প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীনকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি যে বিএনপিতে আটকে গেছে তা পুরোপুরি স্পষ্ট। রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রশ্নে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, অন্তর্বর্তী সরকার এবং জামায়াতে ইসলামী যেখানে একই সরলরেখায় দাঁড়িয়েছে। সেখানে বিএনপি কেন বেঁকে বসলো এমন প্রশ্ন দেশের মানুষের মনে। সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির কথা খোলামেলা বললেও ভেতরে ভেতরে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে দলটি। আদতে এই শঙ্কা থেকে রাষ্ট্রপতির পক্ষে দলটির কঠোর অবস্থান।নীতি নির্ধারক নেতাদের প্রশ্ন, সংবিধানের কোন প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা হবে? কি উদ্দেশ্য সরানো হবে? এই অপসারণ দেশ ও জনগণের জন্য ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক হবে? রাষ্ট্রপতিকে সরানোর উদ্যোগের সঙ্গে শুধু কি ছাত্ররা জড়িত নাকি পর্দার আড়ালে অন্য কেউ নির্বাচন প্রলম্বিত করতে অন্য খেলা খেলছে? এসব বিষয়ে আরো পর্যালোচনা করবেন বিএনপির নেতারা।


