Home Blog Page 262

বিএনপি – জামায়াতের দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজনীতির শূন্য মাঠে বড় শক্তি হিসাবে সামনে আসতে চাচ্ছে জামায়াত। জামায়াত নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে আসন বাড়াতে চায়। বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চাইলেও জামায়াত সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে সময় দেবে। নির্বাচন যত দেরিতে হবে বিএনপি তত চাপে পড়বে, আর জামায়াত সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। বিশ্বমার্ভিরোধী ছাত্র আন্দোলন যদি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করে তবে আরো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বিএনপি।

– ডয়চে ভেলে বাংলার প্রতিবেদন |

ওজন কমানোর ওষুধগুলি বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে

ওজেম্পিক এবং ওয়েগোভির নামে পরিচিত সেমাগ্লুটাইড স্থূলতা এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্তদের মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করেছে। গবেষকরা দেখেছেন, যারা ওষুধটি নিয়েছেন তারা কেবল কার্ডিওভাসকুলার নয়, সমগ্র কারণেই কম সংখ্যক মারা গেছেন। ওজন কমানোর প্রচলিত এ ওষুধগুলি বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে। দীর্ঘকাল আরও ভাল স্বাস্থ্যে বেঁচে থাকার উপকারিতা নিয়ে এই ধরনের ওষুধগুলো বিপ্লব ঘটাবে । ইয়েল স্কুল অফ মেডিসিনের অধ্যাপক হারলান ক্রমহোলজ বলেন – সেমাগ্লুটাইডের সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। এটি মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতি এমনভাবে ঘটায় যে, বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। আমেরিকার ১৭,৬০৪ জন স্থূলতা এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের উপর ৩ বছর ধরে চলা পরীক্ষায় এটি।

আন্দোলনে নারীদের অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ কেন ?

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বিপুল সংখ্যক নারীর অংশগ্রহণ ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অভূতপূর্ব।
– বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

“ ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা ফারজানা লিও কাজিপাড়া ও শ্যাওড়াপাড়া এলাকায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন ও স্লোগান দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এই আন্দোলনের সাথে নারীরা যদি একাত্ম না হতো তাহলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব হতো না। নারীরা যখন ব্যাপক সংখ্যায় শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে জড়িয়ে যায় তখন তাদের পক্ষে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না।”

“ফারজানা লিও তার জীবনে কখনোই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন না। নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে বিক্ষোভকারী ছাত্রদের গুলি করে মেরেছে সেটি দেখে বেশ মর্মাহত হয়েছিলেন তিনি। এই বিষয়টি তাকে রাস্তায় টেনে নামিয়েছে।” তিনি বলেন, “বহু নারী রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন আবার অনেককে বাড়িতে থেকেও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জুগিয়েছেন। সন্তান যখন তার মায়ের দিক থেকে সাপোর্ট পায় তখন কোনো কিছুই তাকে আটকাতে পারে না।”

“পুলিশের গুলিতে যখন শিক্ষার্থীরা নিহত হচ্ছিল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রী ১৬ বছরের রিদিমা ও তার ভাইও বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। এই বিক্ষোভে সন্তানদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন তাদের মা-বাবাও।”

  • “রাস্তায় গুলি আর নিহত হবার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও কেন তারা সর্বপরিবারে রাস্তায় গিয়েছিলেন?”
  • “মাতৃত্বটা আমাদের এগিয়ে নিয়ে গেছে। সন্তান যারই হোক না কেন, প্রত্যেকটা মা মনে করে প্রতিটা সন্তানই আমাদের সন্তান। যখন আমরা দেখলাম যে ভয় পেয়ে লাভ নেই, আমাদের বাচ্চাদের তো আমরা বাঁচাতে পারছি না। তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিল । তারপরেও তাদের টর্চার করা হচ্ছে , মেরে ফেলা হচ্ছে নির্বিচারে। তখন তো আমাদের আর ভয় পেয়ে কোনো লাভ নেই। আমরা ঘরে থেকে কী করবো?”

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন নাকি পুনর্লিখন ?

