- সংস্কার ও আধুনিকীকরণের কথা বলে ৬ বছর ধরে বন্ধ।
- আরো ২/৩ বছর লাগবে কাজ শেষ হতে।
- সোহরাওয়াদী উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণা- লয়ের ‘স্বাধীনতাস্তম্ভ নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় শিশুপার্কের ভেতর দিয়ে ভূগর্ভস্থ পার্কিং নির্মাণের কাজের জন্য ২০১৯ সালে শিশুপার্ক বন্ধ করা হয়।
- তখন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় শিশুপার্কের আধুনিকায়নে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ৭৮ কোটি টাকার প্রস্তাব দিয়েছিল।
- সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ২০২০ সালে মেয়র তাপসের নেতৃত্বে সিটি কর্পোরেশন নিজেরা শিশুপার্কের আধুনিকায়নে ৬০৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার প্রকল্প নেয়।
- এই প্রকল্পের বেশির ভাগ ব্যয় (৪৪১ কোটি টাকা) ধরা হয় শিশুপার্কের জন্য ১৫টি রাইড কেনা ও স্থাপনে। বেসরকারি খাতে বিনোদনকেন্দ্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনজন উদ্যোক্তা প্রথম আলোকে বলেন, রাইডের যে দর দেখানো হয়েছে, তা অবিশ্বাস্য।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি রাইড ‘মাইন ট্রেন’ কেনা ও স্থাপন করার জন্য ৯৭ কোটি টাকা খরচ করার কথা প্রকল্পে উল্লেখ করা হয়েছে। এর দাম কোনোভাবেই ৫ কোটি টাকার বেশি হবে না। ঢাকা ও এর আশপাশের চারটি বড় বিনোদনকেন্দ্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। এভাবে সবগুলো রাইডেই কয়েকগুণ বেশি দাম ধরা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউশন অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, যাঁরা এ ধরনের নকশা করেছেন, তাঁদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত যেখানে মানুষের অবসর কাটানোর জায়গার প্রচণ্ড অভাব, সেখানে একটি পার্ক ছয় বছর বন্ধ করে রাখার বিষয়টি কোনোভাবেই মানা যায় না।


