আ্ইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির প্রথম সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সঠিক তথ্য প্রমাণ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের গ্রেফতার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়। ১০ সেপ্টেম্বর পুলিশ অধিদফতরের ডিআইজি (কনফেডেন্সিয়াল) কামরুল হাসানের সই করা একটি চিঠি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। তবে সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে কি হবে তা নিয়ে ধোঁয়াসা রয়েছে।
গণঅভ্যুথ্থান পরবর্তি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা-সদস্য, রাজনীতিক, নেতাকর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন জনকে গণহারে আসামি করে প্রায় পৌনে তিনশ মামলা হয়েছে আদালতে এবং বিভিন্ন থানায়। এসব মামলায় নাম প্রকাশ করে আসামি করা হয়েছে ২৬ হাজারের বেশি মানুষকে, অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছে দেড় লাখের ওপর। সমালোচনার প্রেক্ষিতে উপদেষ্টাদের পক্ষ থেকে গণহারে মামলার বিষয়ে কাউকে হয়রানি করা হবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। গ্রেপ্তারকৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সিংহভাগই পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সদস্য। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্ট পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় আটশ পুলিশ সদস্য এখনো কাজে যোগ দেননি। পলাতক রয়েছেন আটজন এএসপি থেকে ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ ডিএমপির ২৭ সদস্য।
প্রসংগত গত ৪ জুলাই ২০২৩, সরকারি কর্মচারী গ্রেপ্তারে সরকারি কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি সংক্রান্ত ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল-২০২৩’ পাস হয়।


