পুলিশকে সক্রিয় করে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা ব্যবসায়ীদের প্রধান দাবি। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ এবং ১৫টি ব্যবসায়ী সংগঠন আয়োজিত ন্যাশনাল বিজনেস ডায়ালগ শীর্ষক সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন- আমার একটা বড় আশা, যে মেয়াদকালে আমরা এখানে থাকব, শ্রমিক-মালিকের সম্পর্কটা সুন্দরভাবে গড়ে তোলা।
ড. ইউনূস বলেন- আমাদের সাহস দিন, এগিয়ে আসেন, আমরা সবাই মিলে আইএলও কনভেনশনে সই করে ফেলি। ওটা না করলে সামনে এগোনো কষ্ট হবে। যেখানেই যাবেন, এটা বাধা দেবে। সেখানে বলছে, তোমরা শ্রমিকদের যা শর্ত, প্রাপ্য এগুলোতে সই করছ না। যদি আমাদের এগোতে হয়, পরিষ্কারভাবে এগোতে হবে। ব্যবসায়ীদের সামাজিক ব্যবসা করার আহ্বান জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, এটি এমন ব্যবসা যা নিজের টাকায় নিজে চলতে পারে। কিন্তু তা থেকে কোনো মুনাফা নেয়া যাবে না। মেকিং মানি ইজ হ্যাপিনেস। বাট মেকিং আদার পিপল হ্যাপি ইজ মাচ মোর হ্যাপিনেস। সামাজিক ব্যবসা পরিবেশ, শিক্ষাসহ যেকোনো বিষয়ের ওপর হতে পারে। এই ব্যবসা সফল হলে মূলধন উঠিয়ে নেয়া যায়। ড. ইউনূস বলেন- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। আসুন, আমরা নতুন তরতাজা বাংলাদেশ গড়তে একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের সমাজে যে পচন ধরেছিল, ছাত্রদের আন্দোলন ছাড়া সেখান থেকে মুক্তির কোনো উপায় ছিল না। আর পচন নয়, আমরা সুস্থ-সবল জাতি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চাই। পুলিশকে সক্রিয় করার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করা ব্যবসায়ীদের প্রধান দাবি বলে জানান ন্যাশনাল বিজনেজ ডায়ালগ সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন।