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য সংলাপ, সংবিধান প্রসঙ্গ’ সংলাপে সংবিধান পুনর্লিখন নাকি সংশোধন হবে, সেটি নিয়ে মত দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা ।

“নতুন বাংলাদেশে আমাদের ওই জায়গায় পৌঁছাতে হবে, যেখানে আমাদের আগের যে রাজনৈতিক দর্শন রয়েছে, সেগুলোকে কীভাবে পুনর্গঠন করব। এই পুনর্গঠনের ভিত্তির ওপরেই নির্ধারণ হবে, কীভাবে আমরা আমাদের রাষ্ট্রকে নতুন নতুন জায়গা থেকে পুনর্নির্মাণ করব। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্যই আমাদের জনগণের কাছে যেতে হবে। জানতে হবে জনগণের যে বৃহত্তর অংশ আছে, তারা আসলে কী চাচ্ছে।”

“সংবিধান সংশোধন নয়, পরিবর্তন করতে হবে। নতুন সংবিধান লিখলেও তাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মনে হয় না। বর্তমান সংবিধানে যে মৌলিক মানবাধিকারের কথা রয়েছে, নতুন সংবিধান লিখলে সেগুলোতে খুব বেশি পার্থক্য হবে, তা কিন্তু না।

সংবিধান পুনর্লিখন করতে হলে তা ১৯৭১ এ মানুষের আকাঙ্ক্ষার ধারাবাহিক হতে হবে। ১৯৭২ সালের সংবিধান আদর্শিকভাবে একপক্ষীয় ছিল। সেখানে দলের মূলনীতি ও সংবিধানের মূলনীতি এক ছিল। সেই জায়গা কিন্তু এখন নেই। ওই আদর্শিক জায়গাটা পুনর্নির্মাণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের আদর্শিক জায়গার এখনও পরিবর্তন হয়নি। তাদেরও সেই জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে।”
– প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম

“সংবিধান সংশোধন বা পুনর্লিখন প্রসঙ্গে সবার সমান অংশগ্রহণ এবং ভিন্নমতকে আমলে নেওয়া প্রয়োজন। সংবিধান সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে নতুন করে লেখা বেশ কঠিন। নতুন বাংলাদেশে নতুন সংবিধানের মৃত্যুদন্ডকে বাদ দেওয়া প্রয়োজন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাথে মৌলিক অধিকারের ওপরও জোর দেওয়া প্রয়োজন। সংবিধানের ব্যাখ্যা আসা প্রয়োজন প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকেই। সংবিধানের সংশোধনের জন্য ভিন্ন মত, ধর্মের সবার অংশগ্রহণের প্রয়োজন।”
– আইনজীবী সারা হোসেন

“সংবিধান সংশোধন বা পুনর্লিখন—কোনটি হবে, সেটি আলোচনার মধ্য দিয়ে ঠিক হবে। সরকার সিদ্ধান্ত দেওয়ার অধিকারী নয়। এ বিষয়ে (সংবিধান) সিদ্ধান্ত নিতে হলে ছাত্র-জনতার কাছেই ফিরে যেতে হবে। যেটিই হোক, সেটা আমাদের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের দিকে নিয়ে যাবে। ১৯৭১ ও ২০২৪ সালে জনগণের চাওয়াগুলোর মধ্যে বড় কোনো ব্যবধান নেই। ১৯৭১-এর প্রত্যাশাগুলো পূরণ না হওয়ায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণঅ। শুরুর সংবিধান একবারে মুখে ফেলে নতুন কিছু করা যায় না। ২৫০ বছর আগে আমেরিকার সংবিধান প্রণয়ন হয়, এখনও তা বহাল রয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে তার সংশোধন হয়েছে।”
– অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ

“সংবিধান পুনর্লিখন ছাড়া উপায় নেই। সংবিধানের ৭ এর খ–তে যা বলা হয়েছে, তা সংশোধন করা সম্ভব নয়। বেসিক স্ট্রাকচারের নামে যা করা হয়েছে, কোনো দল ৩০০ আসন নিয়ে জয়ী হলেও সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না। সংবিধানের ১১৬ ধারা বহাল রেখে দেশে বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না। নতুনভাবে সংবিধানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে সংখ্যাগুরুর অত্যাচার বন্ধের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে প্রধানমন্ত্রীর অসীম ক্ষমতা কমাতে হবে, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ও সংখ্যাগত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।”

ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক আলী রীয়াজ

“একটা দেশের সংবিধান সেই দেশের রাজনৈতিক জীবনবৃত্তান্ত। সার্বভৌমত্ব জনগণের জন্য হওয়া প্রয়োজন ছিল, যার প্রতিফলন দেখা যায়নি। মৌলিক অধিকার, সমতার কথা আছে কিন্তু তা বাস্তবায়নের কথা নেই সংবিধানে। নানা রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে পিছিয়ে পড়া মানুষের কথা তুলে আনতে হবে। সংবিধানের সংশোধনের নামে দলীয়করণ করেছে প্রতিটি সরকার। সকল ক্ষমতা একজনের হাতে থাকলে স্বৈরাচার তৈরি হবেই।”

— ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবীর

“১৯৭২ এর সংবিধান অনেক বেশী প্রগতিশীল ছিল। এমনভাবে সংবিধানকে পরিবর্তন করা হয়েছে যে এখন আর এটি জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন করে না, একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর ইচ্ছার প্রতিফলন দেখতে পাই। সংবিধান পুনর্লিখন করা প্রয়োজন, তবে একদম শূন্য অবস্থান থেকে নয়।“

— ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের নির্বাহী পরিচালক মনজুর হাসান


জাপানে বৃদ্ধদের নিঃসঙ্গ মৃত্যু 

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে জাপানে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ নিজ বাড়িতে একাকী মারা গেছেন। প্রায় ৪ হাজার মানুষকে মৃত্যুর এক মাসের বেশি সময় পর উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩০টি মরদেহ পাওয়া গেছে মৃত্যুর অন্তত এক বছর পর।

পুলিশের প্রতিবেদনে জাপানের বিপুলসংখ্যক প্রবীণ জনসংখ্যার একাকী জীবনযাপন ও মৃত্যুর তথ্য উঠে এসেছে।

জাপানি তরুণ-তরুণীদের দীর্ঘদিন বিয়ের প্রচেষ্টা বা অনেকের সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে নিঃসঙ্গ প্রবীণ জনসংখ্যার সংখ্যা বাড়ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে— ২০৫০ সালের মধ্যে জাপানে ১ কোটি ৮ লাখ বয়স্ক মানুষ একাকী বসবাস করবেন, যা দেশের মোট পরিবারের ২০ দশমিক ৬ শতাংশ।

কমলা যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল নীতি বদলাবেন না 

সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস বলেছেন – ইসরায়েলকে অস্ত্র না দেওয়ার কোনো কারণ দেখেন না তিনি।

ডেমোক্রেটিক পার্টির এক অংশ থেকে ইসরায়েলকে মার্কিন অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি থাকলেও কমলা এ বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছেন।

কমলা জানালেন – সব সময়ই ইসরায়েলকে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চান তিনি। তবে গাজার সংঘাতে যুদ্ধবিরতি ও জমি মুক্তির চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।

সাম্প্রতিক মতামত জরিপে ৪৫% শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন কমলা, ৪১% ভোট পান ট্রাম্প।

গণ ছুরিকাঘাতের প্রতিক্রিয়া , শরণার্থী ফেরত পাঠাচ্ছে জার্মানি 

২৮ জন অবৈধ আফগান অভিবাসীকে কাবুলে ফেরত পাঠিয়েছে জার্মানি। তালেবান ক্ষমতায় আসার পর কয়েক হাজার আফগানকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল দেশটি।

২৩ আগস্ট সোলিঙেন শহরে এক সিরীয় শরণার্থীর ছুরিকাঘাতে ৩ জন নিহত হওয়ায় গোটা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ইসলামিক স্টেট ওই হামলার দায় নিয়েছিল। মে মাসে মানহাইম শহরে এক আফগান অভিবাসী ছুরি হামলায় একজন পুলিশ অফিসারকে হত্যা করে।

অবৈধ শরণার্থীদের প্রত্যর্পণ, উগ্র ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদের মোকাবেলা ও অভিবাসন নীতি নিয়ে বিতর্ক জার্মান রাজনীতিতে এখন অন্যতম ইস্যু।

ইসলামিস্টদের সমালোচনা করে জার্মান চ্যান্সেলর শলৎস বলেন – তারা ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে মুখে হারিয়ে ফেলেছে।’

