Home Blog Page 264

আনসার বিক্ষোভ , ছাত্র – আনসার সংঘর্ষ , ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সচিবালয় এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কয়েক হাজার আনসার সদস্য। বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আনসারদের তিন বছর চাকরি করার পর ছয় মাস বিশ্রামে থাকার ‘রেস্ট প্রথা’ বাতিল করে বাকি দাবি বিবেচনার আশ্বাস দেন।

কিন্তু বিকেল পাঁচটার দিকে আনসার সদস্যরা কর্মকর্তাদের ভেতরে জিম্মি করে তাঁদের প্রধান দাবি চাকরি জাতীয়করণ করতে চাপ দেন। বিক্ষোভের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়-৫৫ হাজার আনসার সদস্যের চাকরি জাতীয়করণ করতে হলে কত টাকা বাড়তি প্রয়োজন হবে, এসব বিশ্লেষণ না করে প্রজ্ঞাপন জারি করা যায় না।

সচিবালয় অবরুদ্ধ করাকে ‘সরকার অচলের ষড়যন্ত্র’ বলে উপদেষ্টা ও ছাত্রনেতাদের উদ্ধার করতে কয়েক হাজার ছাত্র রাতে মিছিল নিয়ে সেখানে গেলে আনসারদের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। তাদের ধাওয়ায় ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে একপর্যায়ে আনসাররা পালিয়ে যায়। প্রায় ৪০ জন আহত হন। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) বলেছেন বিশৃঙ্খল আন্দোলনকারীরা অঙ্গীভূত আনসার, যাদের সঙ্গে ব্যাটালিয়ন আনসারের কোনো সম্পর্ক নেই ।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ ছাত্র – জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জন করলাম , এ সুযোগ এবার হারিয়ে ফেললে আমরা জাতি হিসেবে পরাজিত হয়ে যাব – ড. মুহাম্মদ ইউনূস

‘আমরা ছাত্রদের আহবানে এসেছি। তারা আমাদের প্রাথমিক নিয়োগকর্তা। দেশের আপামর জনসাধারণ আমাদের নিয়োগ সমর্থন করেছে। … তারা যখন বলবে আমরা চলে যাবো।“

“বৈষম্যহীন, শোষনহীন, কল্যাণময় এবং মুক্ত বাতাসের রাষ্ট্রের যে স্বপ্ন নিয়ে ছাত্র জনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, আমি তাদের সেই স্বপ্নপূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার থাকবে পুরোপুরি সুরক্ষিত। আমাদের লক্ষ্য একটিই। উদার, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। আমরা এক পরিবার। আমাদের এক লক্ষ্য। কোনো ভেদাভেদ যেন আমাদের স্বপ্নকে ব্যহত করতে না পারে সেজন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

জন স্বার্থের বিপরীতমুখী এক কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে দেশ পুনর্গঠনের কাজে হাত দিতে হয়েছে। মানবিক ও কল্যানকর রাষ্ট্র গড়তে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে সফল হতেই হবে।“

”এখনই সব দাবী পূরণ করার জন্য জোর করা, প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ব্যক্তিবিশেষকে হুমকির মধ্যে ফেলা, মামলা গ্রহণের জন্য চাপ সৃষ্টি করা, বিচারের জন্য গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে হামলা করে আগেই একধরনের বিচার করে ফেলার যে প্রবনতা তা থেকে বের হতে হবে। ছাত্র জনতার বিপ্লবের গৌরব ও সম্ভাবনা এসব কাজে ম্লান হয়ে যাবে, নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টাও এতে ব্যহত হবে।

যে অবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি তা যেমন একটি দূর্যোগপূর্ণ সময়, তেমনি এটি জাতির জীবনে মস্ত বড় সুযোগ।

নতুন প্রজন্মের এই গভীর আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দেবার সংগ্রামে আমি একজন সহযোদ্ধা হিসেবে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছি। “

“ভবিষ্যতে সকল ধরনের বন্যা প্রতিরোধে পদক্ষেপ অভ্যন্তরীণ এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে যৌথভাবে নেয়ার আলোচনা শুরু করা হয়েছে।

আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচারে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্ত হবে। গণ-অভ্যুত্থানে সকল শহিদের পরিবারকে পুনর্বাসন, চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় সরকার বহন, পর্যায়ক্রমে মিথ্যা ও গায়েবী সকল মামলা প্রত্যাহার এবং শহিদদের স্মৃতি ধরে রাখতে সরকার অতি দ্রুত “জুলাই গণহত্যা স্মৃতি ফাউন্ডেশন” প্রতিষ্ঠা করছে।

“ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা স্থাপন, ব্যবসা বাণিজ্যের সহায়ক পরিবেশ তৈরি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ও মুল্যস্ফিতি নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘ মেয়াদি সংস্কারের জন্য ব্যাংক কমিশন গঠন, আর্থিক খাতে সার্বিক পরিস্থিতি এবং সংস্কার বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি, শেয়ার বাজার-পরিবহণ খাতে চরম বিশৃঙ্খলা নিরসন, দূর্নীতি ও সম্পদ পাচারের বিচার করা হবে।

গত ১৫ বছরের দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও জনস্বার্থ বিরোধী চুক্তি সাক্ষর, প্রকল্পের নামে লুটপাট ইত্যাদি তথ্য নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রণয়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

“বিচার বিভাগকে দুর্নীতি ও দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে কার্যক্রম শুরু, স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ।

বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন, অপহরণ এবং আয়না ঘরের মত চরম ঘৃণ্য সকল অপকর্মের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তির পক্ষরাষ্ট্র হওয়া সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ, জনমুখী ও দলীয় প্রভাবমুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক কাঠামো সৃষ্টির লক্ষ্যে পুলিশ কমিশন গঠন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার হবে যাতে বাংলাদেশকে আর কোনো দিন কেউ যেন পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত না করতে পারে।ভবিষ্যতে কারো হুকুমে দেশপ্রেমিক কোনো বাহিনীর কোনো সদস্য যেন হত্যাকান্ড, গুম ও অত্যাচারে জড়িত হবার সাহস না করে।“

” স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষাক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের উদ্যোগ অন্যতম অগ্রাধিকার। পাঠ্যক্রমকে যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেয়া হবে। কৃষকের স্বার্থ যেন স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে তা নিশ্চিত করা হবে।

প্রবাসী শ্রমিকদের প্রতি সকল পর্যায়ে সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করা হবে।

স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার, সকলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ এবং সেখানে সরকারি ডাক্তার সহ বিশেষজ্ঞদের নিয়মিত উপস্থিতি, দেশের সব অঞ্চলের মানুষের সমান স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে।“

“তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করে এমন সব আইনের নিপীড়নমূলক ধারা সংশোধন করা হবে। টেকসই এবং পরিবেশ বান্ধব উন্নয়ন করতে জীবাশ্ম জ্বালানি নিরুৎসাহিত করা।

শুধু জিডিপি একটি দেশের উন্নয়নের মাপকাঠি হতে পারে না।

পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হবে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতা, সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধত্বপূর্ণ সম্পর্ক, মানবাধিকার আইনসহ সকল আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা। রোহিঙ্গা সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করা হবে।”

“প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনী ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা খাত এবং তথ্য প্রবাহে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পূর্ণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এর লক্ষ্য হবে দুর্নীতি, লুটপাট ও গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি জবাবদিহীতামূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সূচনা ।

আমরা ছাত্রদের আহবানে এসেছি। তারা আমাদের প্রাথমিক নিয়োগকর্তা। দেশের আপামর জনসাধারণ আমাদের নিয়োগ সমর্থন করেছে। আমরা ক্রমাগতভাবে সবাইকে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে যাবো যাতে হঠাৎ করে এই প্রশ্ন উত্থাপিত না হয় আমরা কখন যাব। তারা যখন বলবে আমরা চলে যাবো।“

‘দেশবাসীকে অনুরোধ করবো, একটা আলোচনা শুরু করতে আমরা সর্বনিম্ন কী কী কাজ সম্পূর্ণ করে যাবো, কী কী কাজ মোটামুটি করে গেলে হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা একটা দিক নির্দেশনা পেতে পারি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক আলোচনা থেকেই আসবে।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করলাম, এ সুযোগ এবার হারিয়ে ফেললে আমরা জাতি হিসেবে পরাজিত হয়ে যাব। শহিদ, আহত এবং জীবিত ছাত্র-জনতার কাছে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে আমরা এই অর্জনকে কিছুতেই হারিয়ে যেতে দেবো না। আমাদের দেশকে পৃথিবীর একটি শ্রদ্ধেয়, দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী দেশে পরিণত করতে আমরা শপথ নিয়েছি । “

