যুক্তরাজ্যের আবাসন খাতে তাঁদের বিনিয়োগ করা সম্পত্তির পরিমাণ ৪০ কোটি পাউন্ডের (৬ হাজার কোটি টাকা) বেশি। বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থ দিয়ে এসব সম্পত্তি কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম অবজারভার ও বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশ- নালের যৌথ অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই অনুসন্ধান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
অবজারভার ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে শেখ হাসি- না-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নামে প্রায় ৩৫০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে সুবিশাল অট্টালিকা (ম্যানশন) পর্যন্ত রয়েছে। যুক্তরাজ্য ও দেশটির বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের (অফশোর কোম্পানি) নামে এই সম্পত্তির অনে- কগুলো কেনা হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে কেনা সম্পত্তির অনেকগুলোর মালিকানায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পরিবারের সদস্যরা।
এ ছাড়া সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও অনেক সম্পত্তির মালিকানা রয়েছে।
লন্ডনের মেফেয়ার এলাকার গ্রোসভেনর স্কয়ারে সালমানের ছেলে আহমেদ শায়ান রহমান একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন ২ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ডে, একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন ৩ কোটি ৫৫ লাখ পাউন্ডে। আরেক ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমানের ৪টি সম্পত্তির দাম ২ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড।
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তাঁর পরিবারের ৩০০টির বেশি সম্পদের দাম অন্তত ১৬ কোটি পাউন্ড।
যুক্তরাজ্যের সারে এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পরিবারের সদস্যদের দুটি সম্পত্তির দাম ১ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড।
নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা লন্ডনের কেনসিংটনে ৩ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডের ৫টি সম্পত্তি কিনেছেন ।


