Home Blog Page 263

আরাকান আর্মির সাথে যোগাযোগ বাড়াতে হবে বাংলাদেশের

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণকারী আরাকান আর্মির সাথে যোগাযোগ বাড়ানো উচিত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বাংলাদেশের।
– ব্রাসেলসভিত্তিক থিংকট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিবেদন

`রাজ্যটিতে বৌদ্ধপ্রধান রাখাইন ও মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতময় সম্পর্ক ১৯৪২ থেকেই।
রোহিঙ্গা-রাখাইন সাম্প্রদায়িক সংঘাত ও জাতীয় বাহিনীর রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে ব্যবহারের রাখাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।

যদিও অধিকাংশ রোহিঙ্গা বাধ্য হয়ে জোরপূর্বক লড়েছে – তবে অনেকেই আছে, যারা স্বেচ্ছায় জাতীয় বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে রাখাইন বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে লড়েছে।
এই বিষয়টি আরাকান আর্মিকে ক্ষুব্ধ করেছে। একই সঙ্গে, রাখাইন ও রোহিঙ্গা উভয় জনগোষ্ঠীর নেতাদের উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে পরিস্থিতি আবারও সাম্প্রদায়িক সংঘাতের দিকে রূপ নিচ্ছে।`

`আরাকান আর্মি চটজলদি রাখাইন রাজ্যের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, এতে সেখানে পুরোপুরি সার্বভৌম নয় এমন একটি আশা-রাষ্ট্র সৃষ্টি হবে।

এতদিন সরকারের সাথে কাজ করে অভ্যন্তরীণ বিদেশি সংস্থা ও রাষ্ট্র আরাকান আর্মির সঙ্গে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে কী না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে।

বিদেশি সরকারগুলো আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গাদের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত, যাতে তারা উভয় পক্ষ সহযোগিতা করতে পারে এবং সম্প্রীতি বজায় রেখে চলতে চাপ প্রয়োগ করতে পারে। আর দাতাদের উচিত রাখাইন রাজ্যজুড়ে মানবিক কার্যক্রম সমপ্রসারণের উপায় খুঁজে বের করা।`

আরাকান আর্মির সাথে যোগাযোগ করার সময় বাংলাদেশের উচিত, রোহিঙ্গাদের সাথে মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা হবে, এই দাবি করা।

ঢাকার উচিত বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রভাব কমানো এবং একটি প্রকৃত রোহিঙ্গা নাগরিক আন্দোলনের সুযোগ তৈরি করা।
– ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিবেদন

… খোলাখুলি বলছি , ওনাদের অবস্থানটা আমার কাছে পরিষ্কার না , সরকারের মধ্যে বোধ হয় কয়েকটা মত কাজ করছে : মীর্জা ফখরুল ইসলাম

দৈনিক সমকালের সাথে সাক্ষাৎকারে বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম বলেন – আমরা ডেডলাইন দিয়ে তাদেরকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না। কিন্তু আমরা চাই যে অতিদ্রুত নির্বাচন করা দেশের জন্য, জনগণের জন্য ভালো। আপনি যত দেরি করবেন তত ক্ষতি হবে।

“ মূল ইস্যু হচ্ছে যে আপনি কবে ইলেকশন করবেন। এ জন্য আমি কয়েক দিন ধরে তাদের বলেছিলাম একটা রোডম্যাপ দেওয়ার জন্য। আমরা আশা করেছিলাম, যখন তিনি জাতির উদ্দেশ্যে কথা বলবেন, সেখানে যেন তিনি রোডম্যাপটা দেন। কিন্তু সেই রোডম্যাপ আমরা দেখিনি।

তার একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নির্বাচন। অবশ্য নির্বাচনের আগেই প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো করা দরকার। সেই কাজগুলো তিনি করবেন। তা না হলে আবার ওই ১/১১-এর মতো একটা সমস্যা তৈরি হবে। দেশবাসীর মধ্যে ইতোমধ্যে বিরাজনীতিকীকরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

