যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো যেন বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিজ নাগরিকদের প্রতি জারি করা ট্রাভেল অ্যালার্ট বাতিল করে, সেজন্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে; একইসঙ্গে সংখ্যালঘু নির্যাতন করা হচ্ছে বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা মোকাবিলা করতেও সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার বলে মনে করছেন পোশাক শিল্প মালিকরা। এতে ব্যর্থ হলে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প প্রতিযোগী দেশগুলোর কাছে ব্যবসা হারাবে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা। রোববার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেছেন পোশাকখাতের শীর্ষ উদ্যোক্তারা।
বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান, ট্রাভেল অ্যালার্টের কারণে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘নিজ নিজ দেশের সরকারের ট্রাভেল অ্যালার্টের কারণে তাঁরা বাংলাদেশে আসতে স্বস্তিবোধ করছে না। যদিও আমরা তাঁদেরকে বোঝানোর চেষ্টা চালাচ্ছি, কিন্তু তাতে করে দেরী হচ্ছে, ফলে বাধ্য হয়ে আমাদের দেশের বাইরে গিয়ে (বায়ারদের সঙ্গে) দেখা করতে হচ্ছে।’ চলমান অস্থিরতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য আরেকটি বড় বাধা বলে উল্লেখ করেন গোলটেবিল আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা।


