Home Blog Page 216

আফ্রিকার তিন দেশ পারল , আমরা কেন পারলাম না শিশির মোড়ল

বাবলসিপ্যাপ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বল্প ব্যয়ের ও সহজে ব্যবহারযোগ্য এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ দেখায়নি।

শিশুদের তীব্র নিউমোনিয়া ও অক্সিজেনের ঘাটতি মোকাবিলায় ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া ও মালাবি –আফ্রিকার এই তিন দেশের ৪০টি হাসপাতালে গত আগস্ট থেকে বাবলসিপ্যাপ ব্যবহার শুরু হয়েছে। বাবলসিপ্যাপ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বল্প ব্যয়ের ও সহজে ব্যবহারযোগ্য এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ দেখায়নি।

বাবল কনটিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার (বাবলসিপ্যাপ) উদ্ভাবন করেছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসি- ডিডিআরবি) বিজ্ঞানী মোহাম্মদ জুবায়ের চিশতি ও তাঁর কিছু সহকর্মী। প্লাস্টিকের বোতল, একটি নল ও কিছু সরঞ্জাম দিয়ে এটি তৈরি। খরচ প্রায় দুই ডলার (২৪০ টাকা)।

এই প্রযুক্তি দিয়ে তীব্র নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত বা অক্সিজেন স্বল্পতায় ভোগা শিশুদের অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব। আইসিডিডিআরবির ইতিহাসে সেরা উদ্ভাবনগুলোর একটি বাবলসিপ্যাপ, অনেকে মনেকরেন ।

সমস্যায় থাকা শিশুদের অক্সিজেন দেওয়ার জন্য বাজারে পাওয়া যায় বা হাসপাতালে ব্যবহার হওয়া যন্ত্রগুলো জটিল ও ব্যয়বহুল। যন্ত্রগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। দেশের সব হাসপাতালে এই যন্ত্র নেই।

গবেষণায় দেখা যায়, চিশতির বাবলসিপ্যাপ ব্যবহারে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি ৭৫% কমে যায়। এ নিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানসেটে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ ছাপা হয় ।কম খরচে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সহজে তৈরিযোগ্য বিবেচনায় এই প্রযুক্তির ব্যাপারে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশগুলো। কিন্তু এত দিনেও বাংলাদেশের কোনো সরকারি হাসপাতালে এর ব্যবহার শুরু হয়নি।

গবেষণায় দেখা যায়, চিশতির বাবলসিপ্যাপ ব্যবহারে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি ৭৫% কমে যায়। এ নিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানসেটে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ ছাপা হয় । কম খরচে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সহজে তৈরিযোগ্য বিবেচনায় এই প্রযুক্তির ব্যাপারে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশগুলো। কিন্তু এত দিনেও বাংলাদেশের কোনো সরকারি হাসপাতালে এর ব্যবহার শুরু হয়নি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলা : পুলিশের কাছ থেকে ঘুষ নিচ্ছে পুলিশ

কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অভিযোগ, তাদের কিছু সহকর্মী স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মিলে একটি চাঁদাবাজ চক্র তৈরি করেছেন। সহজে ফাঁসানো যাবে পুলিশের এমন সদস্যদের টার্গেট করছেন তারা।

ডেইলি স্টার এমন সাতটি ঘটনা জানতে পেরেছে যেখানে পুলিশ এবং বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে।আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই খিলগাঁওয়ে বিক্ষোভে আহাদুল ইসলাম নামের একজনকে গুলি করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মোট ১৭৯ জন আসামির মধ্যে পুলিশ৩৬ জন।

মামলার বাদী আহত আহাদুলের বাবা মোহাম্মদ বাকের মোবাইলে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জসিম নামে একজন আইনজীবী এবং আরও কয়েকজন আসামিদের তালিকা তৈরি করেছেন। আমি কেবল এফআইআরে সই করেছি।’

ওই মামলায় অভিযুক্ত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অভিযোগ, তাদের কিছু সহকর্মী স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মিলে একটি চাঁদাবাজ চক্র তৈরি করেছেন। সহজে ফাঁসানো যাবে পুলিশের এমন সদস্যদের টার্গেট করছেন তারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা ছাত্র আন্দোলন দমনে সক্রিয় ছিল। এখন তারা আওয়ামী সরকারের সময় তাদের অপকর্ম ঢাকতে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। ব্যক্তিগত আক্রোশ ও সুবিধা আদায়ের জন্য কিছু পুলিশ কর্মকর্তা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই সুযোগ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে আরও হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিচ্ছেন তারা।

সোশ্যাল মিডিয়া সুযোগ দিয়েছে সবাইকে রাজনীতিবিদ হওয়ার , সাংবাদিক হওয়ার , সবাইকে ফিলোসোফার হওয়ার : মির্জা ফখরুল

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাগপা আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আরো বলেন–‘এখন তা হলে কী করতে হবে?

