Home Blog Page 266

বিএনপির ১১৭ নেতাকর্মী নিহত জামায়াতের ৮৭

অভ্যুত্থানকে রাজনৈতিক রূপ না দিতে হতাহতের তালিকা গোপন রাখছে দলগুলো। অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বিরোধে না জড়াতেই এ কৌশল ।

বিএনপি সূত্র নিশ্চিত করেছে, ছাত্রদলের ৩৪, যুবদলের ৩৫, স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯, শ্রমিক দলের ১৪, কৃষক দলের ৪, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৬, দক্ষিণ বিএনপির ১২, মৎস্যজীবী দলের ২, সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের ১ নেতাকর্মীর প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। বহু নেতাকর্মী চিকিৎসাধীন থাকায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, শিবিরের অন্তত ৫৩ নেতাকর্মীর ও জামায়াতের ৩৪ জনের প্রাণ গেছে। আন্দোলনের প্রথম দিন গত ১৬ জুলাই শিবিরের নেতা নিহত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ হওয়ার পর ৪ ও ৫ আগস্ট জামায়াত-শিবিরের ৬০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।

– দৈনিক সমকালের রিপোর্ট

অভ্যুত্থানে গুলিতে চোখ হারিয়েছেন অন্তত ৫৫০ জন

আন্দোলনের সময় চোখে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জনকে ভর্তি করা হয় জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, লায়ন্স আই ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ আই হসপিটাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ অন্যান্য হাসপাতালে ।

তাদের মধ্যে ৬৩০ জনের অপারেশন হয়েছে, যাদের ৯০ শতাংশের বেশি এক বা দুটো চোখই হারিয়েছেন। অধিকাংশই ছাত্ররা গুলিতে আহত হয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং রেটিনার রক্তক্ষরণের কারণে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে।

– ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন


নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নযোগ্য নয় , প্রচলিত শিক্ষাক্রম ফিরে আসছে

“বর্তমান শিক্ষক দিয়ে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন। অনেক ক্ষেত্রেই এই নতুন শিক্ষাক্রম আমাদের দেশের জন্য উপযুক্ত নয়। যতদূর পারি আগের শিক্ষাক্রমে ফিরে যাব। তবে এমনভাবে এটা করা হবে, যাতে যেসব শিক্ষার্থী নতুন শিক্ষাক্রমে আছে তাদের কোনো অস্বস্তি না হয়। এ জন্য পরিমার্জন করা হবে।“ – সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

ছাত্র শিক্ষক অনুপাত কমানো, শিক্ষকদের বেতন ও যোগ্যতা বাড়ানো, স্কুলে অবকাঠামোগত আয়োজন, সরকারি খরচে উপকরণ সরবরাহ, সর্বোপরি শিক্ষায় বাজেট বৃদ্ধি ছাড়া নতুন শিখনপদ্ধতি কার্যকর করা সম্ভব নয় বলে সমালোচনা শুরু থেকেই ছিল।

নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির জটিলতা, লিখিত পরীক্ষার গুরুত্ব কমিয়ে ক্লাসরুমে কার্যক্রমভিত্তিক ধারাবাহিক মূল্যায়নে জোর দেওয়া, পাশ-ফেল অনেকক্ষেত্রে তুলে দেয়া বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় কতটুকু উপযোগী তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। দলগত কাজ, অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদি আধুনিক পদ্ধতি হলেও তাতে সবার সমান অংশগ্রহণ ছিল না।

এ বছর থেকে পুরোদমে চালু হওয়া এ নতুন শিক্ষাক্রম সংস্কার ও বাতিল দু’রকম দাবিই ছিল।

বিজ্ঞান-গণিত-ইতিহাস এসব মৌলিক বিষয়ের গুরুত্ব কমিয়ে জীবন-জীবিকা, তথ্য-প্রযুক্তি ইত্যাদি কারিগরি বিষয়ের ওপর জোর দেয়ায় সমালোচনা হয়েছে। বইয়ের বদলে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত মোবাইল- ইন্টারনেট মুখী করা হচ্ছে বলে অভিভাবকদের অভিযোগ। প্রতিযোগিতা নিরুৎসাহিত করা ও পরীক্ষাভীতি দূর করার নামে পড়াশোনার তাগিদ কমে গেছে বলেও তারা মনে করেন।

নতুন পৃথিবীর দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি, জলবায়ু ও আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ জরুরি।

তবে তড়িঘড়ি করে নেয়া জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত জাতির জন্যে দীর্ঘ মেয়াদের বিপদ ডেকে আনবে।



গাজায় যুদ্ধবিরতি কতদূর ? মৃতের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে

যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতায় নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে আমেরিকা , কাতার ও মিশর । মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুক্রবার বলেছেন , যুদ্ধবিরতি চুক্তি অতীতের যে কোন সময় তুলনায় নিকটবর্তী ।

কিন্তু হামাস জানিয়েছে, এ কথা কাল্পনিক । তাদের বক্তব্য সত্যিকার অর্থে কোন আলোচনা বা দর কষাকষি হচ্ছে না, আমেরিকা ইসরাইলের জন্য সুবিধাজনক চুক্তি চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে ।

বন্দিবিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে হামাস গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করা , ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ বাড়িঘরে ফেরার ওপর জোর দিচ্ছে।

কিন্তু নেতানিয়াহু সাময়িকভাবে যুদ্ধ বন্ধ করলেও গাজায় সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে চান এবং নতুন করে শর্তারোপ করেছেন।

শর্তগুলো হল – উত্তর ও দক্ষিণ গাজাকে বিভক্তকারী নেতজারিম করিডোরে ইসরাইলি সৈন্যরা তল্লাশি ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে, মিশর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং ও ফিলাডেলফিয়া করিডোর তাদের দখলে থাকবে, প্যালেস্টাইনি বন্দীদের কারা মুক্তি পাবে তা ইসরায়েল ঠিক করবে ইত্যাদি।

হামাস প্রধান ও শীর্ষ হিজবুল্লাহ কমান্ডার হত্যার পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরান ও সমর্থিত গ্রুপগুলোর পাল্টা হামলার হুমকিতে আঞ্চলিক যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।





গণঅভ্যুথ্থানের পরে কী বা কী হওয়া উচিত ?

