Home Blog Page 255

আগামী দশকে সারা বিশ্বে হাজার হাজার অফশোর তেল রিগ তাদের কার্যক্ষমতার শেষ প্রান্তে পৌছাবে। এগুলো বন্ধ করার প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল ।

অনেক রিগ এর মধ্যে সামুদ্রিক জীবনের জন্য বাসস্থান হয়ে উঠেছে এবং কৃত্রিম প্রবাল প্রাচীরের মতো কাজ করছে। ফলে এগুলো সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলা উচিত নাকি সমুদ্রেই রেখে দেওয়া উচিত তা নিয়ে বিতর্ক চলছে।

যে সব বিষয়ে আলোচনা তার মধ্যে রূপগুলো কিভাবে পরিবেশের উপর প্রভাব কমিয়ে বন্ধ করা যায়, রিগের উপকরণগুলো কিভাবে পুনর্ব্যবহার করা যায় এসব বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে। অনেকক্ষেত্রে আংশিকভাবে বন্ধ করা যেখানে রিগের কেবল উপরের অংশ সরিয়ে নিয়ে নিচের অংশ সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য রাখা হবে। রিগগুলো সমুদ্রে রেখে দিলে তা সামগ্রিকভাবে পরিবেশের জন্য লাভজনক নাকি ক্ষতিকর, সে বিষয়ে এখনও পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। যদিও কিছু বিপন্ন প্রজাতি এখন এসব কাঠামোর উপর নির্ভরশীল। সমুদ্র বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিটি রিগকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা উচিত, যাতে এটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্যের জন্য উপযোগী কিনা তা নির্ধারণ করা যায়।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দেশকে ফিরিয়ে দিতে দেরি হলে অন্য কোনো ব্যবস্থা যেন ঢুকে না পড়ে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে – মির্জা ফখরুল

দুর্গা পূজাকে কেন্দ্র করে দেশে ‘অস্থিতিশীল পরিবেশ’ তৈরির আশঙ্কা প্রকাশের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মালম্বীদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন মির্জা ফখরুল। ‘ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দেশকে ফিরিয়ে দিতে দেরি হলে অন্য কোনো ব্যবস্থা যেন ঢুকে না পড়ে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। প্রশাসনের সব ইউনিটকে দ্রুত সংস্কার করে দেশকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের উপযোগী করতে হবে। এ সরকার সংস্কার চায় এবং আমরাও সংস্কারে বিশ্বাসী। তাই বলে সংস্কারের নামে বেশি সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। আমরা বিশ্বাস করি তাদের কথায়, তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।। -বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি নেতা আ স ম হান্নার শাহের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে সমাবেশে ২৭ সেপ্টেম্বর, গাজীপুর । গাজীপুরসহ দেশের পোশাক কারখানা বন্ধ করার জন্য ষড়যন্ত্র চলছে বলেও সতর্ক করেন বিএনপি নেতা।


মানুষ বুড়ো হয় দু’দফায় – ৪০’র মাঝে আর ৬০’র শুরুতে।

২৫ – ৭৫ বয়সী ১০৮ জনের অনু বিশ্লেষণে দেখা গেছে ৮১% পরিবর্তন ৪৪ আর ৬০ বছরেই বেশি ঘটেছে। সাম্প্রতিক স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি গবেষণায় দেখা গেছে ৪৪ আর ৬০ বছরে মানুষের শরীরে বিপাক প্রক্রিয়া, সংযোগকারী টিস্যু, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কিডনির ক্ষমতায় বড় পরিবর্তন আসে। ফলে বলিরেখা ফুটে ওঠা, ওজন বাড়া এবং অসুস্থ হবার মত বার্ধক্যের লক্ষণগুলো দেখা দেয়।লাইফস্টাইল বদলে বার্ধক্যের প্রভাব শ্লথ করা যাবে। যেমন, এলকোহল, ক্যাফেইন আর চর্বিযুক্ত খাবার কমানো, ব্যায়াম করা, এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, ত্বকের যত্ন নেয়া – এসবের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তবে এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা সবাই ক্যালিফোর্নিয়ার অধিবাসী। গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি কোনো ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং ৭৫ এর বেশি বয়স্কদের অংশগ্রহণ ছিলো না।

ভারতের ভিসা এখনো চালু হয়নি

ভারতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটক বাংলাদেশি। গত বছর বাংলাদেশিদের জন্য প্রায় ১৬ লাখ ভিসা ইস্যু করা হয়।

