• ট্রাম্প প্রশাসন ১৯ মার্চ গুরুত্বপূর্ণ এই নথি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে।
• JFK হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত এই ফাইলগুলোর মধ্যে “দশকের পর দশক ধরে পুরনো গোপন তথ্য” রয়েছে।
• এতে FBI এবং CIA-এর রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এগুলো ঐতিহাসিক বর্ণনার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
১৯৬৩ সালে কী ঘটেছিল?
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ২২ নভেম্বর ১৯৬৩ সালে টেক্সাসের ডালাসে নিহত হন।
• সাবেক মার্কিন মেরিন লি ওসওয়াল্ড তাকে গুলি করে হত্যা করার সময় কেনেডি তার স্ত্রী জ্যাকুলিনের সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন।
• গুলির পরপরই মোটরকেডটি হাসপাতালে ছুটে যায়, যেখানে কেনেডিকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৩০ মিনিট পর কেনেডিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
তদন্ত
• মার্কিন সরকার JFK হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য ওয়ারেন কমিশন গঠন করে ১০ মাস পর একটি প্রতিবেদন জমা দেয়।
• ৮৮৮ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি সেপ্টেম্বর ১৯৬৪ সালে প্রেসিডেন্ট জনসনের কাছে জমা দেওয়া হয় এবং তিন দিন পর তা প্রকাশ করা হয়।
• এতে উল্লেখ করা হয় যে, ওসওয়াল্ড হত্যার কাজ করেছিল এবং কোনো ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
• পরবর্তী ফেডারেল তদন্তগুলো ওয়ারেন কমিশনের রিপোর্টের সঙ্গে একমত পোষণ করে, যার মধ্যে রকফেলার কমিশনও রয়েছে।
কিন্তু…
• JFK হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি মার্কিন সমাজকে কয়েক দশক ধরে বিমোহিত করে রেখেছে।
• বহু জরিপে দেখা গেছে, বেশিরভাগ আমেরিকান এই ঘটনার সরকারি ব্যাখ্যাকে এখন অব্ধি সন্দেহের চোখে দেখে।
• ২০২৩ সালের গ্যালাপ জরিপে ৬৫% আমেরিকান ওয়ারেন কমিশনের ফলাফলকে গ্রহণ করেনি।
• জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ২০% বিশ্বাস করে যে ওসওয়াল্ড মার্কিন সরকারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিল, আর ১৬% মনে করে সে CIA-এর হয়ে কাজ করেছিল।
ট্রাম্প কী বলেছেন
• ট্রাম্প JFK হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত সব ফাইল প্রকাশের নির্দেশ দেন এবং বলেন, “এটি খুবই আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে!”
• তার প্রশাসন JFK-এর ভাই এবং নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রতীক মার্টিন লুথার কিং হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত নথিও প্রকাশ করবে।
• মার্কিন জাতীয় সংরক্ষণাগার JFK হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত হাজার হাজার নথি প্রকাশ করেছে, তবে আরও হাজারো নথি এখনো গোপন রাখা হয়েছে।


