নাসিরনগর উপজেলার সামনে এক সাংবাদিককে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। অভিযোগ হয়েছে তিনি শহীদ মিনারে একটি ঘটনার ভিডিও ধারণ করার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতার নির্দেশে বিএনপির ছাত্র ও যুব দলের সদস্যরা এটি ঘটিয়েছে।ঘটনাটি ২১ তারিখ রাত ১২:১৫টার দিকে শহীদ মিনারের সামনে ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খায়রুল আলম। ভুক্তভোগী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ দৈনিক কণ্ঠবেলা ও এনটিভি অনলাইনের নাসিরনগর উপজেলা সংবাদদাতা। তিনি মুখ, মাথা এবং চোখে আঘাত পেয়েছেন। তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আবদুল্লাহ বলেন, শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ বিএনপির কর্মীরা জড়ো হয়েছিল। যখন “নাগরিক কমিটি” নামক একটি গ্রুপ একটি ফুলের তোড়া রাখার চেষ্টা করছিল তখন যুবদল ও ছাত্রদলের কর্মীরা তার সদস্য জিএম সোহেলকে আক্রমণ করেন ও তাকে ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সদস্য বলে অভিযোগ করেন। এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করার সময় ১০-১২ জন বিএনপি কর্মী আবদুল্লাহকে আক্রমণ করেন। যাদের মধ্যে বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কেএম বাসির উদ্দিন তুহিন এবং তার ভাতিজা কেএম মারজান ও কেএম নাসির প্রধান ছিলেন তারা তাকে বেধড়ক পেটান। বাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি বেশ কয়েকটি ফোন কলের পরেও সাড়া দেননি।
নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ হান্নান বলেন, “আমি সাংবাদিকের ওপর আক্রমণের ঘটনা শুনেছি। তবে আমি শহীদ মিনারের মূল মঞ্চে ছিলাম। যেখানে ঘটনা ঘটেনি। বাসির এ ব্যাপারে ভালোভাবে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”ওসি বলেন, পুলিশ ভুক্তভোগী জিএম সোহেলকে নিরাপত্তা দিতে গিয়ে আবদুল্লাহর ওপর আক্রমণের সময় হস্তক্ষেপ করেছিল। “ঘটনার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে,” বলে তিনি যোগ করেন।


