কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অভিযোগ, তাদের কিছু সহকর্মী স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মিলে একটি চাঁদাবাজ চক্র তৈরি করেছেন। সহজে ফাঁসানো যাবে পুলিশের এমন সদস্যদের টার্গেট করছেন তারা।
ডেইলি স্টার এমন সাতটি ঘটনা জানতে পেরেছে যেখানে পুলিশ এবং বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে।আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই খিলগাঁওয়ে বিক্ষোভে আহাদুল ইসলাম নামের একজনকে গুলি করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মোট ১৭৯ জন আসামির মধ্যে পুলিশ৩৬ জন।
মামলার বাদী আহত আহাদুলের বাবা মোহাম্মদ বাকের মোবাইলে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জসিম নামে একজন আইনজীবী এবং আরও কয়েকজন আসামিদের তালিকা তৈরি করেছেন। আমি কেবল এফআইআরে সই করেছি।’
ওই মামলায় অভিযুক্ত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অভিযোগ, তাদের কিছু সহকর্মী স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মিলে একটি চাঁদাবাজ চক্র তৈরি করেছেন। সহজে ফাঁসানো যাবে পুলিশের এমন সদস্যদের টার্গেট করছেন তারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা ছাত্র আন্দোলন দমনে সক্রিয় ছিল। এখন তারা আওয়ামী সরকারের সময় তাদের অপকর্ম ঢাকতে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। ব্যক্তিগত আক্রোশ ও সুবিধা আদায়ের জন্য কিছু পুলিশ কর্মকর্তা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই সুযোগ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে আরও হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিচ্ছেন তারা।


