পরিমিত ঘুম না হলে মানুষের মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে। পাশাপাশি কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়। এমনকি দেশের সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে চালকদের ঘুমজনিত সমস্যাকে দায়ী করা হয়। বিশেষত মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে ঘুমজনিত সমস্যা থাকলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ৯ গুণ বেড়ে যায়। বুধবার (১২ মার্চ) বিশ্ব ঘুম দিবস উপলক্ষে চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। আলোচনায় জানানো হয় ঘুমজনিত ৮০ ধরনের ডিজঅর্ডার রয়েছে। ইনসমনিয়া ও স্লিপ অ্যাপনিয়া সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা। এসব রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় করে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া জরুরি। ঘুমের সমস্যার কারণে হার্ট ও ফুসফুসের জটিলতাও দেখা দিতে পারে। আলোচনায় আরো বলা হয় পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া (যেমন অনিদ্রা এবং স্লিপ অ্যাপনিয়া) হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যারা কম ঘুমায় (দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টার কম) তাদের মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেড়ে যায়। স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে, অথবা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।