গত দুই মাস ধরে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে শুধু শিক্ষার্থী এবং জরুরি চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু ভিসার প্রক্রিয়াকরণ সীমিত আকারে চলছে। দ্য হিন্দু পত্রিকা জানিয়েছে-আগস্ট মাসে নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির ৪০০টিরও বেশি ভিসা আবেদন রিভিউ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে, ওই সময়ে মোট কতগুলো ভিসা ইস্যু করা হয়েছে, তা জানা যায়নি। ভারতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটক আসে বাংলাদেশ থেকে। ভারতের এক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানা যায়, গত বছর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রায় ১৬ লাখ ভিসা ইস্যু করা হয়েছিল। ৫ আগস্ট সরকার পতন পরবর্তী নিরাপত্তাহীনতার কারণে ১ মাস বন্ধ থাকার পর সেপ্টেম্বরের শুরুতে ভিসা সেন্টারগুলো খুললেও এখনো সীমিত পরিসরেই কার্যক্রম চলছে।

তিনি (মাহফুজ আলম) বা আমরা কেউই এ মাস্টারমাইন্ড শব্দের সঙ্গে একমত নই … উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্ল্যাটফরম সাধারণ শিক্ষার্থীদের জায়গা। এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারাও ছিলেন। এই আন্দোলনে একক কোনো নেতৃত্ব ছিল না। সাধারণ মানুষ এটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। একটা সময় আন্দোলন পরিচালনা করতে অনেকেই বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়েছেন। … এ ক্ষেত্রে যার (মাহফুজ আলম) কথা বলা হয়েছে তিনি বিশেষভাবে আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন। … তিনি (মাহফুজ আলম) বা আমরা কেউই এ মাস্টারমাইন্ড শব্দের সঙ্গে একমত নই। তিনি (ড. ইউনুস) শব্দটাকে হয়তো ভালোবেসে ব্যবহার করেছেন। … আমরা একে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন হিসেবেই দেখি। – ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীনকে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম

ভারতের প্রধান বিষয় হলো নিরাপত্তা সমস্যা । আমরা আশ্বস্ত করেছি যে আমরা যদি ক্ষমতায় থাকি তাহলে আমরা এটা নিশ্চিত করব যে এ দেশের মাটি বিচ্ছিনতাবাদীদের দ্বারা ব্যবহৃত হবে না – মির্জা ফখরুল

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের সাথে বিএনপি’র বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন- বিএনপি ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি ছিল।আমি মনে করি, বরফ গলতে শুরু করেছে। আমি আশা করি, এবার এটা (সম্পর্ক) আরও ভালো হবে। তারা (ভারত) আমাদের পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করবে। আমরা এটা বিশেষ করে আবারও বলেছি যে ভারতের এ দেশের মানুষের মানসিকতা বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তাদের “সব ডিম এক ঝুড়িতে” রাখা উচিত নয়। তাদের উচিত জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়ন করা।

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন- আমরা দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যা, বাণিজ্য ঘাটতি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। একই সঙ্গে ভারতের প্রধান বিষয় হলো নিরাপত্তা সমস্যা। আমরা আশ্বস্ত করেছি যে আমরা যদি ক্ষমতায় থাকি তাহলে আমরা এটা নিশ্চিত করব যে এ দেশের মাটি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দ্বারা ব্যবহৃত হবে না।

মির্জা ফখরুল বলেন- বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায় গুরুতর সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে বলে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে বলে আমি মনে করি না। প্রতিবার ক্ষমতার পরিবর্তনের পর কিছু সমস্যা হয়। এসব সমস্যা রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক নয়। কিছু ঘটনা ঘটেছে। এগুলোর সবই রাজনৈতিক কারণে, সাম্প্রদায়িক কারণে নয়। তবে আমরা দেশের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে খুবই সতর্ক। বিশেষ করে পূজার আগে। আমরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে দেশজুড়ে আমাদের সব ইউনিটের নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছি।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের বৈঠকের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন- বাংলাদেশে ক্ষমতার রাজনীতিতে পরিবর্তনের পর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক খুবই উল্লেখযোগ্য এবং এটা গুরুত্বপূর্ণও। আমরা বিশ্বাস করি, এই বৈঠকের পর সম্পর্ক জোরদার হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে ভারত এই অঞ্চলের নেতা।তাকে সাথে নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কাজে লাগাতে চায়।বাংলাদেশকে পকেটে নেবার জন্য তারা ভারতকে চটাবে না…

ফেসবুকে আনু মুহাম্মদ– যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে ভারত এই অঞ্চলের নেতা। তাকে সাথে নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কাজে লাগাতে চায়। বাংলাদেশকে পকেটে নেবার জন্য তারা ভারতকে চটাবে না …

এতদিন শুনে এসেছি ‘ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে’। আসলেই দুই সরকারের সম্পর্কের এমন এক উচ্চতা তৈরি হয়েছিল যে পুরো দেশই তার নীচে চাপা পড়েছিল। এখন দেশ তার থেকে বের হবার চেষ্টা করছে। এই সময়ে আবার শুনতে পাচ্ছি ‘যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায়’। পত্র পত্রিকা টিভি ফেসবুকে এ নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখছি। উচ্ছ্বাসে ভেসে যাবার আগে কিছু বিষয় খেয়াল করা দরকার মনে করি।

