নারী, কিছুটা বয়স্ক, অদক্ষ শ্রমিকদের কর্মসংস্থানকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে অটোমেশন।
তৈরি পোশাক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বা অটোমেশনের কারণে আশীর্বাদ হয়ে উৎপাদনশীলতা বেড়েছে। অটোমেশন বিশ্ববাজারে রপ্তানি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। তবে কারখানা পর্যায়ে গড়ে ৩০ দশমিক ৫৮ শতাংশ শ্রমিক এ কারণে কাজ হারিয়েছেন, যাদের বড় একটা অংশই ‘হেলপার’ পদে কাজ করতেন। নারী, কিছুটা বয়স্ক, অদক্ষ শ্রমিকদের কর্মসংস্থানকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে অটোমেশন। বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন এবং আন্তর্জাতিক সুশীল সমাজ সংস্থা সলিডারিডাড পরিচালিত জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে গতকাল ঢাকায় আয়োজিত আলোচনায় বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি মিরান আলী বলেন, শ্রমিকরা আসলে বেকার হয়নি। প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের অন্য বিভাগে কাজে লাগানো হয়েছে। অটোমেশনে কাজ হারানোর ঘটনা যেমন আছে, আবার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সস্তা দর, উচ্চ ক্রয়’ এ ধারণা থেকে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। এই প্রক্রিয়ায় অটোমেশন বাড়ছে। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শতভাগ অটোমেশন নয়, আংশিক অটোমেশনই নিরাপদ।
আলোচনায় শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডি বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভিয়েতনামসহ প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় দক্ষতায় পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। এ জন্য একতরফা শ্রমিকদের দায়ী করা হয়। তবে এ দায় সব পক্ষের। উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সব পক্ষকেই দায়িত্ব নিতে হবে।