ভোটার হওয়ার বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে ১৭ বছর করা সম্পর্কে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের একটি বক্তব্যের উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল নির্বাচন প্রলম্বিত করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা করতে গিয়ে আরও সময় যাবে, আরও সময়ক্ষেপণ হবে, আরও বিলম্ব হবে। আমার না কিন্তু…কেন জানি না মানুষের মধ্যে একটা ধারণা হচ্ছে, এই সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে বিলম্ব করছে, এটা করা সঠিক নয় ।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাগপা আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আরো বলেন- ‘এখন তা হলে কী করতে হবে? নতুন করে আবার ভোটার তালিকা তৈরি করতে হবে। আমি মনে করি যে এই বিষয়কে এভাবে না বলে, এ নিয়ে অংশীজ- নদের সঙ্গে কথা বলে তারপরে এই বিষয় আনতে পারলে ভালো হতো, কোনো বিতর্কের সৃষ্টি হতো না। এখন তো আরও বেশি করে মানুষ আশাহত হয়ে যাবে। এট দ্য সেম টাইম মানুষের মধ্যে নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে বিলম্ব করার আশঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে আবারও দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানান তিনি। ‘তা না হলে সমস্যাগুলোর সংকট বাড়তেই থাকবে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বলেন, বর্ডার (সীমান্ত) সমস্যা বলেন, স্যাবোটাজ করার যে ঘটনাগুলো হচ্ছে, এই ঘটনাগুলো কমানো যাবে না’ বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। সরকার আরও বেশি গভর্নেন্সর দিকে নজর দেবেন-আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘ব্যাংকের সব টাকা লুট করে নিয়ে চলে গেল, তাদের বিরুদ্ধে তো একটা মামলাও শুরু হলো না। …

অন্য মামলা হচ্ছে, যেটা আগের মতো সেই পুরোনো অজ্ঞাতনামা ১০০০/১৫০০ আসামি… ওই একই কায়দায় আবার একটা বাণিজ্য করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এগুলো বন্ধ না করলে আপনি (প্রধান উপদেষ্টা) যে জায়গা পৌঁছাতে চাচ্ছেন, সেই জায়গায় আপনি পৌঁছাতে পারবেন না।’

আরও দুই-তিনটা দল গঠিত হবে বলে শুনতে পাচ্ছেন জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন- প্রক্রিয়াতে আরও দুই-তিনটা দল যদি গঠিত হয় আমাদের কোনো আপত্তি নাই। এক শ হলে, শ হলে তাতেও আপত্তি নাই।’

তবে রাজনীতিতে এই নতুন প্রতিযোগীদের উদ্দেশ্য বলেন, প্রশ্ন হচ্ছে জাতির জন্য কতটুকু কাজে লাগবে, সেটাই সবাই চিন্তা করবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখন বাংলাদেশে একটা সমস্যা কী জানেন, আমরা সবাই রাজনীতিবিদ। দেখবেন, রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে, চর্চা করতে আমরা পছন্দ করি। আপনার সোশ্যাল মিডিয়া মারাত্মকভাবে সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে সবাইকে রাজনীতিবিদ হওয়ার, সবাইকে সাংবাদিক হওয়ার, সবাইকে ইউটিউবার হওয়ার, সবাইকে ফিলোসোফার হওয়ার।’

তিব্বতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ জলবিদ্যুৎ বাঁধ করবে চীন , প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশ – ভারতের ব্রহ্মপুত্র নদে