কবি ও ভাবুক ফরহাদ মজহার একক বক্তৃতায় তুলে ধরবেন আগামীদিনের পথনির্দেশ

| গণঅভ্যুত্থান

অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকার এবং

| গঠনতন্ত্র

বক্তা: কবি ও ভাবুক ফরহাদ মজহার

১৯ আগস্ট ২০২৪। বিকাল ৫টা

স্থান: আরসি মজুমদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আয়োজনে: ভাববৈঠকী


ব্রিটিশ – বাংলাদেশি এমপি রূপা হক লন্ডনে শেখ হাসিনার আশ্রয় চান না

দ্য স্ট্যান্ডার্ডে এক নিবন্ধে রূপা হক লিখেছেন , “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, তার (শেখ হাসিনা) ব্যাপক অজনপ্রিয় শাসনামল ও অভিবাসনসংক্রান্ত রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার নিরিখে যুক্তরাজ্য সরকারের এমন একজনকে আশ্রয় দেওয়া সমীচীন হবে না, যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের দাবি রয়েছে। অনেক বাংলাদেশি মনে করে, তাকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।”
সদ্য বিদায়ী সরকারের ভোট কারচুপি, গুম ও বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। শেষে রূপা হক লিখেছেন, “আমার বাংলাদেশি ভাই-বোনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। সরকার নিয়ে কণ্ঠ তুললেই নিপীড়নের শিকার হওয়ার ভয়ের সংস্কৃতি আর নেই ৷ ”

সেনাবাহিনীর আশ্রয়ে ছিলেন ৬২৬, এখন আছেন ৭

বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ, জীবন রক্ষা ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এদেরকে সেনানিবাসে আশ্রয় প্রদান করা হয়।

জীবন বিপন্ন ২৪ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ৫ জন বিচারক, ১৯ জন অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা, ২৮ জন পুলিশ অফিসার, ৪৮৭ জন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাসহ বিবিধ ১২ জন ও ৫১ জন পরিজনসহ সর্বমোট ৬২৬ জনকে বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় দেয়া হয় ।

আইএসপিআর জানিয়েছে, পরিস্থিতির সাপেক্ষে ৬১৫ জন স্ব-উদ্যোগে সেনানিবাস ছেড়েছেন।

এ পর্যন্ত ৪ জনকে অভিযোগ বা মামলার ভিত্তিতে যথাযত প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আশ্রয়প্রাপ্ত ৩ জন তাদের পরিবারের ৪ জন সদস্যসহ মোট ৭ জন এখন সেনানিবাসে অবস্থান করছেন।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সব তথ্য দেওয়া হয়েছে।





ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু বাড়ছে

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আগস্ট মাসের প্রথম ১৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮৯৭ রোগী, মারা গেছেন অন্ততঃ ১৮ জন। বছরের অন্যান্য মাসের তুলনায় এ সংখ্যা বেশি।

রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মশা নিধন কর্মসূচি বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধ , স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোও নিষ্ক্রিয়। এখনই ব্যবস্থা না নিলে সেপ্টেম্বর নাগাদ আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয় গত বছর – ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন – মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের। রোগীদের মধ্যে প্রাণঘাতী শক সিনড্রোম গত বছর থেকে বাড়ছে।

ঋণখেলাপি ও অর্থ – পাচারকারীদের শাস্তি হবে

বড় ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে । প্রয়োজনে বিশেষ আদালত গঠন করে মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পন্ন করা হবে- বলেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ডক্টর সালেহউদ্দিন আহমেদ । ডেইলি স্টারের সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন , আশু পদক্ষেপ হিসেবে ঋণ খেলাপিরা বহুবছর ধরে যেসব রিশিডিউলিং সুবিধা ও বিশেষ ছাড় পেয়ে আসছিলেন , কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা অবিলম্বে বন্ধ করবে । … অর্থ পাচার সংক্রান্ত সরকারি কমিটি গত আড়াই বছর বসেনি , গত বুধবার এর সভা করে পাচারকারীদের তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে ।


দল নয়, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য কাজ করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয় কমিটির নেতা মাহফুজ আবদুল্লাহ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন রয়টার্সে দেয়া আমার বক্তব্য ভুলভাবে এসেছে । আর সে ভুল বক্তব্যের বাজে বা উদ্দেশ্যমূলক অনুবাদ বাংলাদেশি মিডিয়া প্রচার করেছেন । …আমার বক্তব্য ছিল , আমরা রাজনৈতিক সংগঠন নিয়ে এখনই ভাবছি না । ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এবং নূতন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য আমরা কাজ করছি। গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখা এবং সরকারকে সংহত করা আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য । …রয়টার্স একটি ভুল করেছে , নাগরিকদের বদলে তারা ভোটার শব্দটি ব্যবহার করেছে। অথচ , নির্বাচনী রাজনীতি নিয়ে আমাদের খুব কমই কথা হয়েছে ।