‘ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে’-র এক গবেষণায় উঠে এসেছে- ইলন মাস্ক সিইও থাকাকালীন এক্স-এ বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সাপ্তাহিক হার ছিল তার প্লাটফর্মটি কেনার আগের বিভিন্ন মাসের চেয়ে প্রায় ৫০% বেশি। বট ও বট-এর মতো অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি মাস্ক দিলেও এসব অ্যাকাউন্টের সংখ্যা এক্স-এ কমেনি বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট নোরিজ। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জনসাধারণের আলোচনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এসব প্ল্যাটফর্ম ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিতে, স্ক্যাম প্রচার করতে ও রাজনৈতিক বিভিন্ন ঘটনাকে প্রভাবিত করতে পারে।
ক্ষতিকর বিভিন্ন কনটেন্টের সংখ্যা বাড়াতে ও অনলাইন আলোচনাকে কাজে লাগিয়ে এ ধরনের সমস্যায় ভূমিকা রাখে বট ও নানা ভুয়া অ্যাকাউন্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, সমকামী, ট্রান্সফোবিক ও বর্ণবাদী গালি’সহ বিদ্বেষমূলক ভাষা পুরো সময় জুড়েই ছিল প্লাটফর্মটিতে। এ ধরনের ভাষার বিভিন্ন পোস্ট আগের চেয়ে প্রায় ৭০% বেশি ‘লাইক’ পেয়েছে। যার থেকে ইঙ্গিত মেলে, আরও বেশি ব্যবহারকারী বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন এবং এগুলোর সংস্পর্শে আসছেন। তবে গবেষকরা বলেছেন, কোম্পানির ভেতরের ডেটায় প্রবেশ না করে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বেড়ে যাওয়ার জন্য মাস্কের নেতৃত্বকে সরাসরি দায়ী করতে পারবেন না তারা। গবেষণায় এক্স-এর কনটেন্ট মডারেশন নীতিমালার কার্যকারিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।