এ প্রকল্পের প্রভাবে শুধু স্থানীয় বাস্তুসংস্থানের পরিবর্তন হবে, এমন নয়, এটি নদীর নিম্নভাগের পানিপ্রবাহ ও গতিপথকেও পাল্টে দিতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে চীন। এর মধ্য দিয়ে তিব্বত মালভূমির পূর্ব দিকে বেইজিং এমন একটি উচ্চাভিলাষী প্রকল্প শুরু করছে, যা ভারত ও বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইয়ারলুং জাংপো নদীর নিম্নভাগে বাঁধটি নির্মাণ করা হবে। ইয়ারলুং জাংপো নদীটি তিব্বত সীমা শেষ করে ব্রহ্মপুত্র নদ নামে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম হয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

বুধবার চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়- চীনের কার্বন নিরপেক্ষতার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে, প্রকৌশলের মতো শিল্পগুলোকে চাঙা করে তুলতে এবং তিব্বতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চীনা কর্মকর্তাদের মতে, তিব্বত অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি পরিবেশের ওপর কিংবা নিম্নভাগে পানি সরবরাহব্যবস্থার ওপর খুব বড়ধরনের কোনো প্রভাব ফেলবে না। অবশ্য তাদের এমন দাবির পরও বাংলাদেশ ও ভারতের পক্ষ থেকে এ বাঁধ নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ প্রকল্পের প্রভাবে শুধু স্থানীয় বাস্তুসংস্থানের পরিবর্তন হবে, এমন নয়, এটি নদীর নিম্নভাগের পানিপ্রবাহ ও গতিপথকেও পাল্টে দিতে পারে।

চীন ইতিমধ্যেই তিব্বতের পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত ইয়ারলুং জাংপো নদীর ওপরের দিকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। এটি ওপরের দিকে আরও প্রকল্প নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। চীনের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত থ্রি গর্জেস বাঁধের উৎপাদন সক্ষমতার তিন গুণের বেশি বছরে ৩০ হাজার কোটি কিলোওয়াট-ঘণ্টা পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে এখানে। বর্তমানে থ্রি গর্জেস বাঁধটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ হিসেবে পরিচিত।

আসাদের পতনের পর রূপ নিচ্ছে “ নতুন মধ্যপ্রাচ্য ব্যবস্থা “ : ঈশান থারুর দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে তাদের আঞ্চলিক শত্রু ইরান দুর্বল এবং অপমানিত হয়েছে। আগামী মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই অঞ্চলে ইসরায়েলের এজেন্ডা আরও এগিয়ে নিতে শক্তিশালী অবস্থানে থাকবেন।

আসাদের ক্ষমতাচ্যুতি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করেছে ব্রিটেনের চ্যাথাম হাউস থিঙ্ক ট্যাংকের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশ্লেষক লিনা খতিব লিখেছেন, “১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতনে যেভাবে ইউরোপে কমিউনিজমের পতন ঘটেছিল, সেভাবে আসাদের পতনে মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিম-বিরোধী এবং ইসরায়েল বিরোধী প্রতিরোধের আদর্শের অবসান ঘটেছে। অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আসাদ পরিবার মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ছিল, যেখানে একাধিক রাষ্ট্র নিজেদের পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ ও জায়োনিজমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী বলে উপস্থাপন করেছিল।

লিনা খতিব বলেন, এখন মনে হচ্ছে ইসরায়েল ট্রিক ‘মধ্যপ্রাচ্যের এজেন্ডা নির্ধারক’ হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল তার দুই ঘনিষ্ঠ শত্রু হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে পরাজিত করেছে। তবে এই সাফল্য অর্জনে তাদের হাজার হাজার বেসামরিক মানুষকে হত্যা করতে হয়েছে। এতে তাদের বিরুদ্ধে গাজা উপত্যকায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে তাদের আঞ্চলিক শত্রু ইরান দুর্বল এবং অপমানিত হয়েছে। আগামী মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই অঞ্চলে ইসরায়েলের এজেন্ডা আরও এগিয়ে নিতে শক্তিশালী অবস্থানে থাকবেন।

