ঈদ উৎসব ঘিরে বাড়ছে কেনাকাটা। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবারের ঈদে ক্রেতা সমাগম বাড়লেও গত বছরের তুলনায় বিক্রি এখনো ৩০% কম। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে এক লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকার মতো ব্যবসা হয়। তার আগের বছর ২০২৩ সালে ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসা হয় এক লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এবার ঈদ কেন্দ্রিক বিক্রি আড়াই লাখ কোটি টাকার কম হতে পারে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। সাধারণত প্রতিবছর বিক্রি কমপক্ষে ১০% বাড়ে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদ কেন্দ্রিক ক্রেতারা যে অর্থ ব্যয় করেন, তার ৮০%-ই যায় পোশাকের জন্য। পাশাপাশি জুতা, অর্নামেন্টস, প্রসাধনী, ঘর সাজানোর জিনিস এবং কিছু আসবাবও বিক্রি হয়।
দোকান, শপিং মল ছাড়াই ঈদ কেনাকাটা হচ্ছে ই-কমার্সেও। অনলাইনেও এবার বেচাকেনা কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফুটপাতের মার্কেটগুলোতে দেখা যাচ্ছে অল্প টাকায় দরদাম করে নিম্নবিত্তদের পোশাক কেনার পরিবর্তে এক দামে মধ্যবিত্তরাই কিনছে বেশি।ঈদের কেনাকাটা বেশিরভাগ নিম্নবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষ খরচ কমাতে বাধ্য হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা চলছে। শ্রমিক অসন্তোষসহ নানা কারণে শতাধিক শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে লাখো কর্মী কাজ হারিয়েছেন। এতে কমেছে তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা।


