Home Blog Page 243

মধ্যপ্রাচ্যে পরিবর্তন , ইসরায়েল নিঃসঙ্গ হচ্ছে

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- ইসরায়েলকে বাইরে রেখেই মধ্যপ্রাচ্য সত্যিকারের পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে। বছর খানেক আগে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্নিমাণ এবং ইরান ও তার মিত্রদের আরও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার এ প্রক্রিয়ায় দেশ দুটি সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তির খুব কাছাকাছি চলেও গিয়েছিল। দীর্ঘ এক বছর ধরে গাজায় নির্বিচার হামলার পর প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব ইসরায়েলের সমালোচকে পরিণত হয়েছে। রিয়াদ জানিয়ে দিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ছাড়া ইসরায়েলের সাথে কোনো কূটনৈতিক চুক্তি হবে না। পাশাপাশি তারা চিরশত্রু ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করছে।

চলতি মাসে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে ইরান। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি সৌদি আরব সফর করেন এবং তারপর ইরাক, ওমান, জর্ডান, মিসর ও তুরস্ক সফর করেন। বিশেষত মিসর সফর ছিল গত ১২ বছরে প্রথমবারের মতো কোনও ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশটিতে ভ্রমণ। এটি উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের নজিরবিহীন এক সম্প্রীতি। যদিও এই বন্ধন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে এবং নড়বড়ে রয়ে গেছে। তবে এটি দেশগুলোর শতাব্দী পুরোনো বৈরিতাকে দূরে ঠেলে দেবে বলেই মনে হচ্ছে।

নেতানিয়াহু যখন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে চলেছেন, সৌদি কর্মকর্তারা তখন কূটনৈতিক চুক্তির শর্ত হিসেবে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের প্রসঙ্গ তুলেছেন। আরব আমিরাতসহ আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব দেশগুলোও গাজার পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে তাদের অবস্থান প্রকাশ করছে। ফিলিস্তিনিদের সীমাহীন দুর্ভোগ আরব নাগরিকদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি ঘৃণা বাড়াচ্ছে। আর এটি দখলদার দেশটির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা শাসকদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। জনমত নিয়ে উদ্বেগে থাকায় দেশগুলোর শাসকগোষ্ঠী বাধ্য হয়েই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে কথা বলছেন।

শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র খুঁজে পাননি রাষ্ট্রপতি

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে সৃষ্ট ধূম্রজালের মধ্যে নতুন তথ্য দিয়েছেন প্রবীণ সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে উদ্ধৃত করে তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনও দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি বহু চেষ্টা করেও রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। মতিউর রহমান চৌধুরীর লেখা ‘উনি তো কিছুই বলে গেলেন না’ শিরোনামে এই ‘নেপথ্যের গল্প’ প্রকাশিত হয়েছে মানবজমিন-এর রাজনৈতিক ম্যাগাজিন ‘জনতার চোখ’-এ ১৯ অক্টোবর। প্রতিবেদনে প্রবীণ এই সাংবাদিক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তার কথোপকথন তুলে ধরেছেন।

রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন মতিউর রহমান চৌধুরীকে বলেন-‘আমি শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আমার কাছে কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। বহু চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হয়তো সময় পাননি। ৫ই আগস্ট সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গভবনে ফোন এলো প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে। বলা হলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন মহামান্য প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। এটা শুনেই প্রস্তুতি শুরু হলো বঙ্গভবনে।ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ফোন এলো তিনি আসছেন না।’

‘যাই হোক, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার যখন বঙ্গভবনে এলেন তখন জানার চেষ্টা করেছি প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন কি না? একই জবাব। শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন। মনে হয় সে সময় পাননি জানানোর। সব কিছু যখন নিয়ন্ত্রণে এলো তখন একদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এলেন পদত্যাগপত্রের কপি সংগ্রহ করতে। তাকে বললাম, আমিও খুঁজছি।’ এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট বললেন, ‘এ নিয়ে আর বিতর্কের কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী চলে গেছেন এটাই সত্য। তারপরও কখনো যাতে এ প্রশ্ন না উঠে সে জন্য সুপ্রিম কোর্টের মতামত নিয়েছি।’

সি আমাকে সম্মান করেন কারণ আমি ‘খ্যাপাটে’ : ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁকে উসকানোর চেষ্টা করবেন না। কারণ, সি জানেন তিনি একজন ‘খ্যাপাটে’ ব্যক্তি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয় পর্ষদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেছেন। সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আগামী মাসের নির্বাচনে আমি যদি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হই এবং চীন তাইওয়ানকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি বেইজিংয়ের ওপর শুল্ক আরোপ করব।’ চীনের প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যদি তাইওয়ানে যান (হামলা চালান), তাহলে আমি আপনাদের ক্ষেত্রে (পণ্য, সেবা) ১৫০ থেকে ২০০ শতাংশ করারোপ করব।’

