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ নির্দিষ্ট মানের বেশি থাকলে ঘামের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় এবং শরীরের তাপমাত্রা অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যায়।

তাপ এবং আর্দ্রতা উভয়ের পরিমাণ পরিমাপ করতে ওয়েট-বাল্ব থার্মোমিটার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সাধারণ তাপমাত্রা এবং ওয়েট-বাল্ব তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য আছে। এটা মাপা হয় ভেজা কাপড়ে মোড়ানো থার্মোমিটার দিয়ে। কয়েক দশক ধরে ধারণা ছিল, ওয়েট-বাল্ব তাপমাত্রায় মানুষের শরীর সর্বোচ্চ ৯৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পর্যন্ত সহ্য করতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে যে- এই উর্ধ্বসীমাটি আসলে আরও কম, প্রায় ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস ওয়েট-বাল্ব তাপমাত্রা এখনও বেশ বিরল। কিন্তু সৌদি আরব, ভারত এবং পাকিস্তানে সম্প্রতি ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ওয়েট-বাল্ব তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

এ ধরনের উষ্ণ-আর্দ্র আবহাওয়ায় রান্না করা বা গোসল করার মত হালকা কাজ করতে গেলেও শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। এমনকি অর্গান ফেইলিউরের কারণে মৃত্যুও হতে পারে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে অস্বাভাবিক তাপ প্রবাহের ঘটনা বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের গতি রোধ করা না গেলে হিটস্ট্রোকে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়বে।

গণঅভ্যুথ্থান একটা জায়গায় গিয়ে ঠেকে গিয়েছে।এই গণঅভ্যুথানকে পূর্ণ করার জন্য অবশ্যই তরুণদের একটা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার প্রয়োজন আছে।এটাই দাঁড়াবে,আমরা চাই বা না চাই-ফরহাদ মজহার

তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন- একবার দল করবো, একবার করবো না-এই বিভ্রান্তিতে ভোগা ভুল। যদি দল করতে চান, অবশ্যই দল করবেন। কেন দল করবেন, সেটা সঠিকভাবে জনগণকে বোঝাতে হবে। রাজনীতির মূল যে বিষয়গুলো সমাজে এসে গেছে, সেটাকে জোর করে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।

ফরহাদ মজহার বলেন- তরুণদের মধ্য দিয়ে জনগণের যে ইচ্ছা প্রকাশিত হয়েছে, তা যদি রাজনৈতিক দলগুলো মেটাতে পারে, তাহলে তরুণদের আলাদা রাজনৈতিক দল লাগবে না। আর যদি ধারণ করতে (রাজনৈতিক দলগুলো) না পারে, তাহলে তরুণদের অবশ্যই একটা নতুন রাজনৈতিক দল লাগবে। নির্বাচন দেশের জন্য কোনো সমাধান নয় বলেও মনে করেন ফরহাদ মজহার। বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন- ফ্যাসিস্ট সিস্টেমকে রেখে এখানে-ওখানে দুএকটা সংস্কার করে আবারও আওয়ামী লীগের মতো ক্ষমতায় আসতে চাচ্ছেন।
এটা কিন্তু তরুণেরা গ্রহণ করবেন না।

২১ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর পল্টনে মুভমেন্ট ফর ওয়ার্ল্ড এডুকেশন রাইটস আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ছাত্র বিপ্লব: ২০০৭-২৪:শিক্ষাব্যবস্থা ও রাষ্ট্র সংস্কার করণীয়’ আলোচনা সভার আলাপ।

নেপাল থেকে ভারত হয়ে বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি শীগগিরিই

নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ ভারতীয় সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে আমদানির জন্য বাংলাদেশ-নেপাল-ভারত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধি দল শীঘ্রই নেপালে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান ঢাকায় নেপালি দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে জানান। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারত কয়েক মাস আগে চুক্তি স্বাক্ষরে একমত হয়। জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতায় তিন দেশের মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতার ৬ বছর পর চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে।

বিবিয়ানায় গ্যাস শেষের পথে বড় জ্বালানি ঝুঁকির আশঙ্কা

গ্যাস উত্তোলনে দেশে শীর্ষে থাকা বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের মজুদ এখন নিঃশেষের কাছাকাছি। জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন গ্যাস যুক্ত হচ্ছে ২৫৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে মার্কিনি শেভরন পরিচালিত বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসছে ৩৯ শতাংশ বা ১০০২ মিলিয়ন ঘনফুট।
গ্যাস মজুদের (প্রমাণিত ও সম্ভাব্য) হিসাব অনুযায়ী, বিবিয়ানায় গ্যাসের মজুদ প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)।

এরই মধ্যে এখান থেকে উত্তোলন ৬ টিসিএফ ছাড়িয়েছে। নতুন গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাসও সিংহভাগও ব্যবহৃত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন- বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদন আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে কমলে বা হঠাৎ বন্ধ হলে দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় বিপর্যয় নামবে। এই বড় জোগানের বিকল্প ব্যবস্থা নেই পেট্রোবাংলার। পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমদানিনির্ভরতা বাড়বে। জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের বৃহত্তম এ উৎসের মজুদ নিঃশেষ হয়ে আসায় দেশ বড় ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা আছে।