… অনেক বিদ্বান লোককেও বলতে শুনি ভারতের আধিপত্য থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দরকার। এগুলো নির্বোধের কথা।যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে ভারত এই অঞ্চলের নেতা। তাকে সাথে নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কাজে লাগাতে চায়। বাংলাদেশকে পকেটে নেবার জন্য তারা ভারতকে চটাবে না, ভারতের এজেন্ডার ক্ষতি করবে না, উপরে উপরে টেনশন দেখা গেলেও দরকষাকষি করে দুজন মিলে মিশেই কাজ করবে।
আসলে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া কারও সাথেই সম্পর্কের অনন্য উচ্চতায় যাবার দরকার নাই। সবার সঙ্গে স্বাভাবিক স্বচ্ছ উচ্চতাতেই থাকতে হবে – যাতে পায়ের নীচে শক্ত মাটি থাকে, নিজেদের মতো চলার শক্তি থাকে।– আনু মুহাম্মদের ফেসবুক স্ট্যাটাসের সংক্ষেপ।

সেনাপ্রধানের বক্তব্য সমর্থন বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর

আগামী ১৮ মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর বক্তব্যকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল। তবে নির্বাচন, সংস্কার ও সময় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে একটি রোডম্যাপ চায় রাজনৈতিক দলগুলো।
সেনাপ্রধানের বক্তব্যকে সমর্থন করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বুধবার বলেন- আমরা এ সরকারের সংস্কারকে সমর্থন করছি। কিন্তু আমরা বলে আসছি, এখানে নির্বাচনের বিষয়টা জরুরি ও অগ্রাধিকার। যদি সরকার আন্তরিক হয়, এ-সংক্রান্ত সংস্কার করে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান ১৮ মাসের মধ্যেই সম্ভব। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নিয়ে এখনো কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। সেনাপ্রধানের এ বক্তব্যে নির্বাচনের সময় নিয়ে একটা ধারণা পাওয়া গেল বলে কোনো কোনো দল মনে করছে।

পশ্চিমা দেশগুলোকে পরমাণু হামলার হুমকি পুতিনের

পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নীতিতে বিশাল পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নতুন নীতি অনুসারে, পরমাণু শক্তিধর কোনো দেশের সমর্থনে পরমাণু শক্তিহীন কোনো দেশ রাশিয়ায় আক্রমণ চালালে একে যৌথ হামলা হিসেবে দেখা হবে। আর এসব হামলার জবাব পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে দিতে পারবে রাশিয়া।

ইউক্রেন মিত্র দেশগুলোর কাছে দূরপাল্লার মিসাইল চেয়েছে। তারা রুশ ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে হামলার পরিকল্পনা করছে। রাশিয়ার ওপর ক্রুজ মিসাইল হামলা নিয়ে ইউক্রেনকে গ্রিন সিগন্যাল দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন। আর এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যদিও ইউক্রেনকে ক্রুজ মিসাইল দিয়েছে ব্রিটেন। তবে সেগুলো ব্যবহারের আপাতত অনুমতি নেই।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে জাতিসংঘে ড. ইউনূসের ৩ প্রস্তাব । আরও ১৯৯ মিলিয়ন ডলার দিবে যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনের প্রথম দিনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সাইড ইভেন্ট হিসেবে আয়োজিত এ বৈঠকে সহআয়োজক ছিল ইন্দোনেশিয়া, গাম্বিয়া, তুরস্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। বৈঠকে মূল বক্তা ড. ইউনূস তার কী-নোট পেপারে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।
■ জাতিসংঘের মহাসচিবকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে একটি কনফারেন্স আয়োজনের আহ্বান জানান। এই কনফারেন্সের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সৃজনশীল ও কার্যকরী সমাধানের পথ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
■ জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান কে আরও দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন তিনি। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জন্য সঠিক সহায়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
■ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অপরাধের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় সমর্থন আহ্বান করেন ইউনূস।

বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, প্রতিবছর প্রায় ৩২ হাজার নবজাতক যুক্ত হচ্ছে এই জনগোষ্ঠীতে। গত ২ মাসেই নতুন করে ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। শরণার্থীদের প্রতি মানবিক সহানুভূতি থাকা সত্ত্বেও, এই সংকট বাংলাদেশের জন্য সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। শরণার্থী শিবিরগুলোতে বেকার যুবকদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়ছে।
– বৈঠকে ড. ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন- রোহিঙ্গা সংকট দেশের নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ তার সামর্থ্যের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ড. ইউনূস রোহিঙ্গাদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশসহ সব অংশীজনের সমন্বয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে সংকট উত্তরণের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন করে ১৯৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৩৭৮ কোটি ৮০ লাখ ৬২ হাজার টাকা। ি২০১৭ সালে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয়দের জন্য ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক অনুদান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ২.১ বিলিয়নই এসেছে বাংলাদেশে।