মাঝ সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য/প্রতি বুধবার,চোখ রাখুন, ফলো করুন আমাদের পেইজ

মধ্যপ্রাচ্যে কোন কিছুই কখনও ভুলে যাওয়া বা ক্ষমা করা হয় না- মাইকেল কোর্দা। এ সংখ্যায়, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্ব, তুরস্কের দোটানা, হেজবুল্লাহ’র চল্লিশ প্রথম মানসিক হাসপাতাল।

মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?- লুই বারুচ্চো। জ্বালানি সম্পদ, বাণিজ্য রুট, ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে দেশটির স্থায়ী মিত্রতা- এগুলোকে অঞ্চলটির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের কারণ হিসেবে দেখে থাকেন বিশ্লেষকরা। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনার সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমেছে। ২০০৭ সালে কেবল ইরাকেই যেখানে ১ লাখ ৬০ হাজার সেনা ছিল, সেখানে মিশর থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত সবমিলিয়ে বর্তমানে এই সংখ্যা ৪০ হাজারেরও কম। যুক্তরাষ্ট্রের নিজ ভূমিতেই শেল গ্যাস বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১৫ বছরে দেশটিতে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যখন মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে আনছে তখন চীন মধ্যপ্রাচ্যের তেলের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এর অর্থ হলো- মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের বিষয়ে বেশ কিছু কৌশলগত সুবিধা দেয়। মধ্যপ্রাচ্য আমেরিকান পণ্য ও পরিষেবা বিশেষ করে সামরিক হার্ডওয়্যারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার। মোট মার্কিন অস্ত্র রপ্তানির ৩৮ শতাংশই গেছে মধ্যপ্রাচ্যে।

এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের লোহিত সাগর, মিশরের সুয়েজ খাল এবং ইরানের অদূরে হরমুজ প্রণালী ইত্যাদি বৈশ্বিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা মার্কিন অর্থনীতির জন্য এখনও গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকাকে সংযুক্ত করা মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত অবস্থান মার্কিন বাণিজ্য ও সামরিক অভিযানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঐতিহাসিকভাবে তেলের চাহিদা আর কমিউনিজমের প্রভাব রুখে দেয়া-মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল আগ্রহের কেন্দ্রে থাকলেও বর্তমানে অঞ্চলটি চীন এবং রাশিয়ার সঙ্গে ক্ষমতা প্রতিযোগিতার মূল নাট্যমঞ্চ। ওয়াশিংটন ডিসি’র সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ নাতাশা হল বলেন- দুঃশাসন, আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাব আর মধ্যপ্রাচ্যে অত্যাচার ও সাম্রাজ্যবাদের ধারণার কারণেই সন্ত্রাসবাদ বিদ্যমান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন সন্ত্রাসবাদের উপসর্গ দমনের চেষ্টা করে, কারণগুলোর সমাধান করে না। ফলে অনুমিতভাবেই তা অব্যাহত থাকে এবং বৃদ্ধি পায়। ওয়াশিংটন ডিসির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক স্টিমসন সেন্টারের কেলি এ গ্রিয়েকোর মতো কারো কারো মতে – মধ্যপ্রাচ্য থেকে

যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা উচিৎ। এতে করে ‘ইন্দো-প্যাসিফিকের মতো যে জায়গাগুলোতে’ প্রয়োজন, সেখানে এই সম্পদ স্থানান্তর করা যাবে। মি. এলগিন্ডি বলছেন তিনি ‘অদূর ভবিষ্যতের কোনো সময়ে’ অঞ্চলটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাবার সম্ভাবনা দেখছেন না। এটি করার জন্য মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের পুনর্মূল্যায়নসহ ‘এক ধরনের প্যারাডাইম শিফট’ বা কাঠামোর পরিবর্তন প্রয়োজন, বলে মনে করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র না রাশিয়া- কোন্ দিকে যাবে তুরস্ক?সাহার কামিংস। তুরস্ক ন্যাটোভুক্ত দেশ হলেও সিরিয়া ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থান পশ্চিমের সঙ্গে দেশটির বিবাদ ও অস্বস্তির কারণ হয়েছে। কেননা সিরিয়া প্রশ্নে তুরস্ক রাশিয়া ও ইরানের পথ অনুসরণ করছে। গত কয়েক বছরে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তুরস্কের সঙ্গে পশ্চিমের আরও কিছু বিষয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে রাশিয়া থেকে।

