Home Blog Page 253

বিশ্বের নামকরা সব ধরনের খাবারের ইতিহাস বেশ বিস্ময়কর

আইকনিক এই খাবারগুলোর জন্ম নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। মিশরের রান্না কি করে ইতালির মালিকানায় চলে গেল, কিংবা চীন যে নিজের খাবার আর এখন খায়না তা নিয়ে পাঁচটি স্লাইড।

পিজ্জা– যদিও পিজ্জা এখন ইতালির সাথে সম্পর্কিত, কিন্তু টপিংসহ ফ্ল্যাটব্রেড প্রায় ২২০০ খ্রিস্টপূর্বে প্রাচীন মিশরে খাওয়া হত। পিজ্জার প্রধান উপাদান টমেটো বর্তমান মেক্সিকো এবং পেরু থেকে এসেছে, যা পরে ইতালির প্রধান খাদ্যে পরিণত হয়।
কেচাপ– মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ফারমেন্টেড মাছের সস ছিল, কেচাপ ইউরোপে বিকশিত হয় যেখানে ব্রিটিশ রান্নাঘরের শেফরা ভিনেগার এবং এনচোবি (anchovy) ব্যবহার করতেন,পরে এটি টমেটো-ভিত্তিক কনডিমেন্টে রূপান্তরিত হয়।

চুরোস– প্রায়ই স্পেন বা মেক্সিকোর সাথে যুক্ত, চুরোস ১০ম শতাব্দীর পাসিয়ান মিষ্টি “জুলাবিয়া” থেকে উদ্ভুত হয়েছে, যার উপর আধুনিক সংস্করণে উত্তর আফ্রিকার প্রভাব রয়েছে।
সুশি– যদিও এটি জাপানের সাথে সমার্থক, সুশি ষষ্ঠ শতাব্দীর চীনে মাছ সংরক্ষণের উপায় হিসেবে উদ্ভূত হয়েছিল এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিভিন্ন সংস্কৃতির প্রভাবের সাথে বিকশিত হয়েছে।

চিকেন টিক্কা মাসালাটি-এ একটি বিতর্কিত খাবার, কেউ কেউ দাবি করেন যে এটি স্কটল্যান্ডে ভারতীয়-পাকিস্তানি শেফদের দ্বারা তৈরি হয়েছিল, আবার অন্যরা মনে করেন এর শিকড় ভারতীয় রান্নার মধ্যে, যার মধ্যে “চিকেন বাটার মাসালা” এর মতো সংস্করণ রয়েছে।

খাবারের ঐতিহাসিক গতিপথে ধরা আছে পৃথিবীতে মানবজাতির বিচিত্র সংস্কৃতি আর সংগ্রামের গল্প । বিস্তারিত আসছে …।


ইরানি গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান ছিলেন একজন ইসরায়েলি গুপ্তচর

ইরানি গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান ছিলেন একজন ইসরায়েলি গুপ্তচর- ইরানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। হামলায় নিহত হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহর অবস্থান ইসরায়েলকে জানায় ইরানি গুপ্তচর।

ইরানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আহমাদিনেজাদ দাবি করেছেন যে ইসরায়েলি গুপ্তচরবৃত্তি মোকাবেলার দায়িত্বে থাকা ইরানি গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান নিজেই একজন ইসরায়েলি গুপ্তচর ছিলেন। আহমাদিনেজাদ বলে দিলেন যে, ২০২১ সাল নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় যে ইসরায়েলের গোয়েন্দা কার্যক্রম প্রতিহত করার দায়িত্বপ্রাপ্ত দেশের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা একজন মোসাদ এজেন্ট।

‘ইসরায়েল ইরানের ভেতরে জটিল সব অভিযান চালাচ্ছিল। তারা সহজেই স্পর্শকাতর গোপন তথ্য পেয়ে যেত। ইরান এখনও এ বিষয়ে নীরব। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানি ইউনিটের দায়িত্বে থাকা লোকটি ছিল একজন ইসরায়েলি এজেন্ট।’ আহমেদিনেজাদ সিএনএন তুর্ককে বলেছেন।আহমাদিনেজাদ দাবি করেছেন যে এটি বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়, ইসরায়েলি গোয়েন্দা কার্যক্রমের উপর নজর রাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত আরও কমপক্ষে ২০ জন ইরানি ইসরায়েলের মোসাদের জন্যে কাজ করত।

