উন্নয়ন গবেষণা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা সংস্থা ইনোভিশন কনসাল্টিং জানার চেষ্টা করেছে এখন নির্বাচন হলে ফলাফল কি দাঁড়াবে। বাংলাদেশ স্পিকস নামের একটি মাইক্রো-পোলিং প্ল্যাটফর্ম ২৯ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ জরিপ পরিচালনা করে। ৫০টি জেলায় মাঠ পর্যায়ে ৫ হাজার ১১৫ নমুনা এবং অনলাইনে ৬৪টি জেলায় ৩ হাজার ৫৮১ নমুনার তথ্যবিশ্লেষণ করা হয়েছে।
দুই জরিপেই মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো পিছিয়ে আছে। বিশেষ করে অনলাইন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রত্যাখ্যান করার প্রবলতা স্পষ্ট। স্বল্প আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও অনলাইনে সক্রিয় নন এমন বয়সভিত্তিক, লিঙ্গভিত্তিক, ও পেশাভিত্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই এখনো নিশ্চিত নন যে তাঁরা কাকে ভোট দেবেন। মাঠ জরিপে, কৃষক ও শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিএনপির সমর্থন বেশি। কিন্তু শিক্ষার্থী ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন কাছাকাছি। অনলাইনে শিক্ষার্থী, বেকার ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে জামায়াত এগিয়ে।
এখন নির্বাচন হলে ৩৪ শতাংশ মানুষ নিশ্চিত নন কাকে ভোট দেবেন। আর ১১ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা ছাত্র-সমর্থিত নতুন কোনো দলকে ভোেট চান। এই উত্তর পাওয়া গেছে মাঠপর্যায়ের জরিপ থেকে। অন্যদিকে অনলাইন জরিপে অংশ নেওয়া ৩৫ শতাংশই ছাত্র-সমর্থিত নতুন কোনো রাজনৈতিক দলকে ভোট দিতে চান। তবে ১১ শতাংশ এখনো নিশ্চিত নন কাকে ভোট দেবেন।
মাঠপর্যায়ের জরিপে দেখা গেছে, বিএনপির সমর্থন বেশি, এর হার ২১ শতাংশ। ১৪ শতাংশ জামায়াতে ইসলামী ও ৫ শতাংশ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন বলেছেন। আর ৩৪ শতাংশ, অর্থাৎ বেশির ভাগই নিশ্চিত নন কাকে ভোট দেবেন। অনলাইন জরিপের ফল বলছে, ৩৫ শতাংশই ছাত্র-সমর্থিত নতুন কোনো রাজনৈতিক দলকে, ২৫ শতাংশ জামায়াতকে, ১০ শতাংশ আওয়ামী লীগকে এবং ১০ শতাংশ বিএনপিকে ভোেট দিতে চান। মাঠপর্যায়ে জরিপে বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জেন-জি (১৯৯৭-২০১২ জন্মসাল) প্রজন্মের ৩০ শতাংশ নিশ্চিত নন কাকে ভোেট দেবেন। অনলাইন জরিপে এই বয়সীদের ৩৭ শতাংশ ছাত্র-সমর্থিত কোনো দলকে বেছে নেবেন বলেছেন।