“… মৌলিক সংস্কার তাদের (নির্বাচিত প্রতিনিধিদের) দিয়েই করাতে হবে। তার জন্য নির্বাচন লাগবে। আমরা বলছি, নির্বাচনটা করার যতটুকু সংস্কার করা দরকার ততটুকু করে, বাকি কাজ নতুন পার্লামেন্টের হাতে ছেড়ে দিতে হবে। সংবিধান পরিবর্তন করবেন, এটার অর্থনীতি কে? আপনার সেই অথরিটি কোথায়? এটা করার জন্য প্রস্তুতলো সংস্কৃত গুলো আনতে হবে।

… আপনি দেশে একটা সংস্কার করলেন, সেটাকে আইন বৈধতা দেবে কে? রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ ছাড়া তো কোনো সংস্কার প্রক্রিয়া চালানো যাবে না। এটা অসম্ভব। আপনাকে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে একমত্যের ভিত্তিতে এগোতে হবে।”

“… খোলাখুলি বলছি, ওনাদের অবস্থানটা আমার কাছে পরিষ্কার না। অন্তবর্তী সরকারের মধ্যে বোঝাপড়া করে কিছুটা মত কাজ করছে। কেউ চায় যে এখনই সবকিছুর সংস্কার করা হবে। আবার কেউ চায়, অত্যন্ত না গিয়ে বিদ্যমান সংবিধানের মধ্যে থেকেই আমরা প্রয়োজনীয় সংস্কার করব। কিন্তু সরকার তো মুখ খুলছে না।

… তারা কী করতে চান, সেই কথাগুলো স্পষ্ট করে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।

… আমরা ডেডলাইন দিয়ে তাদেরকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না। কিন্তু আমরা চাই যে অন্তর্বর্তী নির্বাচন করা দেশের জন্য, জনগণের জন্য ভালো। আপনি যত দেরি করবেন তত ক্ষতি হবে।”

“… তাদের (অভ্যুত্থানকারী ছাত্র-জনতা) নেতৃত্বই বাংলাদেশের জনগণ একটা অসাধ্য সাধন করেছে। একটা ফ্যাসিবাদী শক্তিকে তারা সরিয়েছে।
… তারা কৃতিত্বের দাবিদার। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এটা কিন্তু চিরস্থায়ী না। যদি তারা মনে করে যে সবকিছুই তাদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, তাহলে বোঝা যায় সেটা সঠিক হবে না।”

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম

ভারতের সাথে সুসম্পর্ক চায় জামাত

ভারতীয় মিডিয়ার ঢাকাস্থ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান বলেন – আমাদের প্রত্যাশা এখন (ভারতের সাথে) সম্পর্ক বাড়বে। এ ক্ষেত্রে আমরা উদার, আশা করি ভারতও ইতিবাচক থাকবে।

“অতীতে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের সুসম্পর্ক ছিল দাবি করে দলটির আমীর বলেছেন, গত সাড়ে ১৫ বছরে শেখ হাসিনার শাসনামলে এটি শীতল ছিল। সম্পর্ক যে একেবারে ছিল না তা কিন্তু নয়। বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতা প্রশ্নে তিনি বলেন, যেকোনো সম্পর্কে সমালোচনা থাকে কিন্তু অগ্রাধিকার পায় সহযোগিতা। এটাই কাম্য।“

‘ উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভারত বা কারও সমালোচনা করে না দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, ভারত কষ্ট পাক এমন কিছু আমরা করিনি, করতেও চাই না। ভারত তার স্বার্থের প্রশ্নে সরব থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের সরকারগুলোকে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সচেষ্ট থাকতে হবে। এসবের ব্যত্যয় ঘটলে আমরা সমালোচনা করি। এটাকে ভারত বিরোধিতা বা তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান বলে মনে করার কোনো কারণ নেই।‘

জামায়াতের আমীর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ভারতের দালাল, আর জামায়াত অন্য দেশের’ এমন কথা অনেকে বলেন। কিন্তু কাউকেই ‘দালাল’ বলে ট্যাগ দেয়ার রাজনীতি আমি অন্তত করি না। কাউকে দালাল বলার ফতোয়া দেয়ার আমি বা আমরা কে? তিনি আরো বলেন, আমরা পরস্পর প্রতিবেশী। চাইলেই প্রতিবেশী বদল করা যায় না। আমরা তো বটেই কেউ এটা অস্বীকার করতে পারবে না।

ফেসবুককে চাপ দিয়েছিল আমেরিকার সরকার

‘আমেরিকার সরকার ফেসবুকে সাধারণ মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ করেছে‘ – বারবার বড় রকমের সেন্সরশিপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে অভিযোগ করে মেটা’র সিইও মার্ক জাকারবার্গ।

আমেরিকান কংগ্রেসকে পাঠানো চিঠিতে জাকারবার্গ বলেছেন – ২০২১ এ বাইডেন প্রশাসন করোনা নিয়ে মানুষের বিভিন্ন পোস্ট মুছে ফেলতে মেটা’র উপর চাপ সৃষ্টি করত। সেন্সর করা হত আরও নানা বিষয়। রাজি না হলে তাঁরা বিরক্ত হতেন।

মিথ্যা তথ্যের অভিযোগে এক বছরে ফেসবুক লকডাউন, ভ্যাকসিন, মাস্ক পরা সংক্রান্ত ২ কোটি পোস্ট মুছে ফেলে।

আগামী নির্বাচনে ডেমোক্রেটদের বিপক্ষে বড় হাতিয়ার হিসাবে জাকারবার্গের চিঠিকে দেখছেন রিপাবলিকানরা। এই ঘটনা বাক স্বাধীনতার উপর আক্রমণ বলে সরব হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সবার দাবি পূরণ করতে হলে সরকারকে টাকা ছাপাতে হবে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন – প্রত্যেক দাবির একটা আর্থিক সংশ্লেষ আছে। এতে সরকারের ব্যয় বাড়বে। সরকারের রাজস্ব হঠাৎ করে রাতারাতি বাড়বে না। সবার দাবি পূরণ করতে হলে সরকারকে টাকা ছাপাতে হবে মন্তব্য করে উপদেষ্টা বলেন, এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে। জনসাধারণ সাফার করবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন – এই সরকারের ম্যান্ডেট খুব স্ট্রং। ছাত্র-জনতা রাজপথে রক্ত দিয়ে এই সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে। কেউ যেন মনে না করে যে এই সরকার বানের জলে ভেসে আসা। … আমরা ন্যায্য দাবি ও বৈষম্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তবে বৈষম্য বিলোপের জন্য সময় দিতে হবে।

আনসার বিক্ষোভ , ষড়যন্ত্রের অভিযোগ , গণগ্রেফতার , মামলা ও কারাগারে প্রেরণ

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের দেখাদেখি সচিবালয় অবরোধ করে আনসার সদস্যদের বিক্ষোভ সহিংস চেহারা নেয়। ছাত্রদের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ফাঁকা গুলি ছোড়ে। ছাত্র এবং সেনাবাহিনীর সদস্য গুরুতর আহত হন।

সাম্প্রতিক ধারা অনুসরণে অজ্ঞাতনামা প্রায় ৩ হাজার নাম উল্লেখ করে ৪৩৭ জন আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জেলে গিয়েছেন ৩৯০ জন।

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন – আনসারের ছদ্মবেশে যারা সচিবালয়ে অবস্থান নিয়েছিল, দাবি আদায়ের উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই অশুভ শক্তিদের কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হবে না। শিক্ষার্থী-জনতা জাগ্ৰত আছে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গার্মেন্টস খাতে স্বল্প মেয়াদে হলেও ভারত লাভবান হবে

রাজনৈতিক অস্থিরতা চলতে থাকলে বাংলাদেশ থেকে পোষাক রপ্তানির ক্রয়াদেশের ১০-১৫% স্বল্পমেয়াদে ভারতে স্থানান্তরের সম্ভাবনা আছে ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য মিন্ট’র প্রতিবেদন

কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, বৈশ্বিক ক্রেতারা হয়তো বাংলাদেশকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারবেন না বা অবিলম্বে কোনো বিকল্প খুঁজে পাবেন না। তবে সংকট অব্যাহত থাকলে তারা দেশটির সঙ্গে অতিরিক্ত বড় ব্যবসা এড়াতে বিকল্প খুঁজবেন।