আহমাদিনেজাদ’র মতে, এই ডাবল এজেন্টরা ইসরায়েলের কাছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অতিসংবেদনশীল তথ্য পাচার করেছে।এরাই ২০১৮ সালে ইরানের পরমানু কর্মসূচির ডকুমেন্ট চুরি করে এবং বেশ কয়েকজন ইরানী পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করে। বৈরুতে হিজবুল্লাহ সদর দফতরে বিমান হামলায় নিহত হওয়ার আগে ইরানি গুপ্তচর হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহর অবস্থান সম্পর্কে ইসরায়েলকে খবর দিয়েছিল এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসার সময়টাতেই আহমাদিনেজাদ এই বোমা ফাটালেন।

ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার একজন কড়া সমালোচক, আহমাদিনেজাদ এর মন্তব্য ইরানের সাবেক গোয়েন্দা মন্ত্রী আলি ইউনেসির দাবিরই প্রতিধ্বনি – ইসরায়েলি গুপ্তচররা ইরানি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ক্ষমতার শীর্ষস্তরে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করে নিয়েছিল।
‘মোসাদ গত ১০ বছরে অনেকগুলি সরকারী বিভাগে এমনভাবে অনুপ্রবেশ করেছে যে দেশের সমস্ত শীর্ষ কর্মকর্তাদের তাদের জীবন নিয়েই ভীত হওয়া উচিত।’ ইউনেসি ২০২১ সালে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন।

ইসরাইলকে লক্ষ্য করে মিসাইল ছুঁড়তে শুরু করেছে ইরান

ব্রেকিং
ইরান ইসরাইল লক্ষ্য করে মিসাইল ছুঁড়তে শুরু করেছে।
ইসরায়েল ১০০টি মিসাইলের হিসেব জানিয়েছে।
কোন মিসাইল ইসরাইলের আয়রন ডোম ভেদ করতে পেরেছে কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

18+ Naugh টি Ziজোক

‘শুধুমাত্র কিছু কৌতুক দিয়েই চাইলে দর্শনের একটা গভীর এবং ভাল কাজ লিখে ফেলা সম্ভব ‘। লুডভিগ ভিটগেনস্টাইন। অনেকের ধারণা দার্শনিকরা বহু বছর আগেই অক্কা পেয়েছেন। দর্শনের ইতিহাস নিয়ে পড়তে গেলে প্রাচীন গ্রিক দর্শনেই আমরা আটকে যাই। জিন্দা দার্শনিকদের কাজ-কাম অনেকেরেই অজানা। কিন্তু Slavoj Žižek এর নাম আপনি শুনসেন। একটা কারণ হইল তিনি আলাপে, লেখায়, আড্ডায় প্রচুর জোক লাগান। এইভাবে মানুষের তিনি কঠিন কঠিন কথার চাপ থেইকা বাঁচাইয়া ফিলসফি করেন। তাতে জিজেক পৌঁছে গেছেন দুনিয়াজোড়া। স্লোভেনিয়ান দার্শনিকের এই ৯টি কৌতুক আপনার জীবনে আনতে পারে দর্শনের কূল হাওয়া।

১.জ্যাক লাকার বলা একটি জোক – এক লোক গেছে ডাক্তার বন্ধুর কাছে ফ্রি চিকিৎসা নিতে। কিন্তু ডাক্তার বন্ধুর ফাউ ফাউ চিকিৎসা দেয়ার কোন ইচ্ছা নাই। সে নানা ভাবে বন্ধুটির সারা শরীর চেক আপ করল। তারপর খুব চিন্তিত মুখে বললো- ‘তোমার আসলে ডাক্তারের পরামর্শ লাগবে!’