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস




নির্বাচনের রোডম্যাপ চাইলেন মির্জা ফখরুল “ সংস্কার আসবে একটা নির্বাচিত পার্লামেন্টের মধ্য দিয়ে ”

নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের দ্রুত সংলাপ চান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকার কীভাবে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচন আয়োজন করবে অতি দ্রুত সেই রোডম্যাপ প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি নির্বাচন কথাটায় জোর দিতে চাই। এই যে সংস্কারের বিষয়টা এসেছে, সবসময় আসছে, সেই সংস্কারের জন্য নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কার আসবে একটা নির্বাচিত পার্লামেন্টের মধ্য দিয়ে। এর কোনো বিকল্প নেই।’

‘কয়েকজন ব্যক্তি একটা সংস্কার করে দিলেন, এটা আমি বিশ্বাস করি না। জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সংস্কার আসতে হবে। আমরা দেখতে চাই যে, প্রধান উপদেষ্টা কী করতে চান তা তিনি অতি দ্রুত জনগণের সামনে উপস্থাপন করবেন। একটা রোডম্যাপ দেবেন যে, কীভাবে অতি দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। কীভাবে তিনি প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো ঘটিয়ে জনগণকে স্বস্তি দিয়ে নির্বাচনের দিকে এগুবেন।’


বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট বাড়ছে

রাখাইন বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মি গতবছর রোহিঙ্গাদের অধিকারের বিষয়ে সহানুভূতিসূচক বক্তব্য দিয়েছিল। কিন্তু চলমান সংঘাতে সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি দুই পক্ষই রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছে। তারা দুই দিক থেকেই আক্রমণের শিকার।

১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয় ক্যাম্পে বসবাস করছে। বিদেশি সহায়তার পরিমাণ কমছে। এবছর মানবিক সাহায্যের জন্য ৮৫২ মিলিয়ন ডলার চাহিদা থাকলেও এ পর্যন্ত পাওয়া গেছে এর ৪০% তহবিল।

সীমান্তে ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি নাফ নদী ও সাগর উপকূল থেকে কয়েক দফায় ৫৪ জন রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট মংডু যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নরত রোহিঙ্গাদের ওপর ড্রোন হামলায় ২ শতাধিক নিহত হয়।

নিয়মিত মনিটরিং, কাঁটাতারের বেড়া থাকার পরেও ক্যাম্পগুলো থেকে রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ পালিয়ে দেশের মূল জনস্রোতে মিশে যাওয়ার অভিযোগ মিলেছে। মাদক-অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা অপরাধ বাড়ছে ক্যাম্পগুলোতে ।

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থানের উপযুক্ত ব্যবস্থা বাংলাদেশ করছে না বলে আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ আছে।

নজরদারি – আড়িপাতার শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে টেলিফোনে আড়িপাতা, ফোনালাপ ফাঁস এবং ইন্টারনেট নজরদারির মতো ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন অসাংবিধানিক। নজরদারির এমন সবকিছু শ্বেতপত্র আকারে প্রকাশ এবং টেলিফোনে আড়িপাতা সংস্থা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এবং ইন্টারনেট শাটডাউন, কনটেন্ট ফিল্টারিং ও ওয়েবসাইট ব্লকিংয়ের কাজে নিয়োজিত সংস্থা ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশনস (ডিওটি) বিলুপ্ত করতে হবে।

সিভিল রিফর্ম গ্রুপ-বাংলাদেশ ২.০ আয়োজিত ‘নতুন বাংলাদেশে আড়িপাতা, গোপনীয়তার অধিকার ও বাক স্বাধীনতা’ শীর্ষক সংলাপে এসব দাবি ওঠে।

