Home Blog Page 261

অযৌক্তিক দামে ডাটা ব্রিক্রি অপারেটরদের ?

মোবাইল ইন্টারনেটে প্রতি গিগায় গড় ব্যয় প্রায় ৪ টাকা, কোম্পানিগুলো বিক্রি করছে ২৫-৩৫ টাকায়। মোবাইল ইন্টারনেটের ডাটা বিক্রিতে গত কয়েক বছরে বড় মুনাফা করেছে অপারেটররা। প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতি গিগাবাইট মোবাইল ইন্টারনেট ডাটা সরবরাহে প্রাথমিক ব্যয় হচ্ছে গড়ে প্রায় ৪ টাকা। অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি- রেগুলেটরি ফি, সরকারকে প্রদেয় ভ্যাট, ট্যাক্স, স্পেকট্রাম ক্রয়, সেবা বিক্রয়, মার্কেটিং, বিজ্ঞাপন, বিটিআরসির সঙ্গে রেভিনিউ শেয়ারিংসহ নানা কারণে প্রকৃত ব্যয় আরও বেশি । ইন্টারনেটের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ নিয়ে শিগগিরই কাজ শুরুর কথা জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ।

-– দৈনিক বণিক বার্তার রিপোর্ট ।

সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ’বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর নেতৃত্বে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন হলে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। গণঅভ্যুত্থান দমন করতে পতিত সরকার নিষ্ঠুর বল প্রয়োগ করলে বহু প্রাণহানি ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিনের দুঃশাসনে বহু মানুষ অপহরণ, গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের মতো নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ফলে বিদায়ী সরকারের প্রতি জনমনে প্রচণ্ড ক্ষোভ বিরাজমান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসব নিপীড়নের বিচার করতে বদ্ধপরিকর। উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সরকার যখন বিচারের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার নিয়ে জাতিসংঘকে সত্য অনুসন্ধানে আহ্বান জানিয়েছে এবং বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়ে কিছু অতি উৎসাহী এবং স্বার্থান্বেষী মহল আইন নিজের হাতে তুলে নেবার এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিবাদের নামে প্রতিষ্ঠান ঘেরাও, জোরপূর্বক পদত্যাগ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বেআইনি তল্লাশি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ঢালাওভাবে মামলা গ্রহণে পুলিশের উপর চাপ প্রয়োগ, আদালতে আসামিকে আক্রমণ করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

এ প্রসঙ্গে সরকার সকলকে আশ্বস্ত করতে চায় যে, মামলা হওয়া মানেই যত্রতত্র গ্রেফতার নয়। এ সকল মামলার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া যাচ্ছে যে, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী এসব কার্যকলাপের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকার সকল দুষ্কৃতিকারীকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে অচিরেই অভিযান চালাবে এবং দল-মত নির্বিশেষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দপ্তরে জানাতে হবে, কোনভাবেই কোনো প্রতিষ্ঠান ঘেরাও বা কোনো রকম সহিংস আচরণ করা যাবে না। সরকারের পক্ষ থেকে তল্লাশি ও মামলা গ্রহণে প্রচলিত আইন যথাযথভাবে মেনে চলা হবে এবং হয়রানিমূলক পদক্ষেপ দূর করার ব্যবস্থা নেয়া হবে । আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য সকলকে আন্তরিকভাবে আহবান জানানো হচ্ছে ।

সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জাতীয় সরকার ও দুই কক্ষের পার্লামেন্ট চায় : বিএনপি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন- বিএনপি আগামীতে জাতীয় সরকারের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা দেখতে চায়। এদেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র আর ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যারা অংশগ্রহণ করেছেন, তারা সকলে আগামীতে দেশ পরিচালনায় অংশগ্রহণ করবেন। ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কমীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন- বিএনপি পৃথিবীর অনেক দেশের মতো উচ্চ কক্ষসহ দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট ব্যবস্থা সংবিধানে সংযুক্ত দেখতে চায়। এতে প্রথাগত রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন পেশাজীবী-বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান দেশের কাজে লাগানো যাবে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনগণের পরিবর্তিত আশা আর ভাষার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের উপযুক্ত হতে হবে। সাম্প্রতিককালে গজিয়ে ওঠা অদৃশ্য প্রতিপক্ষের মোকাবিলায় নিজ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। এর আগে কয়েকটি মত বিনিময়ে তারেক রহমান নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, পর পর দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে না পারার বিধান সংবিধানে সংযুক্ত করার কথা বলেন। গণভবনের জায়গায় গণহত্যা মিউজিয়াম তৈরির ঘোষণাও দেন তিনি।


গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদ সমাবেশে গ্রেটা থানবার্গ গ্রেফতার

গাজা যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশে কোপেনহেগেনে পরিবেশবাদী কর্মী গ্রেটা থানবার্গকে গ্রেপ্তার করেছে ডেনিশ পুলিশ- বিক্ষোভকারী ছাত্র গোষ্ঠীর মুখপাত্র । বুধবার কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ জন ছাত্র একটি ভবনে প্রবেশ পথ অবরুদ্ধ করার পরে এবং তিনজন প্রবেশ করার পরে ছয়জনকে আটক করা হয়েছিল। স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য অকুপেশনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ২১ বছর বয়সী থানবার্গ আটকদের একজন।একস্ট্রা ব্লাডেট প্রকাশিত ছবিতে হাতকড়া পড়া থানবার্গেকে সাদাকালো কেফিয়াহ কাঁধে দেখা গেছে। থানবার্গ ইনস্টাগ্রামে একটি বিল্ডিংয়ে দাঙ্গা পুলিশের প্রবেশের ছবি শেয়ার করেছেন যেখানে শিক্ষার্থীরা দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে। কোপেনহেগেন পুলিশের মুখপাত্র বলেছেন- বিক্ষোভের সাথে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে গ্রেফতারকৃতদের নাম আমি নিশ্চিত করতে পারছি না। তারা জোর করে বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করেছে এবং প্রবেশ পথ আটকে দিয়েছে। ইন্সটাগ্রামে শিক্ষার্থীরা বলেছে- যদিও ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয় ইসরায়েলের একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। একটি দাবিতে [বিশ্ববিদ্যালয়ের] কেন্দ্রীয় প্রশাসন দখল করেছি আমরা, এখন একাডেমিক বয়কট।

কম খরচে বসবাসের জন্য বিশ্বে সেরা দেশ কোনটি ?

ভিয়েতনাম সবচেয়ে সাশ্রয়ী বসবাসের স্থান হিসেবে টানা চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছে। ইন্টারনেশনসের এক্সপ্যাট ইনসাইডার ২০২৪ তালিকাটি তৈরি করতে জীবনযাত্রার ব্যয়, আর্থিক অবস্থা অনুযায়ী সন্তুষ্টি এবং সেই দেশে আরামদায়ক জীবনযাপনের জন্য পারিবারিক আয় যথেষ্ট কিনা এ তিনটি বিষয় বিবেচনায় আনে। ভিয়েতনামে জীবনযাত্রার ব্যয় একেবারেই কম, লোকেরা খুব বন্ধুভাবাপন্ন, কাজ ও জীবনের ভারসাম্যও চমৎকার। চাকরির সন্তুষ্টির জন্যও দেশটি তার র‍্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। পাশাপাশি এখানে বাস করা প্রবাসীদের অর্ধেকের কম পূর্ণকালীন চাকরি করেন। এক্সপ্যাট ইনসাইডার ২০২৪ রিপোর্টে আর্থিক চাপ ছাড়াই স্বচ্ছন্দে বসবাস তালিকায় ১০টি দেশের মধ্যে ৬টিই এশিয়ার। ভিয়েতনামের পরের স্থানটি কলম্বিয়ার, তিনে আছে ইন্দোনেশিয়া। পরের স্থান দুটি যথাক্রমে মধ্য পানামা ও ফিলিপাইনের। তালিকায় ছড়িয়ে আছে ভারত। তারপরে চারটি স্থান মেক্সিকো, থাইল্যান্ড, ব্রাজিল ও চীন।

পাচারকৃত বাংলাদেশী অর্থ ফেরাতে ব্রিটিশ সংস্থার উদ্যোগ

বিদেশে বাংলাদেশিদের অবৈধ সম্পদ জরুরি ভিত্তিতে জব্দ করার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক চারটি দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা। এই সংস্থাগুলোর প্রধানেরা যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে ৩০ আগস্ট পাঠানো যৌথ চিঠিতে বলেন- সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ অতিদ্রুত চিহ্নিত ও পুনরুদ্ধার করা জরুরি।

সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি এবং সমর্থনের কথা উল্লেখ করে চিঠিতে ৩টি বিষয় জরুরিভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়। 

প্রথমত – কোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি বা কোম্পানির পাচার করা সম্পদ যুক্তরাজ্যে রয়েছে কি না এবং তা পুনরুদ্ধারযোগ্য কি না, এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সিকে সক্রিয় হয়ে পাচারকৃত অর্থ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সেই সম্পদ জব্দ করাসহ সব পদক্ষেপ নেওয়া ।

দ্বিতীয়ত- বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন, আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংস্কারের পাশাপাশি ফরেনসিক হিসাবরক্ষক ও আইনজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতি সহায়তার আহ্বান জানানো হয়। যাতে এই সংস্থাগুলো পাচার হওয়া অর্থ-সম্পদ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধারে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে পারে।

তৃতীয়ত- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (বিশেষ করে দুবাই) যেসব দেশে বাংলাদেশের অর্থ-সম্পদ পাচার হয়েছে, তাদের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের এ সম্পদ দেশে ফেরত আনা এবং পাচারের সঙ্গে জড়িত সবার জবাবদিহি নিশ্চিতের পথ ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানানো হয়। টিআই-ইউকের নীতিবিষয়ক পরিচালক ডানকান হেমজ বলেন- ব্রিটিশ সরকারের উচিত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি এবং তাঁদের সহায়তাকারীদের বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ জব্দ করা, যাতে অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ তাঁরা ভোগ করতে না পারেন ।


অন্তর্বর্তী সরকার : পদ্মা সেতু প্রকল্প ; বাঁচলো টাকা ১,৮৩৫ কোটি

“প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সব ক্ষেত্রে ব্যয় কমানোর জন্য। আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি , সব ক্ষেত্রে ব্যয় কমিয়ে আনব। কাজ একই থাকবে, কিন্তু কম মূল্যে করব। এর ফলে একই টাকা দিয়ে আমরা বেশি পরিমাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারব। সেতু বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, পদ্মা সেতুতে ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করতে। আমরা ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় সাশ্রয় করেছি। পদ্মার মূল সেতু নির্মাণে ৫৩০ কোটি, নদীশাসনের কাজে ৮০ কোটি, সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণে ১৭৮ কোটি, মুল্যস্ফীতিজনিত বরাদ্দ ৫০০ কোটি, ভূমি অধিগ্রহণ ১০৩ কোটি, পরামর্শক বাবদ ২০০ কোটি ও অন্যান্য ২৪৪ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। যদি ভালো সরকার থাকত, তাহলে হয়তো আমরা পদ্মা সেতু আরও অনেক কম ব্যয়ে নির্মাণ করতে পারতাম।“

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান

গুপ্তচর তিমি ভালদিমির মারা গেছে

বিখ্যাত গুপ্তচর তিমি ভালদিমিরকে নরওয়ের উপকূলে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পাঁচ বছর আগে নরওয়ের জলসীমায় প্রথমবারের মতো ভালদিমিরকে দেখা যায়। তখন বেলুগা প্রজাতির তিমিটির সঙ্গে একটি রাশিয়ান গোপন ক্যামেরা লাগানো ছিল। নরওয়ের গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, রুশ সামরিক বাহিনী তিমিটিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বলে তারা মনে করে – কারণ, তিমিটি মানুষের সঙ্গে মিশতে অভ্যস্ত।

গুপ্তচরবৃত্তিতে পশু-পাখির ব্যবহার নতুন নয় । প্রাচীনকাল থেকেই যুদ্ধের সময় বার্তাবাহক কবুতর ও কুকুরের ব্যবহার হয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মান শত্রুপক্ষের গতিবিধি জানার জন্য ক্যামেরাবাহী কবুতর ব্যবহার করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ঠান্ডা যুদ্ধের সময় প্রশিক্ষিত কাক ও কবুতর ব্যবহার করে গুপ্তচরবৃত্তির উদাহরণ আছে।