২.হাসপাতালে এক রোগী ডাক্তারের কাছে অভিযোগ করলো যে, অন্য রোগীদের চেঁচামেচিতে তার মাথা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তার বললো কিচ্ছু করার নাই। যারা মারা যাচ্ছে ওদেরকে শব্দ করতে নিষেধতো করা যায়না। রোগী – যারা মরবে তাদেরকে আলাদা রুমে রাখেন। ডাক্তার-এইটাই সেই আলাদা রুম।

৩.যুগোস্লাভিয়ার একটা রেসিস্ট জোক- এক জিপসিকে পরীক্ষা করছে এক সাইকিয়াট্রিস্ট।পরীক্ষার ধরন হইলো এমন, সাইকিয়াট্রিস্ট একটা করে শব্দ বলবে আর জিপসি ব্যাটাকে সেই শব্দ শুনে তার মাথায় প্রথমেই যেটা আসে চট করে বলতে হবে। লুকানোর কোন চেষ্টা করলে পরীক্ষাটা ভেস্তে যাবে। কাজেই যা মাথায় আসে তাইই বলতে হবে। জিপসি রাজী হল। প্রথম শব্দ- টেবিল। শুনে জিপসি ব্যাটা উত্তর দিলো- ফাতিমারে লাগানো। আকাশ- ফাতিমারে লাগানো। আরও কয়েকটা শব্দ বলে সাইকিয়াট্রিস্ট খেপে গেল। যাই প্রশ্ন করা হয় ব্যাটা উত্তর দেয় – ‘ফাতিমারে লাগানো।’– ‘আপনি কথা বুঝেন নাই। আপনার একদম ভেতরের কথাগুলা বলা লাগবে। আমার বলা শব্দ শোনার সাথে সাথেই আপনার মনের ভেতর থেকে কি কথা জাগে সেইটা বলা লাগবে।’ ‘হ বুঝছিতো, আমি কি বক্সদ নাকি? আমিতো সবসময় ফাতিমারে লাগানোর কথাই ভাবি।’

8.ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশ থেকে ফিরে আসার পর, কম্যুনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক নিকিতা ক্রুশ্চেভের সংবর্ধনা পাইলেন। গ্যাগারিন তারে কইলো – কমরেড, উপরে আমি কি দেইখা আইলাম জানেন? দেখি স্বর্গ, ঈশ্বর আর হুরপরী। খ্রিষ্টান ধর্ম ঠিক কথাই কয়। ক্রুশ্চেভ ফিসিফিস কইরা কইল – জানি জানি, তুমি যে দেখছো এইডা কাউরে কইয়ো না। পরের হপ্তায় গ্যাগারিন গেল ভ্যাটিকানে।পোপেরে গিয়া কইলো – পোপ, জানেন উপরে কি দেখলাম? উপরেতো আসলে কোন ঈশ্বর নাই, স্বর্গ নাই… পোপ থামাইয়া দিয়া কইলো – আরে জানি জানি চুপ থাক। কাউরে কইও না!

৫.ঐটা হইলো সর্বকালের সেরা কৌতুক, যেখানে এক বড়লোক তার চাকরকে বলতেসে – ঐ ব্যাটা, রাস্তার ফকিন্নিটারে বাড়ি থেইকা অহনই বাইর কর। সর্বহারা মানুষের কষ্ট আমি একদমই নিতে পারি না।

১৯৪৯ এ অবিভক্ত যুগোস্লাভিয়ায় স্লোভেনিয়ার রাজধানী লুভিয়ানায় জন্ম এই দার্শনিকের। স্নাতকোত্তর তারই শহরের প্রখ্যাত লুবিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। জার্মান ভাববাদকে নিয়ে তার করা প্রথম গবেষণা দিয়ে ১৯৮১ সালে লাভ করেন ডক্টরেট ডিগ্রি। জার্মান দার্শনিক হেগেল, মার্ক্স, ক্রিপকে প্রমুখ দার্শনিকদের দ্বারা ব্যাপক প্রভাবিত জিজেক। তবুও কেউ কেউ মনে করেন জ্যাক লাকা তাঁকে সবথেকে বেশি প্রভাবিত করেন। একটা সময় চেষ্টা করেন রাজনীতিতে সক্রিয় হবার। প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করে হেরে যান ১৯৯০ সালে। এরপর যুক্ত হন কট্টর বামপন্থী রাজনীতির সাথে। বর্তমানে গবেষক হিসেবে কাজ করছেন লুভিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে। জিজেকের সিনেমা-পাঠও অদ্ভুত ও গভীর আনন্দের।

