এটা গাজার যুদ্ধের শেষের শুরু : নেতানিয়াহু হত্যাকাণ্ডের বদলা জোরালো হবে : ইরান যুদ্ধে নতুন অধ্যায়ের শুরু : হিজবুল্লাহ
সিনওয়ার ২০১৭ সাল থেকে গাজায় হামাসের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্টের মতে, সাত অক্টোবরের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তিনি। হামলায় হামাসের বন্দুকধারীরা প্রায় ১২০০ জনকে হত্যা এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, বুধবার গাজার রাফাহ শহরের একটি ভবনে অভিযান চালানো হয়। ধারণা ছিলো যে ভবনটি হামাসের সিনিয়র নেতারা ব্যবহার করেন। অভিযানে তিনজন নিহত হন, সিনওয়ার তাদের একজন। আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল হার্টজি হালেভি বলেছেন, ‘আমরা বলেছিলাম আমরা তাকে ধরবো এবং তাকে ধরেছিও। তাকে ছাড়া পৃথিবী এখন আরেকটু ভাল।’
ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করতে ইসরায়েল কয়েক ঘণ্টা সময় নেয়। ইসরায়েলের কাছে সিনওয়ারের জেনেটিক ডেটা আছে। সিনওয়ার জীবনের কয়েক দশকই কাটিয়েছেন ইসরায়েলের কারাগারে।নেতানিয়াহু সিনিওয়ার হত্যাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘যদিও এটি গাজার যুদ্ধের শেষ নয়, এটা শেষের শুরু।’ এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে ইরানের প্রতিনিধিদল বলেছে, ‘প্রতিরোেধ শক্তিশালী হবে। তিনি (সিনওয়ার) যুবক ও শিশুদের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন, যারা তাঁর দেখানো পথ ধরে ফিলিস্তিনকে মুক্তির দিকে নিয়ে যাবে। যত দিন দখল ও আগ্রাসন চলবে, তত দিন প্রতিরোধও জারি থাকবে।’
হিজবুল্লাহর দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইসরায়েলি শত্রুপক্ষের সঙ্গে চলমান সংঘাত একটি নতুন এবং ক্রমবর্ধমান অধ্যায়ে রূপান্তরিত হয়েছে বলে ঘোষণা দিচ্ছে হিজবুল্লাহ।’ আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন ঘটনায় এ ঘোষণার প্রতিফলন দেখা যাবে বলেছে হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা বেড়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, ‘দক্ষিণ লেবাননের গ্রামগুলোতে ইসরায়েলের স্থল অভিযান মোকাবিলা করার জন্য শত শত যোদ্ধা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’ রকেট হামলা দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রথমবারের মতো মোতায়েন করা হয়েছে।