ইসরায়েলের সাবেক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আমোস ইয়াডলিন এবং আবনার গোলভ ফরেইন অ্যাফেয়ার্সে এক লেখায় ‘মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কৌশল তুলে ধরেছেন। তারা সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় আরব রাজতন্ত্রগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার কুটনৈতিক প্রচেষ্টার আহ্বান জানান। তবে ইসরায়েলের এই প্রচেষ্টা সফল করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য কিছু ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন হবে।
কিন্তু এই চেষ্টা নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের কিছু সদস্যের বিরোধিতার মুখে পড়তে পারে। এরা পশ্চিম তীর ও গাজার কিছু অংশ ইসরায়ে-ে লর সঙ্গে যুক্ত করা এবং গাজায় সামরিক শাসন জারি কিংবা এমন অভ্যন্তরীণ নীতির স্বপ্ন দেখেন যা দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করবে।

দ্য গার্ডিয়ানে হাসান লিখেছেন, আসাদের পতন এবং হিজবুল্লাহর দুর্বল অবস্থান ইরানের “শিয়া অর্ধচন্দ্রাকার বলয়’ ভেঙ্গে দিছে। এর ফলে তুরস্কের ‘পূর্ণিমা’ বলয়ের উত্থান ঘটছে. যা আফ্রিকার শৃঙ্গ অঞ্চল থেকে লেভান্ট এবং আফগানিস্তান পর্যন্ত ভূরাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে।

শক্তিশালি আঞ্চলিক রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে তিনি আরও বড় ভূমিকা পালন করেছেন। সম্প্রতি তিনি ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতা করেছেন এবং আজারবাইজানের সঙ্গে তুরস্কের মিত্রতা আরও জোরদার করেছেন। আজারবাইজান ইরানের পাশে অবস্থানরত একটি শক্তিশালি তেলসমৃদ্ধ রাষ্ট্র।

ইসলামীপন্থী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তুরস্কের বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব এবং মুসলিম ব্রাদারহুড সংশ্লিষ্ট দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা করা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশরসহ আরব রাষ্ট্রগুলোর জন্য এবং ইসরায়েলের জন্যও উদ্বেগের কারণ।

গাজার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তুরস্ক এবং ইসরায়েলের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। ফলে দামেস্কের রাজনৈতিক সংঘাত দ্রুতই ভূরাজনৈি তক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাত্রা পেতে পারে।ফিনান্সিয়াল টাইমসের কলামিস্ট গিডিয়ন র‍্যাচম্যান লিখেছেন, “এরদোয়ান ও নেতানিয়াহুর পরস্পরবিরোধী উচ্চাকাঙ্ক্ষা সহজেই সিরিয়ায় সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে। ফলে এটি আঞ্চলিক শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, কারণ সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় দেশগুলোরও সেখানে স্বার্থ জড়িত।”

জিডিপি প্রবৃদ্ধির ঘোরে বেড়েছে আয় ও সম্পদ বৈষম্য

আয় বৈষম্যের তুলনায় বাংলাদেশে সম্পদের বৈষম্য পরিস্থিতি আরও খারাপ। এর অর্থ জনসংখ্যার ছোট অংশ সংখ্যাগরিষ্ঠের তুলনায় অনেক বেশি সম্পদের মালিক।

সরকারি তথ্য বলছে – ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশে আয় বৈষম্য ব্যাপক হারে বেড়েছে। এজন্য অর্থনীতিবিদরা আয় বৈষম্য দূর করার পরিবর্তে এজন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির দিকে সরকারের বেশি মনোযোগকে দায়ী করেছেন।

বৈষম্যের পরিমাপ ২০১০ সালে ০.৪৫৮ থেকে বেড়ে ২০১৬ সালে ০.৪৮ হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে এই উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত আছে। ২০২২ সালে তা ০.৫০ এ পৌঁছেছে। এটি বাংলাদেশকে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয় বৈষম্যের দেশগুলোর একটি করে তুলেছে।

আয় বৈষম্যের তুলনায় বাংলাদেশে সম্পদের বৈষম্য পরিস্থিতি আরও খারাপ। এর অর্থ জনসংখ্যার ছোট অংশ সংখ্যাগরিষ্ঠের তুলনায় অনেক বেশি সম্পদের মালিক।

অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এবং ডিসেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে তৈরি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে-২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সম্পদের বৈষম্য ০.৮২ থেকে বেড়ে ০.৮৪ হয়েছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) জানিয়েছে, দরিদ্রতম গ্রামীণ বাসিন্দারা ক্ষুধা মেটাতে ভাতের ওপর নির্ভর করছে। আমিষসমৃদ্ধ খাবার কমিয়ে দিয়েছে।

