Home Blog Page 242

সিঙ্গাপুর প্রতিষ্ঠাতার ছেলে ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন…

সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক উন্নতির অন্ধকার দিক একটি দমনমূলক সরকার। মানুষ যা ভাবে, এটা সেই স্বর্গ নয় ইয়াং

সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউয়ের ছেলে লি হসিয়েন ইয়াং ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। তাঁর দাবি, সিঙ্গাপুর সরকার তার এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত নিপীড়ন চালাচ্ছে। সরকারী পিপলস অ্যাকশন পার্টির (পিএপি) নীতির বিরুদ্ধে সরাসরি কথা বলা এর কারণ। লি বলছেন যে তার এবং তার পরিবারকে সরকার হয়রানি করছে ও ভয় দেখাচ্ছে। এই ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে যাতে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস না পায় – বিরুদ্ধ মত দমন করার একটি কৌশল এটা। লি মনে করেন, সরকার নৈতিকতার কথা না ভেবে অর্থকে প্রাধান্য দেয়।

লি যুক্তি দেখিয়েছেন, যে অস্ত্র বাণিজ্যের সিঙ্গাপুর সহযোগী তার প্রভাব মানবাধিকার এবং বৈশ্বিক সংঘাতে আছে, যা সিঙ্গাপুরের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নে ফেলে। লি আরও দাবি করেছেন যে সরকার তার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে মাদক অর্থের প্রবাহে সহায়তা করছে। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য অবৈধ কার্যকলাপ থেকে চোখ সরিয়ে রাখে যা আর্থিক প্রশ্নে সিঙ্গাপুরের খ্যাতির বিপরীত। লি হসিয়েন লুং, লি হসিয়েন ইয়াংয়ের ভাই, ২০০৪ সাল থেকে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী। হসিয়েন লুং এর সময়ে পিএপির বিরুদ্ধে সমালোচনা বাড়ছে, বিশেষ করে নাগরিক স্বাধীনতার বিষয়ে।

অনেকেই মনে করেন, লি কুয়ান ইউয়ের কঠোর শাসন পদ্ধতি আজও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। লির আশ্রয় আবেদন ভয়ের সংস্কৃতির প্রতিফলন যা সিঙ্গাপুরের গোঁড়া রাজনৈতিক পরিবেশকে সামনে আনছে – যেখানে বিরোধীরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হন। লি হসিয়েন ইয়াংয়ের আশ্রয় চাওয়া সিঙ্গাপুরের রাজনৈতিক আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তার নিপীড়নের দাবি এবং অস্ত্র-বাণিজ্য ও মাদক-অর্থের অভিযোগ সরকারের দায়িত্ব এবং নৈতিকতার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। সিঙ্গাপুরকে নিজের জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারের ভারসাম্য আবার খতিয়ে দেখতে হবে।

পশ্চিম – বিরোধী ‘নতুন বিশ্বব্যবস্থার’ ডাক দেবে ব্রিকস সম্মেলন !

মঙ্গলবার থেকে রাশিয়ার কাজানে শুরু হচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন। ২০ জনের বেশি রাষ্ট্রপ্রধানের অংশগ্রহণে এই সম্মেলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ডলার কেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিকল্প নিয়ে আসতে পারে পশ্চিম-বিরোধী এই জোট। বিবিসি ও সিএনএন। আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে রয়েছেন চীনের শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। অসুস্থতার জন্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেবেন।

শুরুতে রাশিয়া, চীন, ভারত ও ব্রাজিলকে নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিল ব্রিকস। ২০১০ সালে যোগ দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এবছরের শুরুতে এই জোটে যোগ দেয় চার দেশ- সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, ইথিওপিয়া ও ইরান। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত এই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোটের জিডিপি সম্প্রতি পশ্চিমা জোট জি সেভেনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশ ব্রিকসে যোগ দেওয়ার জন্য ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। সেখান থেকে চারটি দেশকে এ বছর নতুন সদস্যপদ দিয়েছে জোটটি। এবারের সম্মেলনেও নতুন কয়েকটি দেশের নাম যোগ হতে পারে।

সিএনএন জানায়, শুক্রবার ব্রিকস বিজনেস ফোরামের বৈঠকে পুতিন বলেন, ব্রিকস জোট ও আগ্রহী দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করলে তারা ‘একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ব্রিকসের প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি ছিল, ডলারের বিকল্প একটি মুদ্রা ব্যবস্থা তৈরি করা। বর্তমানে যেকোনো আন্ত-রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ ও ঋণের ক্ষেত্রে মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার ব্যবহার করা হয়। বিশ্বব্যাংক নিয়ন্ত্রিত বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার মূল মুদ্রাও মার্কিন ডলার। ডলারের এই আধিপত্য ভাঙতে ব্রিকস দেশগুলোকে নিয়ে একটি বিকল্প বাণিজ্যব্যবস্থা তৈরি করতে চায় রাশিয়া, যেখানে ডলার, ইউরো বা জি-৭ দেশের মুদ্রার প্রয়োজন পড়বে না। তখন আর (পশ্চিমা) নিষেধাজ্ঞা খুব একটা কাজে আসবে না।

শুরুতে কেবল একটি অর্থনৈতিক জোট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও এখন ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতগুলো নিয়েও মত প্রকাশ করছে ব্রিকস। এই সম্মেলনে একটি বড় আলোচনার বিষয় হতে পারে ইউক্রেন যুদ্ধ। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ফাঁকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ছয় দফার একটি শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করে চীন ও ব্রাজিল। এই সম্মেলনের আবার আলোচনায় ফিরতে পারে এই ছয় দফা। সিএনএন জানায়, এবারের সম্মেলনের একটি বড় অংশজুড়ে থাকবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট। ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাস যোগ দিচ্ছেন এবারের সম্মেলনে।

আবারও বাড়ছে ব্যাংক ঋণের সুদের হার

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। শুধু সুদের হার বাড়িয়ে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। ড. সেলিম রায়হান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক

বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশ থেকে ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ১০ শতাংশে নির্ধারণ করেছে। এবছর পঞ্চম দফায় বাড়ছে নীতি সুদহার। দেশে কয়েক বছর ধরে চলছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি। অর্থের জোগান কমিয়ে মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে চাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই নীতি সুদহার বারবার বাড়ানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে স্বল্পমেয়াদি ধার দেয়, সেটিই হচ্ছে রেপো সুদহার। নীতি সুদহার বাড়ানোর প্রভাবে ব্যাংকে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদহার বাড়ে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এটি ভূমিকা রাখলেও এর প্রভাবে একদিকে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে বেসরকারি খাতে কমছে ঋণপ্রবাহ।

ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সুদহার বাড়ার বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২০ জুলাইয়ে ব্যাংক ঋণের গড় সুদহার ছিল ৭.৭৯ শতাংশ। চলতি বছরের আগস্টে তা বেড়ে হয়েছে ১১.৫৭ শতাংশ। এক বছর আগে ব্যাংক ঋণে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ৯ শতাংশ। বর্তমানে কোনো কোনো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫ শতাংশ সুদহার রয়েছে। সব ব্যাংক মিলিয়ে ঋণের গড় সুদহারও ক্রমেই বাড়ছে। নীতি সুদহার আরেক দফা বাড়ানোয় ব্যাংক ঋণের সুদহারও আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এ নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান সমকালকে বলেন- ‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। শুধু সুদের হার বাড়িয়ে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। শুল্কহার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মনে হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এমনটি হলে দ্রুত চাহিদা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করতে হবে। মুদ্রানীতিতে সুদের হার বাড়ানোর চেয়ে এ বিষয়গুলোতে বেশি অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

ভাবা দরকার !

নিজেকে সংখ্যাগরিষ্ঠের দলে আবিষ্কার করলেই বুঝবেন;

এবার একটু থেমে, ভাবা দরকার।

মার্ক টোয়েন

ট্রাম্পের জন্য ইলন মাস্কের ভোট কেনা কি বৈধ ?

ইলন মাস্কের আমেরিকা পিএসি থেকে তৈরি করা পিটিশনে যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি সুইং স্টেট এর ভোটারদের ‘বাক স্বাধীনতা এবং অস্ত্র রাখার অধিকার’ সমর্থনে স্বাক্ষর করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। ৫ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন সুইং স্টেট-এর স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ১ জনকে লটারির মাধ্যমে ১ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে। এই পিটিশনের লক্ষ্য, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন তৈরি করা। মাস্ক জুলাইয়ে ট্রাম্পকে সমর্থন করতে আমেরিকা পিএসি চালু করেন। তিনি এখন পর্যন্ত গ্রুপটিকে অন্তত ৭৫ মিলিয়ন ডলার দান করেছেন।

যদি কোনো ভোটার অন্য কোনো ভোটারকে এই পিটিশনে স্বাক্ষর করতে উদ্বুদ্ধ করেন, তবে তাকে ৪৭ ডলার দেওয়া হবে। পেনসিলভানিয়া রাজ্যে ভোটের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় স্বাক্ষর বা স্বাক্ষর করতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য ১০০ ডলার পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সুইং স্টেট-এর ভোটারদের বিশ্বের শীর্ষ ধনী এবং টেসলার সিইও ইলন মাস্কের নগদ অর্থ প্রণোদনা দেওয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিবিসি জানায়, এই উদ্যোগের ফলে ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন ভোটাররা নির্বাচনের শেষ দিনগুলোতে প্রচারে সামিল হতে উৎসাহিত হবে।

শেখ হাসিনাকে মীরাট সেনানিবাসে সরিয়ে নেয়া হয়েছে : বাংলা ট্রিবিউনের দিল্লী প্রতিনিধি

ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজধানী দিল্লি থেকে উত্তর প্রদেশ মীরাটের সেনানিবাস বা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি গোপন ঠিকানায় ‘মুভ’ করানো হয়েছে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দিল্লির কেন্দ্রস্থল থেকে মীরাটের দূরত্ব ৫০ মাইলের অল্প বেশি। মীরাট সেনানিবাস এলাকায় একটি আধাসামরিক বাহিনীর (খুব সম্ভবত ‘র‍্যাফ’ বা র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স) একটি গেস্ট হাউজে তাকে রাখা হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে। দিল্লিতে শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থার নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন- সংবাদমাধ্যমের নজর এড়িয়ে, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রেখে এই ভিভিআইপি অতিথিকে দেশের রাজধানীতে রাখাটা যে খুব কঠিন, সেটা ভারত সরকার উপলব্ধি করে দিন কয়েকের মধ্যেই। চট করে ভারত থেকে তার তৃতীয় কোন দেশে যাওয়া হচ্ছে না, সেটাও ক্রমশ স্পষ্ট হতে থাকে। এরপর নানা ‘অপশন’ চুলচেরা বিচার-বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত মীরাটের ঠিকানাটি চূড়ান্ত করা হয় বলে বাংলা ট্রিবিউন জানতে পেরেছে। মীরাট ক্যান্টনমেন্টে এমন অনেকটা অংশ আছে, যেখানে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ। বিভিন্ন এলিট ফোর্সেরও কার্যালয় আছে সেখানে। শেখ হাসিনাকে সেনানিবাসের এরকমই একটা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মোড়া ‘সেক্লুডেড’ বা জনবিচ্ছিন্ন এলাকাতেই রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ব্যাংকের সিএসআর বাজেটের অর্ধেক গেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় , অধিকাংশই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিএসআর নীতি অনুসারে, একটি ব্যাংক সিএসআর ফান্ডের ২০ শতাংশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়, ৩০ শতাংশ শিক্ষায়, ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্যে এবং ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে প্রদান করবে। কিন্তু, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে দেশের ব্যাংকগুলো তাদের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) ব্যয়ের ৪৫ শতাংশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যয় করেছে। ব্যাংকাররা বলছেন, মূলত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচালিত বিভিন্ন তহবিলে দেওয়া হয়েছে এসব অর্থ।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ব্যাংকগুলো ২০২৪ জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ে সিএসআর ফান্ড থেকে ৩০৯ কোটি টাকা খরচ করেছে, যার ১৩৮ কোটি টাকা গেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়। ব্যাংকাররা দাবি করছেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) মাধ্যমে সম্প্রতি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয় পরিচালিত বিভিন্ন তহবিলে তাদের অর্থ জমা দিতে হয়েছে। বিএবি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার জানান, বেশিরভাগ সিএসআর তহবিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচালিত তহবিলে পাঠানো হয়েছে আবাসন ও বন্যায় ত্রাণ বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য।

তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের কিছুই করার ছিল না। টাকা দেবো না-এমন বলার কোনো উপায় ছিল না।’ বিদ্যমান নিয়মে লোকসানে থাকা কোনো ব্যাংক সিএসআর খাতে ব্যয় করতে পারে না। নিট মুনাফা করা ব্যাংক মুনাফার একটি অংশ ব্যয় করতে পারে। তবে কত শতাংশ ব্যয় করবে বা আদৌ করবে কিনা- তা ওই ব্যাংকের নিজস্ব বিষয়। কেউ ব্যয় করলে অনুপাত কী হবে, তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নির্ধারিত আছে।২০১৩ সালের পর লাইসেন্স পাওয়া ১৩টি ব্যাংকের জন্য আগের বছরের নিট মুনাফার অন্তত ১০ শতাংশ পরবর্তী বছরে সিএসআর খাতে ব্যয়ের শর্ত রয়েছে।

ইসরায়েল – ইউরোপ সম্পর্কের অবনতি দৃশ্যমান হচ্ছে

গাজায় গণহত্যা ও লেবানন, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ইসরায়েলের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সম্পর্ক ক্রমশই অবনতির দিকে যাচ্ছে। অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে দেশটির কিছু উগ্র নেতার উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে ইউরোপীয় দেশগুলো। খাদ্য সহায়তা আটকে দিয়ে উত্তর গাজাকে জনশূন্য করার পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। খাবার বন্ধ হবার এক সপ্তাহের মধ্যে ফিলিস্তিনিরা এই অঞ্চল ছাড়তে বাধ্য হবে, এই হচ্ছে পরিকল্পনা। জবাবে বাইডেন প্রশাসন ৩০ দিনের মধ্যে গাজার মানবিক পরিস্থিতি উন্নত করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলকে। না করলে সামরিক সহায়তা কমিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইসরায়েলের এক সপ্তাহের পরিকল্পনা থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের এক মাস সময় দেওয়াকে ভালোভাবে নেয়নি ইইউ। বৃহস্পতিবার ইইউ নেতৃবৃন্দের সম্মেলনের আগে এ ব্যাপারে সমালোচনা করেন পররাষ্ট্র নীতি প্রধান জোসেপ বরেল। সম্প্রতি লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের উপর বেশ কিছু হামলা চালায় ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। হামলার বিরুদ্ধে ইইউ রাষ্ট্রগুলো থেকে নিন্দার ঝড় উঠে। ১১ অক্টোবর ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেন সম্মিলিত বিবৃতিতে ‘ক্ষোভ’ প্রকাশ করে। শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলার সমালোচনা করায় জাতিসংঘ ও এর মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ বলে আখ্যা দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই বক্তব্যেরও তীব্র নিন্দা জানান বরেল।

ফ্রান্স এর আগে ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পাশাপাশি অন্যান্য দেশকে একই পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। মে মাসে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) আনা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকেও সমর্থন জানিয়েছে দেশটি। ইসরায়েলের সহিংসতার মাঝে গত শুক্রবার লেবানন সফর করেন ইতালির প্রেসিডেন্ট জর্জিয়া মেলোনি। তিনিও ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। ইসরায়েলের তৃতীয় সর্বোচ্চ অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ ছিল ইতালি। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গত বুধবার জানান, দুজন ইসরায়েলি মন্ত্রীকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে তার প্রশাসন। সে দুজন হচ্ছেন- ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ।

গতবছর ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইইউ ঢালাওভাবে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়। তবে গত এক বছরে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড অনেক ইউরোপীয় দেশেই মতভেদ তৈরি করেছে। গাজায় গণহত্যার মাঝে গত মে মাসে স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে একসঙ্গে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে ফ্রান্স, ইতালির মতো দেশগুলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যের মতো অনেক দেশ দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নিলেও দুএক প্রসঙ্গে ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়েছে। তবে জার্মানি এখনো ইসরায়েলকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর ইসরায়েলকে সর্বোচ্চ অস্ত্র সহায়তা দেয় জার্মানি। ইসরায়েলে মোট অস্ত্র সরবরাহের ৩০ শতাংশই আসে জার্মানি থেকে।

ইমোজির সার – সংক্ষেপ

ইমোজির উৎপত্তি হয় ১৯৯০-এর শেষের দিকে জাপানে। ইন্টারফেস ডিজাইনার শিগেতাকা কুরিতা জাপানি টেলিযোগাযোেগ কোম্পানি ডোকোমোর একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে এক সেট ইমোজি তৈরী করেন। প্রাথমিকভাবে, কুরিতা ১২X১২-পিক্সেলের ১৭৬টি সাধারণ প্রতীক বা চিহ্ন তৈরি করেন, যা আবেগ, আবহাওয়া এবং দৈনন্দিন জিনিসপত্রকে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হতো। এই ইমোজিগুলো তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিলো মোবাইল যোগাযোগের অভিজ্ঞতাকে আরও উপভোগ্য করা এবং টেক্সট মেসেজের সীমিত স্পেসের আরও কার্যকর ব্যবহার করা। এই ইমোজি সৃষ্টির মূল অনুপ্রেরণা আসে পিষ্টোগ্রাম এবং জাপানি মাঙ্গা থেকে, যেখানে বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করে আবেগ ও ক্রিয়াকলাপ প্রকাশ করা হয়।

ইমোজি জাপানে দ্রুত জনপ্রিয় হয় এবং সাফল্যের ফলে বিশ্বব্যাপী মোবাইল প্রযুক্তির অংশ হয়ে ওঠে। তবে ইমোজির বিবর্তনে বড় পরিবর্তনটি আসে ২০১০ সালে, যখন ইউনিকোড তাদের টেক্সট এনকোডিংয়ের স্ট্যান্ডার্ড কাঠামোর ভিতরে ইমোজি চরিত্রগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। এই স্ট্যান্ডার্ডাইজেশনের ফলে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং ডিভাইসে ইমোজির সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিসপ্লে সম্ভব হয়, আর এই পরিবর্তনটা ইমোজিকে বিশ্বজুড়ে দুর্দান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করে দেয়। এরপর সময়ের সাথে সাথে ইমোজিতে নানান ধরণের পরিবর্তন আসতে থাকে। যেমন বিভিন্ন স্কিন কালারের ইমোজি, লিঙ্গভিত্তিক ইমোজি, সংস্কৃতিভিত্তিক ইমোজি এবং আরো কত কি।

অনেকেই আছেন ইমোজির অনেক ব্যবহার করেন আবার কেউ হয়তো একটু কম করেন, কেউ আবার ইমোজির ব্যবহার একদমই পছন্দ করেন না। ইমোজি ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধা দুটিই আছে। ইতিবাচক দিকগুলির মধ্যে রয়েছে, ইমোজিগুলো আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করে যা শুধুমাত্র লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা অনেক সময় বেশ কঠিন, বিশেষত ক্যাজুয়াল ডিজিটাল কথোপকথনে যেখানে অ-মৌখিক সংকেত (non-verbal cues) যেমন মুখভঙ্গি (facial expression) অনুপস্থিত। ইমোজি ক্ষেত্রবিশেষে কথার অর্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং লেখার অস্পষ্টতা কমায়। ইমোজির ভিজ্যুয়াল প্রতীক ভাষার সীমানা পেরিয়ে সর্বজনীন যোগাযোগের সুযোগ দেয়।

ইমোজির সব যে ভালো তা নয়। সমালোচকরা বলেন যে ইমোজি যোগাযোগকে নেতিবাচকভাবে সরলীকৃত করে। তারা বলেন, কষ্ট কমাতে আর আলসেমির কারণে আমরা জটিল ভাষার পরিবর্তে শর্টকাটে সাধারণ প্রতীকের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করি, যার ফলে ভাষার গভীরতা কমে যায়। তদুপরি, ব্যক্তিবিশেষে সাংস্কৃতিক পার্থক্যের কারণে একই ইমোজিকে একেকজন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে, যার ফলে অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝি হওয়াও সম্ভব। আরো বলা হয় যে ইমোজির উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা লেখার দক্ষতা এবং সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

জেড আই খান পান্নাকে চেনেন না হত্যাচেষ্টা মামলার বাদী

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে আদালতে যাওয়া সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে যে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি করা হয়েছে, সেই মামলার বাদী মোহাম্মদ বাকের (৫২) আসামিকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন। সবজি বিক্রেতা বাকের গত ১৭ অক্টোবর তার ছেলে আহাদুল ইসলামকে (২৫) হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর বনশ্রী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। সোমবার শুনানি শেষে হাইকোর্ট পান্নার আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন। রোববার বাকের জানান, তিনি জেড আই খান পান্নাকে চেনেন না এবং কীভাবে তার নাম আসামির তালিকায় এসেছে সেটাও জানেন না।

বাকের মোবাইলে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জসিম নামে একজন আইনজীবী এবং আরও কয়েকজন এই তালিকা তৈরি করেছেন। আমি কেবল এফআইআরে সই করেছি।’ বাকেরের ভাষ্য, তিনি তার ছেলের জন্য ন্যায়বিচার চান। তাই মামলা দায়েরের জন্য তিনি তাদের সহযোগিতা চেয়েছিলেন। বাকের আরও জানান, আইনজীবী জসিমের বিস্তারিত তথ্য তার কাছে নেই। পরে বনশ্রীর মেরাদিয়া এলাকায় ঘুরে অনেকের সঙ্গে কথা বলেও জসিমের সম্পর্কে জানা যায়নি। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘নতুন শুরুর’ বক্তব্য, ৭ মার্চসহ বেশ কয়েকটি জাতীয় দিবস বাতিলসহ বিভিন্ন ইস্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করেন পান্না। অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সারাদেশে হত্যা মামলা দায়েরের সমালোচনাও করেন তিনি।

মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ অভিহিত করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র-এর বিবৃতিতে বলা হয়, জেড আই খান পান্না বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই ছাত্রদের ন্যায়সঙ্গত দাবি এবং তাদের নেতৃবৃন্দকে আটকের ঘটনায় আইনি লড়াইয়ে সম্পৃক্ত থেকেছেন। তার নীতি এবং আদর্শের জায়গায় তিনি সরব ছিলেন। আস্ক মনে করে, মানবাধিকার বিষয়ে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট-সংশ্লিষ্ট আলোচনা, মতামত ও বক্তব্য সংক্রান্ত কোনো ভূমিকায় কোনো পক্ষের অসন্তুষ্টি থেকে জেড আই খান পান্নার বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা দায়ের করা হতে পারে।

হত্যাচেষ্টা মামলার বাদী মো. বাকের প্রথম আলোকে বলেন, তিনি জেড আই খান পান্নাকে চেনেন না। বিএনপি ও জামায়াতের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি এ মামলা করেছেন। আর এ কাজে পুলিশ সহযোগিতা করেছে। দুপুর ১২টার দিকে থানায় এসে বাকেরই আবার আইনজীবী পান্নাকে বাদ দেওয়ার আবেদন জানান। খিলগাঁও থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাদী মো. বাকেরের আবেদন পেয়েছি। উনি নিজে এসেই তা দিয়ে গেছেন। দেখুন, সেখানে ওনার স্বাক্ষরও আছে। আমি এই আবেদন এখন তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়ে দেব। তাঁকে চাপ দিয়ে নাম প্রত্যাহার করার আবেদন করানো হয়নি। নিজে থেকেই দিয়েছেন।’

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোতে মামলা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই এসব মামলার আসামির তালিকা তৈরি পেছনে রয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। মামলাগুলোতে ‘ইচ্ছেমতো’ আসামি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমন প্রেক্ষিতে ১৪ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের মাধ্যমে যাঁরা অপতৎপরতা চালাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।