ইদানীং অনেককেই বলতে শোনা যায়, মনে রাখার ক্ষমতা হারাচ্ছেন-ঘন ঘন ভুলে যাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের স্মৃতিভ্রষ্টতা দৈনন্দিন জীবনে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। পুষ্টিবিদদের মতে, ছোটবেলা থেকেই স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনা দরকার।বিশেষ করে বাদাম জাতীয় খাবার, যেমন—কাঠবাদাম ও আখরোট, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নয়নে কার্যকর বলে ধরা হয়।
কাঠবাদাম ও আখরোট—উভয়ই মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে আখরোটে কাঠবাদামের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এই উপাদানটি মস্তিষ্কের কোষ সক্রিয় রাখতে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং মনোযোগ উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই যারা প্রায়ই ভুলে যান বা মনোযোগের ঘাটতিতে ভুগছেন, তাদের জন্য আখরোট একটি ভালো সমাধান হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিদিন ২-৪টি আখরোট খাওয়া যথেষ্ট। যেকোনো সময় এটি খাওয়া গেলেও সকালের দিকে খাওয়াকে বেশি কার্যকর ধরা হয় ।কাঠবাদামও উপকারী, বিশেষ করে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে এর পুষ্টিগুণ দ্বিগুণভাবে শরীরে কাজ করে।
তবে শুধু বাদামেই সীমাবদ্ধ নয় স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবারের তালিকা। সবুজ শাকসবজি, চিনা বাদাম, হলুদ, বেরি, ডিম, ব্রকোলি এবং ডার্ক চকলেটের মতো খাবারও মস্তিষ্ককে সতেজ ও সক্রিয় রাখতে সহায়তা করে। সব মিলিয়ে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গ্রহণই মূল চাবিকাঠি।


