এই প্রদর্শনীতে প্রথমবারের মতো স্থল, সমুদ্র, আকাশ জুড়ে চীনের পারমাণবিক ত্রয়ী প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হলো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং জাহাজ-বিধ্বংসী অস্ত্র। এই প্রদর্শনী চীনের সামরিক আধুনিকীকরণ এবং বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
DF-61 ICBM
নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র।
DF-5C ICBM (উন্নত সংস্করণ)
বর্ধিত বৈশ্বিক পাল্লা এবং একাধিক ওয়ারহেড বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র।
DF-17 হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র
উচ্চ-গতির প্রায় অপ্রতিরোধ্য গ্লাইড ক্ষেপণাস্ত্র।
DF-26D অপর নাম “ক্যারিয়ার কিলার”
প্রশান্ত মহাসাগরে বিমানবাহী রণতরী লক্ষ্য করে ধ্বংস করার জন্য তৈরি।
YJ-21 ক্ষেপণাস্ত্র
দ্রুত আঘাত হানার ক্ষমতাসম্পন্ন পরবর্তী প্রজন্মের জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।
GJ-11 “Sharp Sword” UCAV
একটি স্টিলথ যুদ্ধ ড্রোন, যা যুদ্ধবিমানের বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
Jinglei-1 Air-Launched ক্ষেপণাস্ত্র
এটি আকাশ থেকে হামলা চালানোর সক্ষমতা যুক্ত করে চীনের পারমাণবিক ত্রয়ীকে আরও শক্তিশালী করবে।
J-15T & J-35 Jets
এটি বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালনার উপযোগী যুদ্ধবিমান, যার মধ্যে একটি স্টিলথ মডেলও রয়েছে।
AJX-002 Sea Drone
এটি একটি রোবটিক সাবমেরিন ড্রোন এটি পানির নিচের যুদ্ধের প্রযুক্তিতে একটি বড় অগ্রগতি।
ZTZ-99 Type 100 Tank
আধুনিক উচ্চ-প্রযুক্তি যুদ্ধের জন্য নকশা করা চতুর্থ প্রজন্মের ট্যাঙ্ক।
HQ-29 Anti-Satellite System
একটি মহাকাশ যুদ্ধ ব্যবস্থা, যা উপগ্রহও ধ্বংস করতে সক্ষম বলে জানা গেছে।