পাইপলাইনে করে তুরস্কে তেল ও গ্যাস সরবরাহ, তুরস্কের কাছে রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা- ব্যবস্থাসহ অন্য অস্ত্র বিক্রি, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে রাশিয়ার কারিগরি সহায়তা এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধি। এ ছাড়া ন্যাটোর মধ্যে তুরস্ক একমাত্র দেশ, যারা ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাকে পাশ কাটিয়ে রাশিয়ার জ্বালানি চীন ও ইরানে পরিবহনে করেছে তুরস্ক। তুরস্কের যে অনন্য ভৌগোলিক অবস্থান, সেটাকে ব্যবহার করে দেশটি ন্যাটোতে প্রাচ্য ও পশ্চিমের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। ন্যাটোতে ফিনল্যান্ডের যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে তুরস্ক মূল ভূমিকা পালন করেছে। সুইডেনের ক্ষেত্রেও প্রথমে মৃদু আপত্তি করলেও ওয়াশিংটনের দিক থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রি করার প্রস্তাবে সেই আপত্তি তুলে নেয় তারা। দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতি, প্রাচুর্যময় প্রাকৃতিক সম্পদ, অনন্য ভৌগোলিক অবস্থান-এসব কারণে তুরস্ক একই সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্ব এবং প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া ও চীনের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।

চল্লিশে পা দিচ্ছে হেজবুল্লাহ। সংক্ষিপ্ত ইতিহাস -ফখরুদ্দিন কবির আতিক। লেবানন প্রায় ৬০ লাখ জনসংখ্যার একটি জাতি। দেশটির প্রধান ধর্মীয় গ্রুপগুলোর মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালিত হয়। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হন সুন্নি মুসলিম, জাতীয় সংসদের স্পিকার হন শিয়া এবং প্রেসিডেন্ট হন খ্রিস্টান সম্প্রদায় থেকে। জনসংখ্যার ৩২.৪% খ্রিস্টান, ৩১.৯% সুন্নি, ৩১.২% শিয়া, ৪.৫% দ্রুজ এবং অন্যান্য। শিয়া হেজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ গত শতাব্দীর আশির দশকের শুরুতে। তবে এর আদর্শিক বীজবপন হয় ষাট ও সত্তরের দশকে লেবাননে শিয়া ইসলামিক পুনর্জাগরণের দিনগুলোতে। ১৯৮২ সালে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠীর আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় দক্ষিণ লেবাননে আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। সে সময় লেবাননের প্রভাবশালী সংগঠন মধ্যপন্থী ‘আমল মুভমেন্ট’ থেকে সশস্ত্র লড়াইয়ে বেশি আগ্রহী, এমন একটি অংশ বেরিয়ে ‘ইসলামিক আমল’ নামে নতুন একটি সংগঠন গড়ে তোলে। সংগঠনটি ইরানের রেভ্যুলশনারি গার্ডের কাছ থেকে সামরিক ও সাংগঠনিক সহায়তা পায় এবং সবচেয়ে কার্যকরী শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