সিআইএ ৬০ এর দশকে প্রশিক্ষিত বোতলমুখ ডলফিনকে বিপক্ষ জাহাজে হামলা ও নজরদারির কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করে। ২০১৬ সালে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে ইলেকট্রনিক যন্ত্র লাগানো একটি বড় শকুন ব্যবহার করে ইসরাইল নজরদারি চালায় বলে স্থানীয়দের ধারণা।

পাকিস্তান-ভারত পরস্পরের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কাজে ব্যবহারের অভিযোগে বেশ কিছু কবুতর বিভিন্ন সময়ে আটক করে। ২০২০ সালে পাকিস্তান থেকে আসা পায়ে রিং পরানো একটি কবুতর ভারত আটক করে। ভারতীয় পুলিশের বক্তব্য- রিংটির উপর কোনো কোড লেখা আছে, যার অর্থ উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালেও চীনের হয়ে গোয়েন্দাগিরির সন্দেহে একটি কবুতরকে ৮ মাস আটকে রেখে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। পরে পাখিটিকে বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসক শূন্য বাংলাদেশের ২৫ জেলা

জেলা প্রশাসকবিহীন (ডিসি) অবস্থায় আছে ২৫টি জেলা। ১৩ দিন আগে এই জেলাগুলোতে একযোগে ডিসিদের প্রত্যাহার করেছে সরকার। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা এখন ২১টি জেলা থেকে প্রত্যাহার করা ডিসিদের দায়িত্ব পালন করছেন। সেইসাথে, তাদের জেলাগুলো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বদলিকৃত ৪ ডিসিকে পূর্ববর্তী স্টেশনে থাকতে হয়েছে। জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অবিলম্বে এই জেলাগুলোতে ডিসি নিয়োগ দিতে পারবে না। কারণ এ পদের জন্য যোগ্যদের তালিকা তৈরি করতে সময় লাগবে।

দ্য ডেইলি স্টারের খবর

শ্রমিক বিক্ষোভে শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা , ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান

মজুরি ও হাজিরা বোনাস বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেছেন। একই সঙ্গে চাকরিচ্যুত শ্রমিক ও চাকরিপ্রত্যাশীরাও চাকরির দাবির পাশাপাশি নিয়োগে নারী-পুরুষের সমতা চেয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন।

– দৈনিক প্রথম আলোর রিপোর্ট

এ সময় কয়েকটি কারখানায় ভাঙচুর করা হয়। এর ফলে সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে গতকাল তৈরি পোশাক, ওষুধ, খাদ্যসহ বিভিন্ন শিল্পের শতাধিক কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল।

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতারা গতকাল সোমবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও শ্রম উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে শিল্পের নিরাপত্তায় শক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। এরপরই অস্থিরতায় ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও শিল্প পুলিশের যৌথ অভিযানের নির্দেশনা আসে।

শ্রমিকনেতা বাবুল আখতার বলেন- বর্তমানে পুলিশ প্রশাসন পুরোপুরি কার্যকর নয়, অন্যদিকে স্থানীয় মাস্তানরা দৌড়ের ওপর আছে। এই সুযোগে শ্রমিকেরাও নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে শুরু করেছেন।

বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল রাকিব বলেন – বর্তমান অস্থিরতার পেছনে একটি গোষ্ঠীর ইন্ধন রয়েছে। তাদের লোকজন লুঙ্গি পরে, হেলমেট মাথায় দিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে মিশে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে; কারখানা ভাঙচুর করছে।

বেতন বৃদ্ধি, চাকরি স্থায়ী করা, সপ্তাহে দুদিন ছুটিসহ বিভিন্ন দাবিতে দেশের বিভিন্ন ওষুধ কারখানায়ও গত ৩১ আগস্ট থেকে শ্রমিক বিক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে স্কয়ার, বেক্সিমকো ও ইনসেপ্‌টার কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখার ঘটনাও ঘটেছে।

ন্যূনতম বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, হাজিরা বোনাস ও ঈদের ছুটি বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ৬টি অঞ্চলের কারখানার শ্রমিকেরা গতকাল সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

এদিকে আজ সকালে গাজীপুরের টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ছাঁটাই হওয়া একদল শ্রমিক।