টিআইবি-র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন – রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন আছে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আর সরকারের বহুমত দমনের হাতিয়ার এক ব্যাপার নয়। অন্তর্বর্তী সরকারকে এমন একটা কাঠামো তৈরি করতে হবে তাতে ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসবেন তারা যেন একই সংস্কৃতির কাছে জিম্মি না হন।

সাইবার বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাব্বির বলেন – উন্নত দেশগুলোতে ফোন ট্যাপ করতে গেলে অবশ্যই কোর্ট অর্ডার লাগে। অর্ডার হাতে পেলে অপারেটর অ্যাক্সেস দেয়। কিন্তু আমাদের দেশে অপারেটরকে একপ্রকার বাধ্য করা হয়।

“ লক্ষ্য সুবিচার , প্রতিশোধ বা নির্যাতন নয় ” : আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ডেইলি স্টারের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন-

স্বৈরশাসনের সহযোগীদের অপসারণ করে প্রশাসন, বিচারবিভাগ ও পুলিশে যোগ্য-নিরপেক্ষ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এখন জোর দেয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে প্রতিষ্ঠান, আইন ও নীতি সংস্কারের মাধ্যমে জনমুখী, অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতাসম্পন্ন রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তোলা তাদের লক্ষ্য ।

সরকার প্রথমে উচ্চ আদালত পুনর্গঠনে জোর দিচ্ছে। কারণ, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় আমলেই অযোগ্য দুর্নীতিগ্রস্ত ও দলীয় লোকদের উচ্চ আদালতে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। স্বাধীন নিম্ন আদালত নির্ভর করবে উচ্চ আদালতের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতার ওপর।

“ উচ্চ আদালত সংস্কারে বিচারপতিদের নিয়োগ পদ্ধতি সংশোধন, প্রধান বিচারপতির একক কর্তৃত্ব যুক্তিসঙ্গত করা, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্টের সাধারণ প্রশাসনিক কমিটি সংস্কার, উচ্চ আদালতের জন্য স্বাধীন ও বিশেষায়িত সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ বন্ধ ইত্যাদি পদক্ষেপ নেয়া হবে। “

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

“ শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলার ধরন নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন- ক্ষতিগ্রস্তরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মামলা করছে, সরকার কাউকে উৎসাহিত করছে না। কেউ যদি শেখ হাসিনা বা তার মন্ত্রীদের হত্যার উস্কানিদাতা বলে অভিযুক্ত করে মামলা করেন, সরকার তাকে বাধা দিতে পারে না। সরকার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে, যথাযথ তদন্ত ও তদন্তকালে জামিনের অধিকার থাকবে।

আদালত প্রাঙ্গণে গ্রেফতারকৃত আওয়ামী লীগ নেতাদের, বিশেষ করে দীপু মনিকে হেনস্থা করা প্রসঙ্গে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন, কিন্তু এই পরিস্থিতির জন্য সদ্য ক্ষমতাচ্যুতদের অপকর্মই দায়ী বলে মন্তব্য করেন। গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার হরণ, অবিচার-অনিয়মের পরে মানুষ শান্ত প্রতিক্রিয়া দেখাবে এমন প্রত্যাশা করা সংগত নয় বলে তিনি মনে করেন।“

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

“ সরকারের মেয়াদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন – এই সরকার কতদিন ক্ষমতায় থাকবে জনগণই তা নির্ধারণ করবে। মানুষ যদি রাষ্ট্রের সংস্কার ও পরবর্তী নির্বাচন নির্বাচন সুষ্ঠু হোক তা চায়, তাহলে সরকারকে সময় দেয়া উচিত।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণকারী নিবর্তনমূলক আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন – এসব আইনের প্রয়োগ আগের সরকারের মত হবে না। অংশীজনদের মতামত নিয়ে এই আইনগুলোর কোন্ কোন্ ধারা সংশোধন অথবা বাতিল করতে হবে তা আগামী এক মাসের মধ্যে করার চেষ্টা করবেন বলে তিনি জানান ।

একটি হত্যা মামলায় সাত জন সাংবাদিককে আসামি করা প্রসঙ্গে তিনি আগের মতই বলেন, সরকার নিহতের অভিভাবককে মামলা করা থেকে বিরত রাখতে পারে না। আগের সরকার এধরনের মামলাকে রেওয়াজে পরিণত করেছিল, সম্ভবত তার রেশই আমরা দেখছি। যথাযথ তদন্ত ছাড়া যাতে কেউ হয়রানির শিকার না হন, তা সরকার দেখবে বলে তিনি জানান।“

