২৪ সেপ্টেম্বর জো বাইডেন ও ড. ইউনুসের বৈঠক হবে বেশ বিরল এক ঘটনা। সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘ অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন না। এ ধরনের বৈঠকগুলো হয় ওয়াশিংটনে। তার মানে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ।
|বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে সবচেয়ে কম প্রতিনিধির দলনেতা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস ২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন। দলের সদস্য সংখ্যা ৫৭।
চারটি প্রস্তাব রাখবে বাংলাদেশ।
|৫ আগস্টের আগে এবং পরে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরবে। বিভিন্ন খাতের সংস্কারের বিষয়টি আলোচিত হবে।
|যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা এবং কোম্পানির কাছে থাকা ঋণ পরিশোধের সময় চাওয়া হবে।
|বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি বিনিয়োগ চাওয়া হবে।
|যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাবে।
এছাড়াও, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করবেন।


