বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির মূল কারণ হিসেবে বেশিরভাগ সময় আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধি, যুদ্ধবিগ্রহ ও আমদানি নির্ভরতা উল্লেখ করা হলেও, সম্প্রতি উঠে এসেছে যে স্থানীয় বাজারের পণ্যের ভূমিকা এতে সবচেয়ে বড়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির পেছনে স্থানীয় পণ্যগুলোর ভূমিকা ছিল ৮৪% এবং আমদানির ভূমিকা ছিল মাত্র ১৬%।
যদিও মূল্যস্ফীতির সাম্প্রতিক কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, তবে বাজারে সবজির দাম কমানোর প্রভাবটি মৌসুমি বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলেন, সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; বরং উৎপাদন এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ঠিক করতে হবে।
কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উৎপাদন মৌসুমে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে থাকে, তবে সামনে সবজির সরবরাহ কমবে, ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চাহিদা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নয়, বরং সরবরাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তবে সুদহার বৃদ্ধির ফলে ঋণের খরচ বেড়ে গেছে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমিয়ে দিচ্ছে, আর এর প্রভাব সাধারণ জনগণের ওপর পড়ছে।


