২০২৩ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৪৮% । কিন্তু ওই বছর মজুরি বৃদ্ধির হার কোনো মাসেই ৮% ছাড়ায়নি ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী , ২০২২ সালের জানুয়ারির পর থেকে মূল্যস্ফীতি যে হারে বেড়েছে মানুষের মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে তার চেয়ে কম হারে । ফলে , টানা ৩ বছর ধরে দেশের মানুষের প্রকৃত আয় কমছে। তার বিপরীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে । বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য উপাত্ত অনুসারে , ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৮৬% । ২০২২ সালের আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎই ৪০% -এর বেশি বাড়ানো হয় । ফলে ওই মাসেই মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৯% ছাড়িয়ে যায় । এরপর মূল্যস্ফীতির চাকার গতি আর থামানো যায়নি ।
২০২৩ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৪৮% । কিন্তু ওই বছর মজুরি বৃদ্ধির হার কোনো মাসেই ৮% ছাড়ায়নি । ৭% এর মধ্যেই তা আটকে ছিল । সর্বশেষ ২০২৪ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.৩৪% । গত জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১৪.১০% উঠেছিল , যা ছিল সাড়ে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ । অন্যদিকে ২০২৪ সালের ১২ মাসের মধ্যে প্রথম ৮ মাস মজুরি বৃদ্ধি হার ছিল ৭% এর ঘরে । শেষ ৪ মাস ৮% এর ওপরে ছিল এই হার ।
গ্রাম শহর নির্বিশেষে ১৪৫টি নিজ দক্ষতার পেশার মজুরির ওপর এই হিসাব করে থাকে বিবিএস । বিবিএস বলছে , দেশের প্রায় ৮৬% মানুষ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন । এমন কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা ৬ কোটির মত । গত বৃহস্পতিবার সরকার নতুন করে শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়েছে । এতে আরেক দফা জীবনযাত্রার খরচ বাড়বে এমন আশঙ্কায় পড়েছে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবার ।