রিপাবলিকান পার্টির এই প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মতে, তিনি আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে আমেরিকার প্রতিপক্ষরা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কিছু করার সাহস করবে না। কারণ, তারা জানে এমনটি করলে তাদের কঠিন ও নজিরবিহীন জবাব পেতে হবে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয় পর্ষদকে ট্রাম্প বলেছেন, ‘চীনের সম্ভাব্য তাইওয়ান অবরোধ ঠেকাতে আমাকে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে হবে না। কারণ, চীনের প্রেসিডেন্ট সি আমাকে সম্মান করেন এবং তিনি জানেন আমি একজন খ্যাপাটে মানুষ।’

গাজা ও লেবানন সীমান্তে বাফার জোন তৈরি করতে চায় ইসরাইল !

মার্কিন নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ইসরায়েল গাজা এবং লেবাননে হামাস ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করছে। যাতে করে নতুন প্রেসিডেন্টের শপথের আগেই একটি অপ্রতিরোধ্য বাস্তবতা তৈরি করা যায়। রয়টার্স জানিয়েছে, তারা কার্যত বাফার জোন সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।
যেকোনও অস্ত্রবিরতি চুক্তি বিবেচনার আগে ইসরায়েল নিজের উত্তরের সীমান্ত থেকে হিজবুল্লাহকে সরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা জোরদার করছে। একইসঙ্গে তারা গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে পুনরায় প্রবেশ করছে। এটিকে উত্তর গাজাকে পুরো উপত্যকা থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ফিলিস্তিনিরা ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলো।

লেবাননে শুরু করা স্থল অভিযানে হিজবুল্লাহকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পিছু হটিয়ে লিটানি নদীর ওপারে সরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসরায়েলের মতে, রেজুলেশন ১৭০১ কার্যকর করতে এবং উত্তরের প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক পদক্ষেপ জরুরি। ইসরায়েল গাজার সীমানার পাশেও বাফার জোন তৈরির পরিকল্পনা করছে। গাজার জাবালিয়া অঞ্চলে অভিযান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ইসরায়েল হয়তো গাজাবাসীদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছে। ইসরায়েল ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে নতুন ফ্রন্ট খোলার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

“ আওয়ামী লীগের স্বৈরশাসন দাড়িয়ে ছিল চারটি খুটির ওপর ” : অধ্যাপক আলী রীয়াজ

বিপরীত সংস্কৃতি দাঁড় করাতে না পারলে কেবল প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে ফ্যাসিবাদ ঠেকানো যাবে না।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন – রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা ছিল বল প্রয়োগের ওপর এবং সেটার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় পিলার হলো, এক ধরনের আদর্শিক আধিপত্য তৈরি করা হয়েছিল। এর মধ্যে কখনো বলা হয়েছে।মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, যদিও তা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়-বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সেটাকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলা হয়েছে, উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে, ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার কথা বলা হয়েছে, ইতিহাসের একটা বিশেষ ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে।

‘এখানে এসে যেটা হয়েছে, যেটা পূর্ববর্তী ৩৫ বছরের ইতিহাসে সফল হয়নি, বাংলাদেশের কথিত বুদ্ধিজীবীরা তাদের আত্মা বিক্রি করে দাসত্বকে মেনে নিয়েছেন’ – যোগ করেন তিনি। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, তৃতীয় পিলারটি হলো গণমাধ্যমগুলো গণমাধ্যমের চরিত্র অনুসারে কাজ করতে পারেনি। চতুর্থ পিলারটি হলো, দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে, বিদেশের প্রভাব ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে নিজেদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা। এ ক্ষেত্রে সরাসরি ভারত ও প্রচ্ছন্নভাবে চীনের প্রভাব কাজ করেছে।

তিনি বলেন- জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে না পারলে, গণমাধ্যমগুলো দায়িত্বশীল প্রকৃত গণমাধ্যমের ভূমিকা পালনের নিশ্চয়তা না দিতে পারলে, বিপরীত সংস্কৃতি দাঁড় করাতে না পারলে কেবল প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে ফ্যাসিবাদ ঠেকানো যাবে না। ঢাকা কলেজ মিলনায়তনে শনিবার সাহিত্য পত্রিকা কালের ধ্বনি আয়োজিত ‘গণ-অভ্যুত্থানে আহত কবি ও লেখকদের গল্প’ অনুষ্ঠানে কথা বলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামীলীগ ও তার মিত্রদের অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হবে ।

‘রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হবে।’ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের পর আলোচনার বিষয়গুলো তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আলম এ কথা বলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শেষে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের জন্য খুব দ্রুতই সার্চ কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সামনে রেখে শনিবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সংলাপে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও তার জোটসঙ্গীদের এই সংলাপের বাইরে রাখা হয়েছে। জাতীয় পার্টিকেও এবার সংলাপে ডাকা হয়নি।সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। কয়েকটি দল জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিও জানিয়েছে। প্রায় সব দল নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুত সংস্কার চেয়েছে।

২০২৫ সালের মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে : আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

চ্যানেল আইয়ের আজকের পত্রিকা অনুষ্ঠানে মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী নির্বাচনের সময় জানতে চাইলে আইন উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘সার্চ কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনসহ নির্বাচনপূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আগামী বছরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, বাস্তবতার নিরিখে আগামী বছরের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব হবে। অনেকগুলো বিষয় আছে। এটা আমার প্রাথমিক অনুমান।’ ড. আসিফ বলেন, ‘নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে শিগগিরই সার্চ কমিটি গঠন করা হবে।’ এরপর নতুন নির্বাচন কমিশন ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করবে এবং তারপর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যে ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ – জাতিসংঘের প্রতিবেদন

‘বৈশ্বিক বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক-২০২৪: সংঘাতের মধ্যে দারিদ্র্য’ শিরোনামে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) কর্তৃক বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে – বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যে ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ। বহুমাত্রিক দারিদ্র্য পরিস্থিতি বুঝতে বিশ্বের ১১২টি দেশের ৬৩০ কোটি মানুষের ওপর গবেষণা করা হয়েছে। ২০২২-২৩ বছর পর্যন্ত এক দশকের বেশি সময়ের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। মানুষের পর্যাপ্ত আবাসন, পয়োনিষ্কাশন, বিদ্যুৎ, ভোজ্যতেল ও পুষ্টির মতো অতি প্রয়োজনীয় সেবাসমূহ পাওয়ার ক্ষেত্রে কেমন ঘাটতি রয়েছে, শিশুরা কী হারে স্কুলে উপস্থিত হচ্ছে এখানে বিবেচনায় এসেছে।

সূচক অনুযায়ী, বিশ্বের ১১০ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন যার প্রায় অর্ধেকই সংঘাতকবলিত দেশের বাসিন্দা। সূচক অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক দরিদ্র মানুষের বসবাস ভারতে। দেশটির ১৪০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ২৩ কোটি ৪০ লাখই চরম দারিদ্র্যের মধ্যে আছেন। এরপরই রয়েছে পাকিস্তান (৯ কোটি ৩০ লাখ), ইথিওপিয়া (৮ কোটি ৬০ লাখ), নাইজেরিয়া (৭ কোটি ৪০ লাখ) ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (৬ কোটি ৬০ লাখ)। বিশ্বে চরম দারিদ্র্যে থাকা জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই এই পাঁচ দেশের। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের সর্বশেষ তথ্যমতে, দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ১৭ লাখ ৫৭ হাজার।

ভাইরাসের মিউটেশন দিচ্ছে সিমুলেটেড মহাবিশ্বের ইঙ্গিত !

‘ইনফোডাইনামিক্সের দ্বিতীয় আইন’ নামে একটি সাহসী নতুন ধারণার প্রস্তাব দিয়েছেন পদার্থবিদ মেলভিন ভপসন। তার গবেষণা শুরু হয়েছিল SARS-CoV-2 ভাইরাসের মিউটেশনের উপর নজর রেখে, বিশেষ করে তথ্যের বিশৃঙ্খলার দৃষ্টিকোণ থেকে। তথ্য বিশৃঙ্খলা (ইনফরমেশন এন্ট্রপি) একটি সিস্টেমে কতটা সুশৃঙ্খল বা বিশৃঙ্খল তথ্য রয়েছে তা বোঝায়। ভপসনের যুক্তি হলো, ফিজিক্যাল এন্ট্রপি সময়ের সঙ্গে বৃদ্ধি পায়, আর তথ্যের এন্ট্রপি বা বিশৃঙ্খলা সময়ের সাথে সাথে কমে। এই আবিষ্কার তাকে এমন একটি নিয়মের সম্ভাবনা সম্পর্কে ভাবতে প্ররোচিত করেছে যা তথ্যের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যার প্রভাব থাকতে পারে জিনগত কোড থেকে শুরু করে সমগ্র মহাবিশ্বের ওপর।

ভপসনের গবেষণায় দেখা গেছে যে ভাইরাসের মিউটেশনসমূহও এই ইনফোডাইনামিক্সের দ্বিতীয় আইন অনুসরণ করে। বিশেষ করে, গবেষণায় লক্ষ্য করা হয়েছে যে ভাইরাসের মিউটেশনগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তথ্যের বিশৃঙ্খলা (এন্ট্রপি) কমিয়ে আনে। কিন্তু প্রচলিত ধারণা হল, মিউটেশন সম্পূর্ণভাবে এলোমেলো (random)। যদি এটি প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি বিবর্তন সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করবে এবং জেনেটিক মিউটেশনগুলো ঘটার আগেই আগাম অনুমান সুযোগ সৃষ্টি করবে। এর ফলে জেনেটিক থেরাপি এবং মহামারি গবেষণার ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটতে পারে।

ভপসন আরও অনুমান করেন যে এই আইনটি সম্ভবত মহাবিশ্বে এত বেশি সমমিতি (symmetry) কেন দেখা যায় তা ব্যাখ্যা করতে পারে। তার তত্ত্ব অনুযায়ী, উচ্চ সমমিতিযুক্ত সিস্টেমগুলোতে তথ্যের বিশৃঙ্খলা (information entropy) কম থাকে, যা তার প্রস্তাবিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ ছাড়াও তিনি সবচেয়ে আগ্রহোদ্দিপক যে ব্যাপারটা বলছেন তা হল, এই আইনের অস্তিত্ব ইঙ্গিত দিচ্ছে- মহাবিশ্ব একটি সিমুলেটেড নির্মাণ, যা তথ্যের বিশৃঙ্খলাকে কমিয়ে এবং ডেটা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণকে সর্বাধিক দক্ষ করার উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়েছে।মহাবিশ্ব একটা সিমুলেশন এবং আমরা এই বানানো জগত ও তার নিয়মের ভেতর বসবাস করছি, এই ধারনা নতুন নয়। পদার্থ বিজ্ঞানের একটা শাখা বেশ কিছুদিন ধরেই এ নিয়ে কাজ করছে।

এই দাবি গুলো আকর্ষণীয় হলেও অত্যন্ত জল্পনাপূর্ণ এবং আরও প্রমাণের প্রয়োজন। ভপসন তার ধারণাগুলো পরীক্ষা করার জন্য পদ্ধতির প্রস্তাব দিয়েছেন, যেমন তথ্যের ভর রয়েছে কিনা তা পরিমাপ করা। যদি এই পরীক্ষা সফল হয়, তাহলে তার তত্ত্বগুলোকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে সে পর্যন্ত, মূলধারার বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায় এই ধরনের বিপ্লবাত্মক দাবিগুলোকে গ্রহণ করতে সতর্ক থাকবে।

নিজেকে আমি সবসময় ইরফানের একলব্য ভেবেছি : জয়দীপ আহলাওয়াত

জয়দীপ আহলাওয়াত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন অভিনয় একটা টিমওয়ার্ক। এটা দলগত কাজ। এটি কোনও দৃশ্য বা সব সংলাপ নিজে দখল করে নেয়ার বিষয় নয়। সেলফিশ হোনা বোহোত খারাপ চিজ হোতি হ্যায় এক এক্টর কে লিয়ে। – জয়দীপ আহলাওয়াত মনে করেন। -‘এফটিআইআই তে ইরফান স্যারের সাথে আমার অল্প সময়ের জন্যে দেখা হয়। কখনই তার সাথে কাজ করার সুযোগ পাইনি, বা তিনি আমাদের ইনস্টিটিউটে পড়াননি, তবে তার কাজই আমাদের সবকিছু শিখিয়েছে। তিনি তার চরিত্রগুলির সাথে এতটাই যুক্ত থাকতেন যে তিনি যাই করুন না কেন, সবসময় মনে হত ইসসে বেহতার কোয়ি কার হি নাহি সাক্তা।’

‘তিনি প্রতিটি ভূমিকাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছেন কারণ তিনি তার নৈপুণ্যকে খুব ভালোবাসতেন। আপনি যদি তার কোন চলচ্চিত্রের দিকে তাকান, তাহলে যেটা দাঁড়ায় তা হল, কোনো দৃশ্যের ওপর নিজের প্রভাব ফেলার চিন্তা তার কখনোই ছিল না। কোন স্বার্থপরতা ছিল না, তিনি কেবল তার চরিত্রের প্রতি সত্য ছিলেন এবং গল্প ছিল তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ ‘ছোট মুখে বড় কথা- আমি নিজেকে তাঁর একলব্য ভেবে এসেছি সবসময়। তিনি আমাকে কখনো শেখাননি, কিন্তু আমি তাকে দেখেই শিখেছি। বিজয় (ভার্মা) এবং আমি এফটিআইআই-তে নিজ নিজ ডরমেটরির বাথরুমে স্নান করার সময় তার সিনেমার সংলাপগুলি চিৎকার করে আওড়াতাম।’ জয়দীপ আহলাওয়াত বলেন।