৬.যুগোস্লাভিয়ার একটা পুলিশি জোক- এক পুলিশ ভাই একদিন তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরসে। ফিরেই দেখে তার বউয়ের পরনে কাপড়-চোপর নাই, চোখেমুখে উত্তেজনা। নিশ্চিত অন্য ব্যাডা মানুষ আছে! পুলিশ ঘরে খোঁজাখুঁজি শুরু করলো সাথে সাথে। উবুত হইয়া খাটের তলে খোঁজা শুরু করার সাথেই বউয়ের মুখ শুকায়ে গেল। এদিকে পুলিশ নিচে কিছুক্ষণ বিড়িবিড় কইরা উইঠা খাড়াইলো মুখে হাসি – সরি জান, গুজব আছিলো! নিচে কেউ – নাই। বউ দেখলো স্বামীর হাতে এক দলা টাকা!

৭.সোভিয়েত রাশিয়ার একটা সুন্দর ইসটুপিড জোক- একটা ট্রেনের কম্পার্টমেন্টে দুই বান্দা যাইতেছিল। কেউ কাউরে চিনে না। ম্যালা সময় পার হইলো, কারো মুখে কোন কথা নাই। দুম কইরা এক বান্দায় কইল – ঐ মিয়া, তুমি কি – কোনদিন কুত্তারে লাগাইছো? ফাল দিয়া উঠলো অন্য বান্দা – নাহ, তুমি লাগাইছো নি? – নাহ মিয়া, এমন কাম মাইনষে করে নাকি? আমিতো আলাপ শুরু করার লাইগা হুদাই কইলাম।

৮.এই জোকে একটা সত্য লুকায়ে আছে। এক খ্রিষ্টান যুবতী ভার্জিন মেরির কাছে খুব মিনতি জানাচ্ছে- ‘হে মেরি, তুমি পাপ না করে গর্ভে সন্তান ধারণ করেছো! আমাকে সন্তান ধারণ না করিয়ে পাপ করার সুযোগ দাও।’ বাঁকা চোখে দেখলে, ক্রিশ্চানিটিতে কিন্তু আমাদের ফুর্তি করেও, নিষ্পাপ থাকার ভাল সুযোগ আছে।
৯.যুগোস্লাভিয়ার এক পলিটিশিয়ান ট্রেনে করে জার্মানি ঘুরছিলেন। সাথে জার্মান গাইড। একটা শহর অতিক্রমকালে তিনি গাইডকে জিজ্ঞেস করলেন- ‘এইডা কি শহর?’ গাইড উত্তর দিলো- বাডেন বাডেন (জার্মানির একটি শহরের নাম)।’ পলিটিশিয়ান খেপে গিয়ে বলে- ‘আমি কি ভোদাই নাকি? এক নাম দুইবার কও ক্যা?’

একটা ফাও … দুই ইহুদি বন্ধু একটা ক্যাথলিক চার্চের সামনে দিয়ে যাইতেছিল। চার্চের দেয়ালে একটা পোস্টার। তাতে লেখা – ‘আমাদের ক্যাথলিসিজম গ্রহণ করেন, নগদ ৩০ হাজার ডলার উপহার পান।’ এইটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে দুই বন্ধু চলে যাইতেছে। দুইজনেই ভাবতেছে সত্যি সত্যি টাকা দিবে কিনা! পরের সপ্তাহে দুই বন্ধু আবার ঐ চার্চের সামনে দাঁড়াইলো। এক বন্ধু আরেকজনরে জিগায়, – আসলেই ট্যাকা দিব? অন্যডা কয়, আরে হালা ইহুদি, খালি টাকার চিন্তাই করলি আজীবন।

