বাবলসিপ্যাপ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বল্প ব্যয়ের ও সহজে ব্যবহারযোগ্য এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ দেখায়নি।
শিশুদের তীব্র নিউমোনিয়া ও অক্সিজেনের ঘাটতি মোকাবিলায় ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া ও মালাবি –আফ্রিকার এই তিন দেশের ৪০টি হাসপাতালে গত আগস্ট থেকে বাবলসিপ্যাপ ব্যবহার শুরু হয়েছে। বাবলসিপ্যাপ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বল্প ব্যয়ের ও সহজে ব্যবহারযোগ্য এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ দেখায়নি।
বাবল কনটিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার (বাবলসিপ্যাপ) উদ্ভাবন করেছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসি- ডিডিআরবি) বিজ্ঞানী মোহাম্মদ জুবায়ের চিশতি ও তাঁর কিছু সহকর্মী। প্লাস্টিকের বোতল, একটি নল ও কিছু সরঞ্জাম দিয়ে এটি তৈরি। খরচ প্রায় দুই ডলার (২৪০ টাকা)।
এই প্রযুক্তি দিয়ে তীব্র নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত বা অক্সিজেন স্বল্পতায় ভোগা শিশুদের অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব। আইসিডিডিআরবির ইতিহাসে সেরা উদ্ভাবনগুলোর একটি বাবলসিপ্যাপ, অনেকে মনেকরেন ।
সমস্যায় থাকা শিশুদের অক্সিজেন দেওয়ার জন্য বাজারে পাওয়া যায় বা হাসপাতালে ব্যবহার হওয়া যন্ত্রগুলো জটিল ও ব্যয়বহুল। যন্ত্রগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। দেশের সব হাসপাতালে এই যন্ত্র নেই।
গবেষণায় দেখা যায়, চিশতির বাবলসিপ্যাপ ব্যবহারে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি ৭৫% কমে যায়। এ নিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানসেটে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ ছাপা হয় ।কম খরচে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সহজে তৈরিযোগ্য বিবেচনায় এই প্রযুক্তির ব্যাপারে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশগুলো। কিন্তু এত দিনেও বাংলাদেশের কোনো সরকারি হাসপাতালে এর ব্যবহার শুরু হয়নি।
গবেষণায় দেখা যায়, চিশতির বাবলসিপ্যাপ ব্যবহারে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি ৭৫% কমে যায়। এ নিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানসেটে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ ছাপা হয় । কম খরচে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সহজে তৈরিযোগ্য বিবেচনায় এই প্রযুক্তির ব্যাপারে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশগুলো। কিন্তু এত দিনেও বাংলাদেশের কোনো সরকারি হাসপাতালে এর ব্যবহার শুরু হয়নি।


