গত বছর বাংলাদেশে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এটি ঘটেছে মূলত রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ফলে। ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত বছর মোট ১০০৯,১৪৬ জন শ্রমিক বিদেশে গেছেন।২০২৩ সালের ১৩৯০,৮১১ জনের তুলনায় এটি ২৭.৪% কম। এই হ্রাসের পেছনে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা ছিল প্রধান কারণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। ধারনা করা হচ্ছে এটি কর্মীদের বিদেশে কাজের আগ্রহও কমিয়ে দিতে পারে। এছাড়া মহিলা শ্রমিকদের বিদেশে কর্মসংস্থানে অংশগ্রহণ তুলনামূলক বেড়েছে। এ দ্বারা বিদেশী শ্রম বাজারে নারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে মোট শ্রমিক সংখ্যার হ্রাস সত্ত্বেও মহিলাদের বিএমইটি নিবন্ধন দ্বিগুণ হয়ে ৪.৭৯ শতাংশে পৌঁছেছে। যা বিদেশী চাকরির প্রতি নারীদের আগ্রহের বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
এদিকে এখনও বাংলাদেশের শ্রমিকদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে রয়ে গেছে সৌদি আরব। যেখানে ৬২.১৭শতাংশ শ্রমিক পাঠানো হয়েছে। তবে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর সংখ্যা কিছুটা কমে গেছে। দেশটির বিদেশী শ্রম নীতির পরিবর্তনের কারণে এমনটি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলো বাংলাদেশের শ্রম বাজারের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে এবং সঠিক প্রশিক্ষণ ও সহায়তার মাধ্যমে বিদেশি শ্রম বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হতে পারে।