বিশ্বে প্রতি তিনজন শিশুর একজন দৃষ্টিক্ষীণতায় ভূগছে ; কোভিড-১৯ মহামারীর পর থেকে এই প্রবণতা বেড়েছে …

মায়োপিয়া বা দৃষ্টিক্ষীণতা একটি উল্লেখযোগ্য বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে, যা ২০৫০ সালের মধ্যে লক্ষ লক্ষ শিশুকে আক্রান্ত করবে বলে অনুমান। মহামারীতে লকডাউনের কারণে বাচ্চাদের স্ক্রীনে বেশি কাটানো এবং বাইরের বেরুনো কমে যাওয়া সমস্যাটিকে বাড়িয়ে তুলেছে। এশিয়ায় দৃষ্টিক্ষীণতার হার সবচেয়ে বেশি জাপানের ৮৫% এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭৩% শিশু আক্রান্ত। চীন এবং রাশিয়ায় ৪০% এর বেশি শিশুও প্রভাবিত হয়।

ব্রিটিশ জার্নাল অফ অপথালমোলজিতে প্রকাশিত গবেষণায় ছয়টি মহাদেশের ৫০টি দেশের ৫০ লক্ষেরও বেশি শিশু ও কিশোরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্যারাগুয়ে এবং উগান্ডা সবচেয়ে কম আক্রান্ত – প্রায় ১%, যেখানে যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৫% এর কাছাকাছি ছিল। ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মায়োপিয়ার হার তিনগুণ বেড়েছে, এখন ৩৬% শিশুকে প্রভাবিত করছে- মহামারীর পরে একটি উল্লেখযোগ্য লাফ সহ।

মায়োপিয়া সাধারণত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হয় এবং প্রায় ২০ বছর বয়সে চোখের বৃদ্ধি না থামা পর্যন্ত খারাপ হয়। যদিও জেনেটিক্স চোখের স্বাস্থ্যে অবদান রাখে, পরিবেশগত কারণ, বিশেষ করে পূর্ব এশিয়ায়, মায়োপিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। সিঙ্গাপুর এবং হংকং এর মতো জায়গায়, শিশুরা বই এবং পর্দায় বেশি কাটায়, যা তাদের চোখের পেশীতে চাপ সৃষ্টি করে এই অবস্থাকে তরান্বিত করে। নতুন উপাত্ত বলছে তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দ্রুত চোখ নষ্ট হওয়ার সাথে মহামারীর লকডাউনের যোগাযোগ আছে।

২০৫০ সালের মধ্যে, মায়োপিয়া বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি কিশোর-কিশোরীকে আক্রান্ত করতে পারে। সমীক্ষাটি আরও ইঙ্গিত দিচ্ছে, মেয়েরা এবং যুবতী মহিলারা বেশি ঝুঁকিতে আছে, কারণ তারা সাধারণত স্কুলের বছরগুলিতে বাইরে কম সময় কাটায়। দৃষ্টিক্ষীণতা প্রতিরোধে, গবেষকরা সুপারিশ করছেন যে শিশুরা প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘন্টা বাইরে কাটাবে, বিশেষ করে সাত থেকে নয় বছর বয়সে।

NewJeans বনাম Hybe K-pop এ ক্ষমতার লড়াই

দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় গার্ল ব্যান্ড নিউজিনস তাদের ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি হাইব কর্পোরেশনের সাথে বড় ধরনের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে। তারা তাদের প্রযোজক মিন হি-জিনকে পুনরায় নির্বাহী পদে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে। বিরোধ শুরু হয় মিনকে ঘিরে যিনি হাইবের অধীনস্থ একটা কোম্পানি Ador এর প্রধান এবং নিউজিনসের সাফল্যের মূল কারিগর। ব্যবসা দখলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সম্প্রতি মিনকে তার নির্বাহী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যেটা ব্যান্ডের পাঁচ সদস্য ভালোভাবে নেয় নি। তবে ব্যান্ডের সদস্যদের চূড়ান্ত দাবির মুখেও হাইব তাকে পুনরায় নিয়োগ দিতে অস্বীকার করেছে, যা নিউজিনসকে খুবই নাজুক একটি অবস্থায় ফেলে দিয়েছে।

