সিরিয়ায় বৃহস্পতিবার সরকারি বাহিনী ও ক্ষমতাচ্যুত বাশার আল-আসাদ সমর্থকদের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ে উপকূলীয় শহর জাবলেহ ও সংলগ্ন গ্রামগুলোতে ৪৮ জন নিহত হয়েছে। এটি ডিসেম্বরে আসাদের পতনের পর সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে সহিংস হামলার ঘটনা। এদিকে, সিরিয়ার হোমস ও আলেপ্পো শহরেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবারের হামলাটি হয়েছিল ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী সিরিয় প্রদেশ লাটাকিয়ায়। লাটাকিয়া আসাদের সংখ্যালঘু আলাওয়াইট গোষ্ঠীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ অঞ্চলেই আসাদের প্রতি সমর্থন সবচেয়ে বেশি।
সিরিয়ার এই অঞ্চল দেশটির অন্তর্বতীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার জন্য একটি বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। নতুন প্রেসিডেন্ট দেশটির দক্ষিণাঞ্চলেও বাধার মুখে পড়ছেন। সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুজ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। লাটাকিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুস্তাফা নেফাতি বলেন, ‘এটা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হামলা। আসাদের প্রতি অনুগত মিলিশিয়াদের বেশ কয়েকটি দল জাবলেহ এলাকায় আমাদের সামরিক অবস্থান ও চৌকিতে হামলা চালায়’। সিরিয়ার হায়াত তাহরির আল-শাম নামের ইসলামপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠী আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই শুরু করে। ৮ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে রাশিয়ায় পালিয়ে যান আসাদ।
এরপর থেকেই দেশটির নতুন নিরাপত্তাবাহিনী সারা দেশে আসাদপন্থিদের খুঁজে বের করার অভিযান শুরু করে। বাসিন্দারা ও বিভিন্ন সংগঠন এসব অভিযানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন। তারা জানান, অনেক ক্ষেত্রে বাড়িঘরের দখল, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। সিরিয়ার নতুন প্রশাসন এগুলোকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে অভিহিত করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
এবারই প্রথম নয়, আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে প্রায়ই সশস্ত্র ‘সন্ত্রাসী’দের হামলার শিকার হচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এর আগেও কেন্দ্রীয় শহর হামা, হোমস, ইদলিবসহ বেশ কয়েকটি শহরে বন্দুকধারীদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী। সিরিয়ার অন্তর্বতীকালীন সরকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সিরিয়ার সব অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দমনে কঠোর হবে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, আসাদ সরকারের পতনের তিন মাস পরও তাঁর অনুগতদের দ্বারা এমন ঘটনাকে আল শারার সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলছেন বিশ্লেষকেরা।
কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য একইরকম রয়েছে এবং নারীরা পুরুষদের তুলনায় আড়াইগুণ বেশি ক্ষেত্রে বেতনহীন সেবার কাজ করেন। ইউএন উইমেন এর নির্বাহী পরিচালক সিমা বাহুস বলেছেন, সংস্থাটি আশা করে যে প্রতিবেদনের তথ্যের উপর ভিত্তি করে একটি নতুন রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ নির্ধারিত লিঙ্গ সমতা অর্জনের লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি আসবে বিশ্ব।