যাদের হাতে পরবর্তীতে হিজবুল্লাহ গঠিত হয়। ‘ইসলামিক আমলের’ মত গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলি বাহিনী ও তার মিত্র, খ্রিস্টান সাউথ লেবানন আর্মি (এসএলএ) এর ওপর হামলা চালায়। অন্যান্য বিদেশি শক্তিও তাদের আক্রমণের লক্ষ্যে পরিণত হয়। ১৯৮৩ সালে মার্কিন দূতাবাস এবং ইউএস মেরিন ব্যারাকে বোমা হামলায় তারা জড়িত ছিল। ওই হামলাগুলোতে ২৫৮ মার্কিন এবং ৫৮ ফ্রেঞ্চ কর্মী নিহত হন। ১৯৮৫ সালে একটি ‘খোলা চিঠি’ প্রকাশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের উপস্থিতি জানায় হিজবুল্লাহ। যুক্তরাষ্ট্র এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে ইসলামের মূল শত্রু বলে চিহ্নিত করে তারা। ইসরায়েল মুসলিমদের ভূমি দখল করে আছে বলে দেশটিকে ধ্বংসের ডাক দেয় চিঠিতে। লেবাননে গৃহযুদ্ধের অবসান এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাতে ১৯৮৯ সালে তায়েফ চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সশস্ত্র সংগঠনগুলোর নিরস্ত্রীকরণের প্রশ্নে হিজবুল্লাহ তাদের সামরিক শাখাকে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’ নামে রিব্র্যান্ড করে। নিজেদের অস্ত্র সমর্পণ না করে রেখে দেয়ার সুযোগ পায়। ১৯৯০ সালে সিরিয়ার সেনাবাহিনী লেবাননে শান্তি স্থাপনে নিয়োজিত হবার পর, হেজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে।

লেবানিজ রাজনীতিতেও সক্রিয় হতে শুরু করে তারা। ১৯৯২ সালে সফলভাবে জাতীয় নির্বাচনে অংশও নেয়। অবশেষে ২০০০ সালে ইসরায়েল যখন লেবানন থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করে নেয়, তাদের তাড়িয়ে দেয়ার কৃতিত্ব দেয়া হয় হেজবুল্লাহকে। সেসময় আবারও হেজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের প্রশ্ন উঠলেও সেই চাপ প্রতিহত করে গোষ্ঠীটি এবং দক্ষিণাঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখে। ২০০৬ সালে সীমান্তের ওপাড়ে হেজবুল্লাহর আক্রমণে আট ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়, অপহৃত হয় দুইজন। তীব্র জবাব দেয় ইসরায়েল। ৩৪ দিন ধরে চলা সংঘাতে অন্তত ১১২৫ জন লেবানিজ মারা যান, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক। অন্যদিকে, ইসরায়েলের ১১৯ সেনা এবং ৪৫ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরও হেজবুল্লাহ টিকে যায় এবং পরবর্তীতে আরো শক্তিশালী হয়ে আবির্ভূত হয়। সেই থেকে নতুন যোদ্ধা সংগ্রহ ও অস্ত্রের উৎকর্ষ ঘটিয়ে সামর্থ্য বৃদ্ধি করে চলেছে তারা। ২০০৮ সালে লেবাননের পশ্চিম সমর্থিত সরকার হেজবুল্লাহর নিজস্ব টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়ার উদ্যোগ নিলে রাজধানীর অনেক অংশের দখল নেয় হিজবুল্লাহ। লড়াই করতে থাকে সুন্নী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ৮১ জন নিহত হয়, দেশ উপনীত হয় গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে। সরকার নিজের অবস্থান থেকে পিছু হটে এবং হিজবুল্লাহর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তি করে। ওই চুক্তি মন্ত্রিসভার যেকোনো সিদ্ধান্তকে ভেটো দেয়ার ক্ষমতা দেয় হিজবুল্লাহ ও তার মিত্রদের। ২০০৯ সালের নির্বাচনে সংসদের ১০টি আসনে জিতে জোট সরকারের অংশীদার হয় গোষ্ঠীটি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে হেজবুল্লাহ সমর্থিত জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ২০০৯ সালের শেষ নাগাদ নতুন এক রাজনৈতিক ইশতেহার সামনে আনেন হেজবুল্লাহর সেক্রেটারি জেনারেল শেখ হাসান নাসরাল্লাহ। যেটিকে সংগঠনের ‘পলিটিক্যাল ভিশন’ বা রাজনৈতিক দর্শন হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়। সিরিয়া ও ইরানের সঙ্গে সখ্যতার কারণে প্রতিপক্ষ আরব দেশগুলোর কাছে চক্ষুশূল হয়ে ওঠে হেজবুল্লাহ। ২০১৬ সালে সৌদি আরবের উদ্যোগে শিয়া গোষ্ঠীটিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করে আরব লীগ। তবে ২০২৪ সালে হিজবুল্লাহর ওপর থেকে সন্ত্রাসী তকমা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরব লীগ। কারণ গোষ্ঠীটি বর্তমান রাজনীতি ও লেবাননের ভবিষ্যত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আরবরা গড়েছিল পৃথিবীর প্রাচীনতম মানসিক হাসপাতাল। বিশ্বের প্রাচীনতম মানসিক হাসপাতাল তৈরি হয় আরব বিশ্বে – ৮ম ও ৯ম শতকে, বাগদাদ ও কায়রোতে। এই এলাকায় মানসিক রোগীদের প্রায়ই সম্মানের সাথে ‘আল্লাহর প্রভাবে থাকা মানুষ’ হিসাবে দেখা হত। এখনকার কিছু আফ্রিকান উপজাতিও সৌম্যভাবে হ্যালুসিনেশনকে অতীন্দ্রিয়ের সাথে যোগাযোগ হিসাবে বিবেচনা করে। অন্যদের মধ্যে, হিন্দু সংস্কৃতি পশ্চিমা সমাজে যা উদ্ভট আচরণ বলে বিবেচিত হয় তার ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য সহনশীলতা দেখায়। পশ্চিম মানসিক রোগকে ভুত-পিশাচের দখল নেয়া হিসেবে দেখেছে। বেডলামের (লন্ডন ১২৪৭) মত পাগলাগারদগুলোতে রোগীদের বেঁধে রাখা হত, ধরে নেয়া হত তাদের মানবিক অনুভূতি নেই। প্রধান কাজ ছিল এদের সমাজ থেকে দুরে রাখা। আমেরিকায় মানসিক রোগীদের নিলাম হত, আদালতের রায়ে জনপদ থেকে বের করে দেয়ার নিয়ম ছিল। ১৭৭৩ সালে প্রথম ভার্জিনিয়ায় হাসপাতাল তৈরি হয়- ইস্টার্ন লুনাটিক অ্যাসাইলাম। বাস্তবেই মানসিকভাবে অসুস্থদের যত্নের ইতিহাস মানুষের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জাতিসংঘের প্রতিবেদন – বিশ্বে প্রতি ১০ মিনিটে একজন নারী নিকটজনের হাতে খুন