নিউজিনসের মতো কে-পপ ব্যান্ডগুলো হাইবের মত ট্যালেন্ট এজেন্সীগুলোর সৃষ্টি, যারা অডিশনের মাধ্যমে প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করে, কঠোর প্রশিক্ষণ দেয় এবং একটা ব্যান্ডের চেহারা দেয়। ভক্তরা কে-পপ ব্যান্ডের সদস্যদের জীবন ভীষণ চমকপ্রদ আর আরামদায়ক মনে করেন। ভুল। কে-পপ তারকাদের সময়সূচী কঠোর রিহার্সাল, পারফরমেন্স এবং মিডিয়া উপস্থিতিতে ব্যস্ত। ব্যক্তিগত জীবনের উপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়, যেমন রোমান্টিক সম্পর্কের উপর নিষেধাজ্ঞা, যাতে ভক্তদের আকর্ষণ ধরে রাখা যায়। কে-পপের সবচেয়ে বড় ব্যান্ড বিটিএস তাদের মানসিক চাপ সম্পর্কে কথা বলেছে। কাজের শারীরিক-মানসিক চাপ তাদেরকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিরতিতে যেতে বাধ্য করেছে।

মাত্র দুই বছরের ক্যারিয়ারেই কে-পপ জগতে নিউজিনস’র প্রভাব ব্যাপক। আন্তর্জাতিক কে-পপ ভক্তদের মধ্যে নিউজিনস শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। ব্যান্ডের পাঁচ সদস্য-ড্যানিয়েল, হেরিন, হানি, হেইন এবং মিনজি-খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছেছে খুব দ্রুত। সম্প্রতি তাদেরকে ক্যালভিন ক্লাইনের “ফেস” হিসেবে ঘোষনা দেয়া হয়। তবে হাইবের সাথে চলমান দ্বন্দ্বের কারণে তাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত, কারণ তারা হয় তাদের দাবি থেকে পিছিয়ে আসবে, নয়তো তাদের সাফল্যে এনে দেয়া কোম্পানি থেকে আলাদা হয়ে যাবে।

হাইবের অভিযোগ, মিন হি-জিন বাইরের বিনিয়োগকারীদের নিয়ে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি তৈরির ষড়যন্ত্র করছিলেন। মিন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, বলেছেন যে হাইবের অধীনস্থ আরেকটি কে-পপ দল নিউজিন্সের স্টাইল কপি করছে এই অভিযোগ করার পর কোম্পানি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। হাইব মিনকে প্রযোজক হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে দিচ্ছে তবে তার নির্বাহী পদে ফিরিয়ে আনতে অস্বীকার করেছে।ব্যান্ডটি চাইলে তাদের চুক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে, যার মেয়াদ এখনও পাঁচ বছর বাকি। তবে তার জন্য তাদের খরচ হবে ৫০০ বিলিয়ন ওন (প্রায় ২৮৪ মিলিয়ন পাউন্ড), যা তরুণ তারকাদের জন্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের নয়া ট্রেন্ড – ফিসিক্যাল কন্ট্রোল

গত দুই দশকে টাচ স্ক্রিন ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক্স থেকে গাড়ি পর্যন্ত আমাদের গ্যাজেটে শেষ কথা হয়ে উঠেছে। কিন্তু পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে এখানে। ফিজিক্যাল কন্ট্রোল – যেমন বোতাম, নব এবং স্লাইডার ইত্যাদি ফিরে আসছে।

