অব্যাহত মূল্যস্ফীতির চাপে গত দুই বছরে মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে যা অন্তত ৭৮ লাখ মানুষকে দারিদ্যর দিকে ঠেলে দিয়েছে, যার মধ্যে ৩৮ লাখ লোক অতি দরিদ্র হয়ে পড়েছে। রোববার রাজধানীতে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে বলা হয়- আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল নীতি, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তাছাড়া অতিরিক্ত টাকা সরবরাহের কারণেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র্যাপিড) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অর্থনীতির বিভিন্ন তথ্য অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়েছে। মূল্যস্ফীতির প্রকৃত তথ্য না দেখিয়ে কম দেখানো হতো। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সব খাতে সঠিক তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে এখন প্রকৃত তথ্য দেখাতে গেলে মূল্যস্ফীতি ১৩% হয়ে যাচ্ছে।সমালোচনা হয় যে আমরা ইনফ্লেশন কমাতে পারছি না। আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই, কোনো তথ্যকে অতিরঞ্জিত করব না। যেটা আছে সেটি দেখানো হবে।


