একজন উদ্যোক্তা বলেন, একের পর এক আন্দোলনে বিদেশি ক্রেতারা উদ্বিগ্ন ও বিরক্ত।
যুদ্ধ আর উচ্চ মূল্যস্ফীতির ধাক্কা কাটিয়ে আবার তৈরি পোশাকের ব্যবসা ফিরছে। পাশাপাশি চীন থেকেও ক্রয়াদেশ স্থানান্তরিত হতে শুরু করেছে। সব মিলিয়ে আগামী বসন্ত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের ভালো ক্রয়াদেশ পেয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো। এমনকি তারপরের শরৎ ও শীত মৌসুমের ক্রয়াদেশ নিয়ে আশাবাদী পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা। তৈরি পোশাকশিল্পের কয়েকজন উদ্যোক্তা জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বেশ কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। সেই কারখানার ক্রয়াদেশ দেশের মধ্যে অন্য কারখানাগুলো পেয়েছে। তবে বর্তমানে সবকিছু ছাপিয়ে শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা ও কারখানার নিরাপত্তা বড় দুশ্চিন্তার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চলতি মাসে ১৫ শতাংশ বার্ষিক মজুরি বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট, নিম্নতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণসহ কয়েকটি দাবিতে আশুলিয়ায় শ্রম অসন্তোষের ঘটনা ঘটছে। এতে সেখানকার বেশ কিছু কারখানায় দিনের পর দিন উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একজন উদ্যোক্তা বলেন, একের পর এক আন্দোলনে বিদেশি ক্রেতারা উদ্বিগ্ন ও বিরক্ত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও কারখানার নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা না গেলে ক্রেতারা আস্থা পাবেন না।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১২ শতাংশ। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকের ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় চীনা পণ্যে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা বলেছেন ট্রাম্প। সেটি হলে চীন থেকে তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ স্থানান্তরিত হবে।