গাড়ির ক্ষেত্রে, কিয়া, বিএমডব্লিউ, এবং ভকসওয়াগনের মতো ব্র্যান্ডগুলো টেসলার জনপ্রিয় টাচ স্ক্রিন-ভিত্তিক ডিজাইন থেকে সরে এসে ফিজিক্যাল বোতাম চালু করছে। ই-রিডার এবং ইন্ডাকশন স্টোভের মতো পণ্যগুলিতেও এখন এটা একটা ট্রেন্ড। ভোক্তা এবং সমালোচক সবাই ফিজিক্যাল কন্ট্রোলের প্রত্যাবর্তনকে রীতিমত উদযাপন করছেন।

পরিবর্তনের সামনের দিকে আছে অ্যাপল, যে কোম্পানি একসময় টাচ স্ক্রিনের দিকে বিশ্বকে ঠেলে দিয়েছিল। তাদের নতুন আইফোন ১৬ সিরিজে, প্রো অথবা নন-প্রো সব মডেলেই একটি ‘অ্যাকশন বোতাম’ আছে সেটি আইফোন ১৫ সিরিজে শুধু প্রো মডেলগুলোতে ছিলো ও এই আপডেটগুলো আগের বছরগুলিতে অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা এবং অন্যান্য পণ্যে ছিল। কোম্পানিগুলো শুধুমাত্র বোতাম ফিরিয়ে আনছে না, বরং সেগুলোকে নতুন চেহারা দিচ্ছে, টাচ বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য কার্যকারিতা যোগ করছে যাতে ব্যবহারের অভিজ্ঞতা দারুন হয়।

টাচ স্ক্রিনের অসুবিধা নিয়ে আলাপ চলছিল। কোম্পানিগুলো এই অভিযোগ গুলোকে মাথায় রেখে ডিজাইনে বদল আনছে। টাচ স্ক্রিন ইন্টারফেসগুলো প্রায়শই ভিজ্যুয়াল ফোকাস দাবী করে, যা গাড়ির মতো ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, যেখানে চালকদের রাস্তায় নজর না রেখে অপারেশন করতে হয়। শারীরিক বোতামগুলো ভিজ্যুয়াল বিভ্রান্তি ছাড়াই ভালো নিয়ন্ত্রণ দেয়, যা কার্যকর এবং ব্যবহারও সুবিধার। এমনকি কিছু নিয়ন্ত্রক সংস্থা গাড়ির কয়েকটি ফিচারের জন্য শারীরিক নিয়ন্ত্রণ বাধ্যতামূলক করেছে নিরাপত্তাকে প্রাধ্যন্য দিয়ে।

ফিজিক্যাল কন্ট্রোল শুধু ব্যবহারিক কারণেই ফিরে আসছে তা না। কিছুদিন ধরেই মানুষ সেকেলের ভাগাড়ে চলে যাওয়া রুচি, রং, পছন্দ, সুর আর আসবাবের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে। এটাই হয়ত নয়া নন্দন। একসময় অত্যাধুনিক হিসাবে বিবেচিত টাচ স্ক্রিনগুলো এখন কম প্রিমিয়াম বলে মনে হচ্ছে। স্পর্শের মাধ্যমে বোতাম টিপে কাজ করার আনন্দ এবং কার্যকারিতা ডিজিটাল বিশ্বের বিভিন্ন শিল্পে আবার আবিষ্কৃত হচ্ছে। মানুষের পছন্দের চাকা এভাবেই ঘোরে।




Meanwhile, চট্টগ্রামে …

পাত্রী চাই
৩৫ হতে ৪০ বছর বয়সী ডিভোর্সী অথবা বিধবা পাত্রী চাই। আমার বয়স ৬৪ এবং আমার মরহুম বাবা মহকুমা প্রশাসক, ইপিসিএস, (এখন জেলা প্রশাসক বলা হয়)। ১৯৬৬ সালে উনি অবসরে যান। আমি ছোট-খাটো ব্যবসা করার পাশাপাশি বেশক’টি টিভির টক শো’তে দর্শক হয়ে ফোনে প্রশ্ন করে থাকি যেমন: ক। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ এবং খ। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং। দুটোই এটিএন নিউজ এর টক শো। সরাসরি পাত্র :
মানুষের জীবনে টক-শো লাগেরে ভাই, টক-শো লাগে!