বাংলাদেশের পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করে ক্রেতাদের বার্তা দেওয়া দরকার। এ ছাড়া বন্দরের গতিশীলতা বৃদ্ধি ও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

অনেকদিন থেকেই ভারত রপ্তানিমুখি গার্মেন্টস শিল্পকে এগিয়ে নিতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এখন পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ ও ভারতের অবস্থান যথাক্রমে ২য় ও ৫ম।

আবার, ভারত বাংলাদেশের পোশাকের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল রপ্তানি বাজার। কিন্তু সামনের উৎসব মৌসুমে ভারতের পোশাকের যোগান বাংলাদেশ দিতে না পারলে তাদের নিজেদের আভ্যন্তরীণ সরবরাহের চাহিদা বাড়বে।

ভারত থেকে বাংলাদেশ ইয়ার্ন, ফেব্রিক্স, ডাইস, কেমিক্যালস ও অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি করে। ভারতীয় কাপড় ও সুতার ২৫-৩০% বাংলাদেশে রপ্তানি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে অস্থিরতার কারণে ভারতের বস্ত্রশিল্পও স্বল্প মেয়াদে কিছু ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

ভারতীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন গত ১০ আগস্ট বলেছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতির কারণে ভারতের বস্ত্র ও সুতা শিল্প কিছুটা অনিশ্চয়তা মোকাবেলা করছে। তিনি আশা করেন, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে এবং তামিলনাড়ুভিত্তিক ভারতীয় টেক্সটাইল কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে উৎপাদন ও বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে।

ইতোমধ্যে ব্যবসায় গতি ফিরতে শুরু করায় দেশের পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তাঁদের অনেকের মত, সাময়িকভাবে কিছু ক্রয়াদেশ কমলেও বড় ক্ষতি হবে না।

জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণের প্রতিক্রিয়া

জাতির ‘আকাঙ্ক্ষার প্রতিধ্বনি’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি তারা (অন্তর্বর্তী সরকার) এখনো রাইট ডিরেকশনে আছে। তারা সেভাবে এগিয়ে গেলে আল্লাহও সাহায্য করবেন, দেশের জনগণও সাহায্য করবেন।’

জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ছিল বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তিনি বলেছেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম প্রধান উপদেষ্টা একটা রোডম্যাপ দেবেন। আমরা গণতন্ত্রে উত্তরণের সেই রোডম্যাপ ওনার বক্তব্যের মধ্যে পাইনি। ধোঁয়াশা এখনো পরিষ্কার হয়নি।‘

বাইডেনের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন মোদি

নিজের এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) বাইডেনের সঙ্গে আলাপের বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, ‘আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে। এ সময় ইউক্রেন পরিস্থিতিসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বিষয়ে আমরা বিশদে মতবিনিময় করেছি। ‘

এক্সে মোদি আরও লেখেন, ‘আমরা বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি এবং দেশটিতে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু-বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ‘

বৈধ ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার অভিযান

৬ জানুয়ারি ২০০৯ থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত বেসামরিক জনগণকে দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে-আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গোলাবারুদসহ আগ্নেয়াস্ত্র থানায় জমা দিতে হবে।

দেশে বৈধ অস্ত্রের সংখ্যা কমবেশি ৫০ হাজার। ১০ হাজারের বেশি রয়েছে রাজনৈতিক দলের হাতে যাদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রতিপক্ষকে ভয় দেখাতে আওয়ামী লীগের নেতা ও সমর্থকেরা বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার করেন। সম্প্রতিক আন্দোলনে এসব অস্ত্র দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়েছে ।

সরকার পতনের পর সারাদেশের ৪ শতাধিক থানা থেকে লুট হয় কয়েক হাজার অস্ত্র ও গোলাবারুদ। পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, সারা দেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের ১২৩৪টি অস্ত্র, ২০৭৭৮ রাউন্ড গুলি, ১৪৮২টি টিয়ার শেল ও ৭১টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে।

বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন শিগগিরই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।