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

গণহারে মামলা নিয়ে উদ্বেগ

শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই হত্যা মামলা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে আসামি করা হচ্ছে সাংবাদিক, সাবেক প্রধান বিচারপতি, সাবেক বিচারপতি, খেলোয়াড়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।

এক আলোচনায় আইনজীবী সারা হোসেন বলেন – অনেকের রাগ ও ক্ষোভ থাকতে পারে, কিন্তু এ ধরনের মামলা লিখলে কাজ হবে না, টিকবে না। … মামলাগুলো আন্দোলন ও আন্দোলনের ফসলকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

মানবাধিকারকর্মী নূর খান বলেন – হত্যাকাণ্ডের বিচার অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু একটা জাতির যখন মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা এমন হয় যে প্রতিশোধ নিতে হবে, তখন আগে যা হয়েছিল এখনো তা-ই হবে। এই গণ-অভ্যুত্থানে বিপুল মানুষের অংশগ্রহণের পরেও এই সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন – একজন খুন হওয়া ছাত্রের অভিভাবককে তার বিচার-বিবেচনা মতো মামলা করা থেকে আমরা বিরত রাখতে পারি না। এরকম ঢালাও মামলা করা বিগত সরকার একটি প্রতিষ্ঠিত সংস্কৃতিতে পরিণত করেছিল। হয়তো এর রেশ দেখছি আমরা এখন। তবে আমরা দেখব যথাযথ তদন্ত ছাড়া কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন।

গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিরোধী যে কোন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দাড়াবে “ গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি ”

গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিরোধী যে কোন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে ‘গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’ এই প্লাটফর্ম পাহাড় ও সমতলের সকল নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে, নিবর্তনমূলক ও জনবিরোধী আইন বাতিল করতে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে, শ্রমিক ও কৃষকের অধিকার রক্ষা করতে, দখলদারিত্বমুক্ত গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস নিশ্চিত করাসহ সকল প্রকার গণতান্ত্রিক দাবিতে কাজ করে যাবে।

২২ জুলাই বিকাল ৪ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের সভাপতিত্বে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক , শিক্ষার্থী শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যক্তিদের নিয়ে এক সভায় অধ্যাপক ডা. হারুন-অর-রশিদ এর সঞ্চালনায় গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিটি গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে আবারও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জন ব্যর্থ হয়েছে। এবার একে ব্যর্থ হতে দেয়া যায়না। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকল শক্তির একটি ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম জরুরী। এ লক্ষ্যে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।


প্রতিকূলতার সামনে সাহস ও সহনশীলতার প্রমাণ রাখছে বাংলাদেশ

সবচেয়ে বেশি বন্যাকবলিত ফেনী ঘুরে সমকাল প্রতিবেদক – স্মরণকালের ভয়াবহ বানে ফেনীর লাখ লাখ মানুষ আশ্রয়হীন । ফুলগাজী , পরশুরাম , ছাগলনাইয়া ও সদর উপজেলার প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা ডুবে গেছে । যতদূর চোখ যায় বসতভিটার কোনো অস্তিত্ব নেই । ধু-ধু জলের প্রান্তরে প্রাণে বাঁচতে কেউ টিনের চালে , গাছে কিংবা ছাদে আশ্রয় নিয়েছেন । সড়ক যোগাযোগ বন্ধ , নেই বিদ্যুৎ সংযোগ । মোবাইল নেটওয়ার্কও বিচ্ছিন্ন। আটকে পড়াদের উদ্ধারে যাবে , সে উপায় হাতে নেই স্বজনের । পানির তোড়ে সেসব এলাকায় যাওয়া ঝুঁকির , মিলছে না উপযুক্ত বাহন । বাঁচা-মরার খবর পাওয়াও এখন দুষ্কর । কয়েক লাখ মানুষ স্থানীয় স্কুল-কলেজ , মসজিদ , মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়েছেন । খাবার ও পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে ।