আজকে ইকোনমির থিয়েটার যেটা, সেটা সরে যাচ্ছে গ্লোবালি । সেটা সরে যাচ্ছে এশিয়াতে এবং এশিয়ার পরে সেটা চলে আসছে বঙ্গপোসাগরে – ফরহাদ মজহার

রাষ্ট্রের জিও-স্ট্র্যাটেজিক সুরক্ষা নিশ্চিতে বন্দর বিষয়ক নীতি নির্ধারণ এবং সত্যিকারের বিনিয়োগ- কারীদের ক্ষমতাবান করে বন্দরের আধুনিকায়নের আহ্বান জানান ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন – বন্দরটা আমাদের জন্য অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ। ভূরাজনৈতিক এবং রণ কৌশলগত গুরুত্ব আছে এর বেশি এবং সেদিক থেকে এটাকে আমাদেরকে বিচার করতে হবে। বঙ্গোপসাগর আগামী দিনে ‘যুদ্ধের’ প্রধান ক্ষেত্র হবে মন্তব্য করে মজহার বলেন- আজকে ইকোনমির থিয়েটার যেটা, সেটা সরে যাচ্ছে গ্লোবালি। সেটা সরে যাচ্ছে এশিয়াতে এবং এশিয়ার পরে সেটা চলে আসছে বঙ্গোপসাগরে।

চট্টগ্রামের জনগণের ‘ঘুম থেকে জেগে ওঠা’ প্রয়োজন আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন এটা তাদের বন্দর এবং তাদেরকে এই বন্দর রক্ষা করার জন্য যত রকম গবেষণা দরকার, যত বিভিন্ন দিক থেকে আলোচনা দরকার এবং প্র্যাকটিক্যালি যারা অভিজ্ঞ তাদেরকে নিয়ে অবিলম্বে এই বন্দর রক্ষা কমিটি বা আমাদের একটা শ্বেতপত্র দরকার। এটা করতে পারলে ভারতের আসাম, মেঘালয় এবং ত্রিপুরাও ‘চট্টগ্রামবাসীর হবে’ মন্তব্য করে ফরহাদ মহজার বলেন – এই হওয়া মানে যে, আরেকটা দেশ দখল করা, তা না। একটা ইকোনমিক হাব গড়ে উঠবে। যে ইকোনমিক হাবটা আমাদের উন্নয়নের জন্য সাংঘাতিক রকম গুরুত্বপূর্ণ।

দেশে এতদিন ব্যবসার নামে লুটপাট চলেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন – দেশে এখন আর কোনো ব্যবসায়ীর প্রয়োজন নেই, আমাদের প্রয়োজন বিনিয়োগকারী। চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবসাবান্ধব নয়, বিনিয়োগবান্ধব করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে উদ্দেশ করে ফরহাদ মজহার বলেন–সরকার প্রধানের উচিত ছিল নিজের এলাকা চট্টগ্রামে এসে সাধারণ মানুষসহ সবার সাথে কথা বলা।- শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বাস্তবতা ও সংস্কার’ আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন ফরহাদ মজহার।

হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ হত্যা

দক্ষিণ বৈরুতের একটি আবাসিক ভবনের নিচে হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টারে হাসান নাসরুল্লাহ ও অন্য নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। নাসরুল্লাহর ওপর হামলায় আটটি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ইসরায়েল। নাসরুল্লাহকে হত্যায় ইসরায়েল ৮৫টি বাংকার-বাস্টার বোমা ব্যবহার করে। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি সম্পূর্ণ লেজার গাইডেড বিএলইউ-১০৯ বোমার ওজন ২-৪০০০ হাজার পাউন্ড। বোমাটি ৩০ মিটার গভীরে লক্ষ্যে পৌঁছে বিস্ফোরিত হতে পারে। জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী জনবহুল এলাকায় বাস্টার বোমা ব্যবহার নিষিদ্ধ। বৈরুতের দাহিয়েহ হল একটি ঘনবসতি এলাকা। সেখানকার একাধিক আবাসিক ভবন ধসে সমতলে পরিণত হয়।