বিশ্বজুড়ে নারীহত্যা বা ফেমিসাইডের ভয়াবহতা ২০২৪ সালে নতুন করে চরম উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা (ইউএনওডিসি) এবং নারী বিষয়ক সংস্থা...

বিএনপির নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ। ...

নির্বাচনে অংশ নিতে পূর্ণ উদ্যমে প্রচারণা কৌশল সাজাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় সূত্র বলছে, তরুণ ভোটারদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এবারের প্রচারণা পরিচালনা করবে...

বিশ্ব অর্থনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে কৌশল পুনর্বিবেচনা করুন খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান

খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেছেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে- যেখানে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত শক্তি ক্রমশ গ্লোবাল সাউথের দিকে সরে যাচ্ছে-বাংলাদেশকে তার অবস্থান নতুন...

বাংলাদেশের রাজনীতিতে উত্তপ্ত মুহূর্ত

- মাইকেল কুগেলম্যানদৈনিক প্রথম আলো থেকে নেয়া বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। গত বছর আন্দোলনকারীদের ওপর...

পার্ল হারবার আক্রমণ কীভাবে জাপানকে অনিবার্য ধ্বংসের মুখে দাঁড় করিয়েছিল?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে জাপানের সাম্রাজ্যবাদ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল ঐতিহাসিক অধ্যায়। ত্রিশের দশক থেকে শুরু করে ১৯৪৫ সালের আত্মসমর্পণের আগ পর্যন্ত...

খেলুন

নিউজ লেটার

বড়রা হাসুন