অথচ, গত ছয় মাসে দেশে সাড়ে তিন কোটি থেকে আট কোটি টাকা দামের আটটি বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়ি আমদানি করা হয়েছে।

আয় বৈষম্য কমাতে অর্থনীতিবিদরা ধনীদের ওপর উচ্চহারে কর আরোপ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে উচ্চ উপার্জনকারীদের প্রকৃত আয় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে অসুবিধা ও নীতি নির্ধারণে ধনীদের প্রভাবের মতো বাধা রয়েছে। তাই করনীতির পাশাপাশি সরকারের উচিত কম আয়ের মানুষদের জন্য সুযোগ সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এর মধ্যে আছে কম আয়ের পরিবারের জন্য শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো ও তহবিল অপব্যবহার ঠেকিয়ে সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী সম্প্রসারণ করা।

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন সামিটের আজিজ খান

সাম্প্রতিক সময়ে সামিট গ্রুপ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আওয়ামী লীগের সরকারের পতনের পর কোম্পানিটির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখা যায় না। ফলে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।

আজিজ খান ১৯৮৮ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করছেন এবং ২০১৬ সালে সামিটের প্রধান কার্যালয় সিঙ্গাপুরে স্থানান্তর করেন।

আজিজ খান ২০১৮ সাল থেকে ফোর্বসের সিঙ্গা- পুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় আছেন। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ ১১০ কোটি ডলার।২০২২ সাল থেকে তিনি ফোর্বসের বৈশ্বিক বিলিয়নেয়ার তালিকায়ও রয়েছেন ২ হাজার ৬৭৪তম অবস্থানে। এতদিন পর্যন্ত এ তালিকায় তার নাম এসেছে একমাত্র বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে।

এতদিন তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন, কিন্তু এবার তাকে সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে সামিট গ্রুপ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আওয়ামী লীগের সরকারের পতনের পর কোম্পানিটির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণের কারণে তার বাং- লাদেশের নাগরিকত্ব হারানো ও নতুন পরিস্থিতি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নতুন দিক নির্দেশ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অর্ধশতকের ব্যবসায়ী জীবনে ট্রেডিং থেকে শুরু করে জ্বালানি, বন্দর, ফাইবার অপটিকসহ নানা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়েছেন মুহাম্মদ আজিজ খান। তবে তার সমৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিদ্যুতের ব্যবসা। এ ব্যবসার হাত ধরেই গত এক দশকে সম্পদে বড় উল্লম্ফনের দেখা পেয়েছেন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান।

ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল সরকার হলো বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার : আসাদুজ্জামান রিপন , বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান

আমরা দেখতে পেয়েছি, সংস্কারের কথা বলে সংস্কারের প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে তারা হাসিনার পথ অনুসরণ করে বিচারক নিয়োগ করছেন, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করেছেন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে লোক নিয়োগ করেছেন

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ইতিহাসের দুর্বলতম সরকার আখ্যা দিয়ে ২০২৫ সালের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

ড. রিপন বলেন, “একটি দুর্বল সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এগুলো ঠিক করার জন্য একটি নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন। ২০২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বাংলাদেশের সব সংকটের কারণ হলো নির্বাচন। ”

এই বিএনপি নেতা বলেন, “আমরা দেখতে পেয়েছি, সংস্কারের কথা বলে সংস্কারের প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে তারা হাসিনার পথ অনুসরণ করে বিচারক নিয়োগ করছেন, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করেছেন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে লোক নিয়োগ করেছেন। এ সরকার কতটুকু সংস্কার করতে চায় সেটি আমরা জানি না। কিন্তু সংস্কারের নামে বছরের পর বছর তারা যদি ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে চায়, এটি বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করবে না। ”

ড. রিপন বলেন, “আমাদের সংকট এখনও শেষ হয়নি। আমাদের নেতা তারেক রহমান বারবার বলেছেন, আগামী নির্বাচন কঠিন হবে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মানুষের কাছে যেতে হবে এবং আস্থা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেছেন, ৫ আগস্টের আগের রাজনীতি আর ৫ আগস্টের পরের রাজনীতি এক নয়। ”

২৫ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু-কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এক চতুর্থাংশ কৃষিজমির মালিক ৬% বড় কৃষক , গ্রামীণ পরিবারের ৫৬% ভূমিহীন

ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ওঋচজও) এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে বাংলাদেশের ৪১% প্রান্তিক কৃষক মাত্র ১১% জমি পরিচালনা করেন, অথচ ৬% বড় কৃষক দেশের এক-চতুর্থাংশ চাষযোগ্য জমি নিয়ন্ত্রণ করেন। গ্রামীণ অঞ্চলের ৫৬% পরিবার জমিহীন।
ওয়াশিংটন ভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্কটির পর্যবেক্ষণ, বাংলাদেশে আবাদি জমির বণ্টন অত্যন্ত অসম। দেশের কৃষি জনসংখ্যার ১৭% বড় ও মাঝারি কৃষক আবাদি জমির প্রায় অর্ধেক (৪৭%) পরিচালনা করে। বাকি ৮৩% ছোট ও প্রান্তিক কৃষক, বাকী অর্ধেক (৫৩%) চাষ করে।

জমির মালিকদের মধ্যে, নীচের ২৫% পরিবারের জমি মোট চাষযোগ্য জমির মাত্র ৩.৮%। বিপরীতে, শীর্ষ ৫% পরিবার ২৬.৪% এবং শীর্ষ ১০% চাষযোগ্য জমির ৩৯.৭% নিয়ন্ত্রণ করে। কৃষক পরিবারের প্রায় ৪০% পুরোপুরি বর্গাচাষি, মানে তারা যে জমি চাষ করে তার মালিকানা নেই। পুরোপুরি নিজস্ব জমি চাষ করে এমন কৃষক প্রায় ৩৬%। যারা নিজস্ব জমি এবং ভাড়া করা জমি উভয়ই চাষ করে (ভাগ চাষী এবং/অথবা ইজারাদার হিসাবে) এমন মিশ্র কৃষকদের অনুপাত ২৩%।

‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের কথাবার্তা , আচরণে মনে হয় – শেখ হাসিনা যাওয়াই যথেষ্ট না ; বিএনপি যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে’

বৈষম্যের আড়ালে আরেকটি বৈষম্য সৃষ্টির চেষ্টা আমার মনে হয় চলমান : গয়েশ্বর রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘কে ফার্স্ট হবে, কে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে এমন একটি দখলদারত্বের মনোভাব কারও কারও মধ্যে আমরা লক্ষ্য করছি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের কথাবার্তা, আচরণেও মনে হয়, শেখ হাসিনা যাওয়াই যথেষ্ট না; বিএনপি যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে। বৈষম্যের আড়ালে আরেকটি বৈষম্য সৃষ্টির চেষ্টা আমার মনে হয় চলমান। দৃশ্যমান শত্রুকে মোকাবিলা করা সহজ, কিন্তু অদৃশ্য শত্রুকে শনাক্ত করা এবং তারপর মোকাবিলা করতে হয়। আমরা কিন্তু এখনও কোনোটাই শনাক্ত করতে পারিনি। শুধু অনুমান করছি, একটা কিছু ঘটছে, একটা কিছু হচ্ছে।’

গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘আমরা সরকারকে দুর্বল করতে চাই না। আমরা চাই, তারা সফলভাবে একটি নির্বাচন করুক, আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। এই সহযোগিতাকে কেউ যদি দুর্বলতা ভাবে অথবা এর আড়ালে যদি কোনও দুষ্টগ্রহের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ব্যহত হয় এবং জনগণের যে মালিকানা ভোটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করা সেই বিষয়ে যদি অসন্তোষজনক কিছু দেখি, তখন আমরা চুপ করে ঘরে বসে থাকতে পারবো না। আমাদের রাস্তায় নামতেই হবে।’

বর্তমান সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে যথেষ্ট সমন্বয়ের ঘটতি আছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘যার যার অবস্থান থেকে কথা বলছেন। কিন্তু সরকারের যে কথা, সরকারের মুখ থেকে প্রতিধ্বনিত হবে তেমনটা আমার কাছে মনে হচ্ছে না। সব উপদেষ্টা যে সমগুরুত্বপূর্ণ সেটাও মনে হয় না। প্রধান উপদেষ্টাকে শক্তিশালী মনে হয়েছে এক সময়, এখন মনে হয় না।’

২৪ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত সেমিনারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেছেন।