রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আ ফ ম মাহবুবুল হক স্মৃতি সংসদ আয়োজিত আলোচনা সভায় অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন – ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্লোগান গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে আছে। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যাদের হাতে ক্ষমতা, তাদের মধ্যে বৈষম্যবাদী রাজনীতি করার প্রবণতা বেশি। ধর্মীয়ভাবে বৈষম্য, জাতিগতভাবে বৈষম্য, শ্রেণিগতভাবে বৈষম্য, লৈঙ্গিক বৈষম্যের রাজনীতি দেখা যাচ্ছে। যাঁরা সরকারে আছেন, তাঁরা সবকিছু নতুন করে সাজাতে চান। পুরোপুরি নতুন তো কেউ হতে পারবে না। সেটা করতে গিয়ে একাত্তরকে ছোট করা বা একাত্তর বাদ দেওয়া, এগুলো হচ্ছে খুবই আত্মঘাতী প্রবণতা কিংবা অনৈতিহাসিক প্রবণতা।
পরিবর্তন তো হতেই হবে। তার মধ্যে নতুন নতুন উপাদান আসবে। তার অর্থ এটা নয় যে আগেরটা বাতিল হয়ে গেছে। জনপন্থী রাজনীতির অভাব রয়েছে। একই শ্রেণিরই আরেক রকম অবস্থান দেখতে পাচ্ছি। ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের মতোই কথাবার্তা দেখতে পাচ্ছি কিংবা ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কথাও দেখতে পাচ্ছি। এরা সবাই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ স্বপ্নের বিরোধী। এরা তো বৈষম্যবাদী রাজনীতি করতে চাচ্ছে। এরা স্বৈরতান্ত্রিক ভাব ও ভাষা নিয়ে এসেছে।’