১১টি জেলা বন্যাকবলিত – ফেনী , কুমিল্লা , নোয়াখালী , লক্ষ্মীপুর , ব্রাহ্মণবাড়িয়া , চট্টগ্রাম , কক্সবাজার , খাগড়াছড়ি , সিলেট , মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ । বন্যাকবলিত রাঙামাটি জেলায় পানি কমতে শুরু করেছে । এসব জেলায় প্রায় ৯ লাখ পরিবার পানিবন্দী। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪৫ লাখ। বন্যায় তিন দিনে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বুধবার থেকে কার্যত অচল। শুধু ত্রাণবাহী যানবাহন থেমে থেমে চলাচল করছে।

দুর্গত মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন দেশের ছাত্র-জনতা। যে যেভাবে পারছেন-অর্থ, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, উদ্ধার, আশ্রয়, শুশ্রূষা দিয়ে, কায়িক শ্রম দিয়ে ত্রাণকাজে সহায়তা করছেন। রাজধানীসহ সারা দেশে পথে পথে দেখা যাচ্ছে ত্রাণ সংগ্রহের কাজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচিতে মানুষের ঢল নেমেছে।

ফেসবুক ভরা এখন ত্রাণকাজের ছবি, ভিডিও আর এ-সংক্রান্ত হরেক রকম আবেদনে। বিভিন্ন গ্রুপ, সংগঠন, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, এমনকি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মানুষ এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন তাঁদের আহ্বান, অনুরোধ, অভিমত, অভিজ্ঞতা।

ফারদিন হাসান নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন – পুরা ফেসবুক ওয়ালে খেলা নিয়ে একটা পোস্টও দেখলাম না। সবার চিন্তা কেবল বন্যা ও ভারতের স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে। আমার দেশটা আসলেই বদলে গেছে, আমার দেশের মানুষ দেশ নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে! এই দেশ আর যা-ই হোক, বিপথে যাবে না।

দৈনিক প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী আকস্মিক বন্যার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন –

পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা লঘুচাপ আর শক্তিশালী মৌসুমি বায়ু–এই তিন মিলে বিপুল পরিমাণ মেঘ ফেনী-নোয়াখালী-ত্রিপুরার আকাশে স্তরে স্তরে জমা হয়। ১৯ আগস্ট সকালে তা বিস্ফোরিত হয়ে জনপদে নেমে আসে। আবহাওয়াবিদেরা এটাকে বলছেন মেঘ বিস্ফোরণ বা ‘ক্লাউড ব্লাস্ট’ যা বিস্তৃত ছিল ভারতের ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের কুমিল্লা-ফেনী পর্যন্ত ৫০-৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হবিগঞ্জে পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে বলেছেন —

…এবারের বিষয় থেকে শিক্ষা নিয়ে যত অভিন্ন নদী রয়েছে, সেগুলোর সব কটির ব্যাপারেই পানি ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্ন দেখা দিলে যাতে আগাম সতর্কতা বাংলাদেশকে জানানো হয়, সেই বার্তা ভারতে দেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ভারতীয় দূতাবাসকে বিষয়টি জানিয়েছেন। ভবিষ্যতে যাতে এমন অবস্থা না হয়, এ জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

আইএমএফ – এর কাছে আরো ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ

গত বছর আইএমএফের কাছ থেকে চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ পায় বাংলাদেশ । বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন , অতিরিক্ত তিন বিলিয়ন ডলার পেতে সংস্থাটির সঙ্গে কথা চলছে । … বিশ্বব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত দেড় বিলিয়ন ডলার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কাছে আরও এক বিলিয়ন ডলার করে চাওয়া হয়েছে ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ব্লুমবার্গকে বলেন বাংলাদেশ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে। এটি কাটিয়ে উঠতে ঋণের প্ৰয়োজন। বকেয়া ঋণ মেটাতে স্থানীয় ব্যাংক থেকেও ডলার কেনা হচ্ছে ।

বিবিসিকে গভর্নর আরও বলেন দেশের ব্যাংকিং খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করাই তার মূল লক্ষ্য । … তারা টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর , দুবাই , লন্ডন ও অন্যান্য জায়গায় রেখেছেন । প্রথম প্রচেষ্টা হবে অপরাধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো এবং টাকা ফেরত আনা ।