থানা চালু হলেও তৎপর নয় পুলিশ

রাজধানীর কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করে খবরটি বলছে – আসামি ধরতে অভিযানে যেতে ভয় পাচ্ছে পুলিশ। অপরাধী কোথায় জানা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে তাদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা বললেন – থানার কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। টহল ও তল্লাশি আগের মতো চলছে না। পুলিশ সদস্যরা থানার বাইরে গিয়ে কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন।

জিডি-মামলার সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কম। চাঁদাবাজি, মাদকব্যবসা, ছিনতাই বিনা বাধায় চলছে।

আজ ৩০ আগস্ট , আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস

বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য মতে, ২০০৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মোট ৬২৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন।গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন মায়ের ডাক এখনও নিখোঁজ ১৫৮ জনের একটি তালিকা দিয়েছে।

শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সাল থেকে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী বা লক্ষ্যবস্তু করা ব্যক্তিদের গুম করার প্রবণতা শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে এটা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁদের দীর্ঘ সময় আটক রাখা হতো, তাঁদের গোপন বন্দিশালায় রাখা হতো। আবার কাউকে তুলে নেওয়ার পরপর বা অল্প দিনের মধ্যে মেরে ফেলা হয়েছে। কাউকে কিছুদিন নির্যাতনের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে অথবা মামলা দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

বন্দিশালা থেকে ছাড়া পাওয়া কয়েকজনের বর্ণনায় প্রকাশ পায় ‘আয়নাঘর’-এর রোমহর্ষক কাহিনি। প্রহরীরা মাঝেমধ্যে অবজ্ঞা করে বলত, আয়নাঘরের মধ্যে আছেন। আয়নাঘর একটি রূপক নাম যেখানে নিজেকে ছাড়া আর কাউকে দেখা যায় না। ঢাকায় কিছুক্ষেত্রে ডিজিএফআই কার্যালয়ের কাছাকাছি সেনানিবাস এলাকায় আমানঘর বা গোপন বন্দিশালা পরিচালিত হয়েছে। সেনাবাহিনীর ইন্টারোগেশন সেলের অপব্যবহার করেও বন্দিশালা হিসেবে ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

র‌্যাব ও পুলিশের কোনো কোনো শাখারও নির্যাতনের এমন সেল ছিল। বিশেষ করে উত্তরা র‌্যাব-১ এর কার্যালয়ের কাছে বেলেনহোলের পাশে এমন গোপন বন্দিশালা ছিল, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে গুম হওয়া ব্যক্তিদের অনেককে প্রথমে সেখানে নিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।মানবাধিকার কর্মীদের দাবি – গুমের জন্য কারা নির্দেশ দিয়েছেন, কোন পর্যায়ে গুমের সিদ্ধান্তগুলো হত, কোনো ব্যক্তি বিশেষ নাকি কোনো সংস্থা বা বাহিনী সিদ্ধান্ত নিত, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কী ছিল এসব নিয়ে বিশদ তদন্ত দরকার, যাতে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা যায়।

পশ্চিম তীরেও ইসরায়েলের বড় মাপের অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি

গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরের জেনিন, তুবাস, তুলকারেম, হেবরন, বেথলেহেম শহর ও শরণার্থী শিবিরগুলোতে বুধবার ভোর থেকে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ১৪ জন নিহত হয়েছে। পশ্চিম তীরে নিয়মিত অভিযান চালানোর ১৯৬৭ সালের পর এত বড় আকারের, একাধিক শহরে অভিযান চালায়নি ইসরায়েল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলি ক্যাটজ বলেছেন –
গাজায় সন্ত্রাসীদের যেভাবে নির্মূল করা হচ্ছে, ঠিক সেভাবেই এই ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে। এটি একটি যুদ্ধ এবং আমাদেরকে জিততে হবে।

অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর (সোল্ডার) হাতে ৬৫০ ফিলিস্তিনি নিহত ও হাজার হাজার আটক হয়েছেন। একই সময়ে ১৯ ইসরায়েলি নাগরিক নিহত হয়েছে। হামাস ঘোষণা করেছে, পশ্চিম তীরে তাদের ১০ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে।