Home Blog Page 251

“ বাংলাদেশের পরিণতি মিসর , তিউনিশিয়া বা অন্য দেশের মতো হবে না ” : বদরুদ্দীন উমর

… বাংলাদেশের পরিণতি মিসর, তিউনিসিয়া বা অন্য দেশের মতো হবে না। মিসরে … সেখানে কখনই নির্বাচিত সরকার থাকেনি। আমাদের এখানে তেমন না। আমাদের তো ১৯৯০ সালের পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র ছিল। আমাদের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের জন্য বাংলাদেশের পরিণতি মিসরের মতো হবে না। এটার সম্ভাবনা নেই। … এখন বিএনপি সবচেয়ে বড় দল। নির্বাচন হলে তারা যে ক্ষমতায় আসবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। তারা এসে দেশের কী করবে? আমেরিকার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ভালো হবে, এমনটা আশা করা যায়। এমনকি ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক আরো ভালো করার চেষ্টা করবে।

ভারতকে তো অবজ্ঞা করার কোনো উপায় নেই। সেটিকে বাংলাদেশ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশেষ করে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এবং এখানকার বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ভারতের যে প্রভাব আছে তা নির্মূল হয়ে যাবে তা তো না। সেটি থাকবে। কিন্তু আগেকার মতো ভারতের অধীন হয়ে যাবে বাংলাদেশ, সেটি হবে না। আমেরিকার প্রভাব থাকবে। চীনেরও প্রভাব থাকবে। কিন্তু ভারত ও আমেরিকার মতো এতটা প্রভাব থাকবে না।… এই যে উচ্ছৃঙ্খলতা, এর আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে ছাত্রদের যে কোটা আন্দোলন আর জনগণের অভ্যুত্থান-এটি কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের দ্বারা পরিচালিত হয়নি এবং কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণেও নেই। নিয়ন্ত্রণে থাকলে তারা বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারত।

…. এ মুক্ত পরিবেশে যেমন ভালো কাজ হচ্ছে, তেমনি কিছু দুষ্কৃতকারী খারাপ কাজ করারও সুযোগ পাচ্ছে এবং সেটি নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান ঠিক নেই। আবার কোনো রাজনৈতিক দলও নেই। কাজেই এখানে বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। আর এ বিশৃঙ্খলা কতদিন চলবে তা বলা যায় না। হয়তো কিছুদিন যাবে এরপর এটি নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদি দেখা যায় যে কারো নিয়ন্ত্রণে কাজ হচ্ছে না তাহলে অবস্থা আরো খারাপ হবে। … সংবিধান পুরো ফেলে দিতে হবে। এ সংবিধানে প্রথম ক্ষত করেছিল শেখ মুজিব, জঘন্যভাবে করেছিল। তারপর জিয়াউর রহমান, এরশাদ, হাসিনা ক্ষত করতে করতে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে যে এটার সংস্কার করার কিছু নেই। এটি ফেলে দিয়ে নতুন একটা সংবিধান করতে হবে।

… সাধারণভাবে ভারতে লেখক-বুদ্ধিজীবীরা এ জুলাইয়ের আন্দোলন এবং অভ্যুত্থানের পক্ষে কেউ কথা বলেনি। চুপ থেকেছে।…তার কারণ তাদের সবারই বাংলাদেশের ব্যাপারে কলোনিয়াল মাইন্ডসেট আছে। তারা সবাই চায় বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব থাকুক, ঢাকা নয়াদিল্লির আয়ত্বের মধ্যে থাকুক। সেটি চলে যাওয়ায় তারা না পারছে কিছু বলতে কিংবা করতে, এজন্য চুপ মেরে আছে। … ছাত্ররা কোটা আন্দোলন করে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু ছাত্ররা যদি এখন একটি দল দাঁড় করায় তাহলে তারা তখন কতগুলো নিয়মের অধীন হয়ে পড়বে।তাদের যে একেবারে হৈ হৈ রৈ রৈ করে বিকাশ ঘটবে এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। একটি রাজনৈতিক দল হলে তারা যে একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হবে, তা মনে করি না।- বণিক বার্তার সঙ্গে ২ অক্টোবর,২০২৪ বদরুদ্দিন উমরের সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ।

নিউ ইয়র্কের আকাশে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধের আবেদন ।

আমেরিকান গ্রুপগুলি, বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এক শক্তিশালী আবেদনে, একটি বিশাল এয়ারলাইন ব্যানার উড়িয়েছে। এতে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর চলমান সহিংসতা বন্ধ করার জরুরি বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়। বড় ব্যানারটি হাডসন নদীর উপর দিয়ে উড়ে যায় এবং মানব মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং সাম্যের বৈশ্বিক প্রতীক স্ট্যাচু অফ লিবার্টি প্রদক্ষিণ করে।

নেতানিয়াহু ব্যবহার করার পরে , বরিস জনসনের ব্যক্তিগত বাথরুমে আড়িপাতার যন্ত্র পাওয়া গিয়েছিল !

প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন দাবি করেছেন যে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ব্যবহার করার পরে তার ব্যক্তিগত বাথরুমে একটি বাগিং ডিভাইস (আড়িপাতার যন্ত্র) পাওয়া গিয়েছিল। বরিস জনসন তার বই, ‘আনলিশড’-এ লিখেছেন যে ২০১৭ সালে নেতানিয়াহু তার অফিসে এসেছিলেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ব্যবহার করার পরে বরিসের বাথরুমে শোনার ডিভাইস খুঁজে পেয়েছিল তার নিরাপত্তা দল। … এটি কাকতালীয় নাও হতে পারে, নিয়মিত পরিচ্ছনতা কাজের সময় তারা থান্ডারবক্সে একটি শোনার যন্ত্র খুঁজে পেয়েছিল জনসন লিখেছেন তার বইয়ে।

নেতানিয়াহু, তার প্রথম সফরে পররাষ্ট্র সচিব জনসনের বাথরুমটি ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ইসরাইল অতীতেও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে গোপন নজরদারি করেছে। ২০১৯ সালে, মার্কিন সরকার বলেছিল যে হোয়াইট হাউসের কাছাকাছি এবং ওয়াশিংটনের আশেপাশে অন্যান্য সংবেদনশীল স্থানে পাওয়া সেলফোন নজরদারি ডিভাইস স্থাপনের পিছনে সম্ভবত ইসরাইল ছিল – বলেছে পলিটিকো। নেতানিয়াহু প্রতিবেদনটি অস্বীকার করেন এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এটিকে ‘বিশ্বাস করা কঠিন’ বলে মন্তব্য করেন। ২০১৬ সালে ফাঁস হওয়া মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য মতে যুক্তরাজ্যও ইসরায়েলের সরকার এবং বিদেশে মিশনের উপর গুপ্তচরবৃত্তি করেছে বলে দাবি করেছে ফরাসি সংবাদপত্র লে ম’দ।

জাতীয় জরিপ ২০২৪ : বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে নাগরিকদের প্রত্যাশা

৮টি বিভাগের ১৭টি জেলার ১,৮৬৯ জনের মতামত

৯৭%
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আস্থাশীল

৪৬%
গ্রামীণ অঞ্চলের উত্তরদাতা

৫৪%
শহরাঞ্চলের উত্তরদাতা

৫৩%

সরকারের মেয়াদ ২ বছর বা কম হওয়া উচিত

৪৭%
সরকারের মেয়াদ ৩ বছর বা বেশি হওয়া উচিত

৪৬%
উল্লেখযোগ্য সাংবিধানিক পরিবর্তন প্রয়োজন

৩৫%

সংবিধানে ছোটখাটো সংস্কার প্রয়োজন

১৬%
সম্পূর্ণ নতুন সংবিধান

৭২%
ছাত্রদের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলকে সমর্থক

৯-১৯ সেপ্টেম্বর নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এসআইপিজি) পরিচালিত ‘জাতীয় জরিপ ২০২৪: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে নাগরিকদের প্রত্যাশা’।


গত দুই মাসে সারা দেশে ২৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে মব জাস্টিসের নামে – পুলিশের তথ্য

এসব ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে দু-একটি। গ্রেপ্তারও হাতে গোনা। অন্তর্বর্তী সরকারের হুঁশিয়ারিও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া রোধ করতে পারছে না। মব জাস্টিস বা জনতার বিচার নামে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যেকোনো ক্ষেত্রে। পুলিশ সদস্যও রেহাই পাচ্ছেন না। এই ‘বিচারের’ নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, নির্যাতন, মারধর, লাঞ্ছনা, অপমান, অপদস্থ ও হামলা করার ঘটনা জনমনে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি করছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের সংলাপ শনিবার

ছয়টি সংস্কার কমিশন এবং দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংলাপ হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন-আগামী শনিবার ৫ অক্টোবর দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসবে অন্তর্বর্তী সরকার। তিনি বলেন – আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে কমিশনগুলো পূর্ণাঙ্গ হবে আশা করি। প্রধান হিসেবে যাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল, তারা ইতোমধ্যে কাজ করছেন। যারা কমিশনের সদস্য হবেন, তাদের নামগুলো স্ক্রিনিং হচ্ছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন কমিশনের কাজ শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর। তারপর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ হবে যে কীভাবে সংস্কারগুলো করা হবে।

আয়নাঘর নামে পরিচিত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলটি (জে.আই.সি) ডিজিএফআইয়ের সদর দপ্তরের ভিতরেই , দোতলা এই ভবনে ২২ টি সেল আছে ।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) কার্যালয়ে গিয়ে গোপন বন্দিশালার সন্ধান পেয়েছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অফ ইনকোয়ারি। অনুসন্ধান কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন – সবচেয়ে বেশি গুমের অভিযোগ এসেছে র‍্যাব, ডিজিএফআই, ডিবি ও সিটিটিসির বিরুদ্ধে। আমরা ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘর, ডিবি ও সিটিটিসি পরিদর্শন করেছি। তবে সেখানে কোনো বন্দী আমরা পাইনি। সম্ভবত ৫ আগস্টের পর সেখান থেকে সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের কার্যক্রম শুরুর পর ১৩ কর্মদিবসে ৪০০ অভিযোগ জমা পড়েছে। ৪০০ অভিযোগের মধ্যে অনেকগুলো ঘটনাই প্রথম সামনে এসেছে বলে জানান কমিশনের আরেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস। তিনি বলেন – এসব ঘটনায় এর আগে কেউ কখনো গুম নিয়ে কথা বলেননি। থানায় তাঁদের জিডিও নেওয়া হয়নি। কমিশনের সদস্য সাজ্জাদ হোসেন বলেন – ভিজিটের সময় ডিজিএফআইয়ের যে আয়নাঘর দেখেছি, তার সঙ্গে ভুক্তভোগীদের বর্ণনার মিল পেয়েছি। তবে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ তারা নষ্ট করেছে।

জো বাইডেন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলি পাল্টা হামলা সমর্থন করেন না

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, তিনি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েলি পাল্টা হামলার সমর্থন করেন না, যা ইরান ইসরায়েলে প্রায় ১৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর আলোচনায় আসে। ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, বিশেষ করে ইরান দাবি করেছে যে, এই হামলা হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া এবং হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির হত্যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে চালানো হয়। ইসরায়েলের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগ হামলা প্রতিহত করলেও, পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ রয়ে গেছে। এদিকে, ইসরায়েল লেবাননে মাটির নিচে অভিযান শুরু করেছে, যেখানে হিজবুল্লাহর অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

উত্তর ক্যারোলিনা সফরের সময় বাইডেন বলেন- ইসরায়েল আত্মরক্ষার অধিকার রাখে, তবে প্রতিক্রিয়া হতে হবে অনুপাতিক। তিনি ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে পরামর্শ করবেন বলেও উল্লেখ করেন, তবে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার বিরুদ্ধে তার অবস্থান সুস্পষ্ট। বাইডেন প্রশাসন এখনও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও এখন পর্যন্ত সফলতা আসেনি। এই সময়ে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছে, যা বাইডেনের ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা প্রচেষ্টার প্রতি দৃঢ় সমর্থনের ইঙ্গিত দেয়।

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাবে তেলের দাম বৃদ্ধি; বৈশ্বিক সরবরাহ এখনো ব্যাহত হয়নি

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে আজ ৩ অক্টোবর তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.২৭% এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ১.৪১% বৃদ্ধি পায়। আশঙ্কা বেড়েছে যে ইসরায়েল ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলির উপর পাল্টা আক্রমণ চালাতে পারে, যা তেলের সরবরাহ ব্যাহত করতে পারে।

বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসরায়েল ইরানের তেল স্থাপনাগুলি টার্গেট নাও করতে পারে, কারণ তাতে দাম আরও বেড়ে যাবে, যা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকা তাদের মিত্রদের উদ্বিগ্ন করবে। মার্কিন কাঁচা তেলের মজুদ ৩.৯ মিলিয়ন বেড়েছে। তাছাড়া ওপেকের কাছেও এই মুহুর্তে যথেষ্ট রিজার্ভ রয়েছে যা ইরানের সরবরাহ বন্ধজনিত ক্ষতি পূরণ করতে সক্ষম।
ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন যে যদি ইরান প্রতিবেশী দেশগুলির জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে ওপেকের তেল সরবরাহ ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট তৈরি করবে। তবুও, আপাতত বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়নি, এবং বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে তৃতীয় পক্ষকে শাসনভার গ্রহণ করতে হবে – টনি ব্লেয়ার

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার গাজার শাসনভার তৃতীয় কোনো পক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা তিনি মনে করেন চলমান সংঘাত বন্ধের একটি উপায়।

একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ব্লেয়ার বলেছেন – গাজার শাসন ইসরায়েল বা হামাসের হাতে না রেখে, তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত। ২০০৬ সালের ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে ইসরায়েলের পক্ষে থাকা ব্লেয়ার হিজবুল্লাহর ২০০৬ সালের জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব অমান্য করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন, যাতে হিজবুল্লাহকে ইসরায়েল সীমান্ত থেকে সরে যাওয়া এবং নিরস্ত্র হওয়ার জন্য আহ্বান জানায়। ব্লেয়ার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা করার অধিকারকে সমর্থন জানিয়ে বলেন – যখন ইসরায়েলের ওপর আক্রমণ হয়, তারা প্রতিরোধ করে, এবং ৭ই ও ৮ই অক্টোবরের হামলার পরও তারা আত্মরক্ষার জন্য প্রতিশোধ নিয়েছে।