প্রতিরোধ অক্ষ হলো ইরান-সমর্থিত রাষ্ট্রীয় ও অ-রাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীগুলোর একটি নেটওয়ার্ক, যা লেবানন, গাজা, ইরাক, সিরিয়া, এবং ইয়েমেন জুড়ে বিস্তৃত। এই গোষ্ঠীগুলো দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রভাবের বিরুদ্ধে ক্ষমতা গড়ে তুলেছে। তবে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হত্যা হওয়ায় উত্তেজনা বেড়েছে, যার মধ্যে রয়েছে হিজবুল্লাহর হাসান নাসরুল্লাহ এবং হামাসের ইসমাইল হানিয়া। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। গত বছর ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণে ইসরায়েলে ১,২০০ জনের মৃত্যু হয়েছিলো এবং যার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল গাজার ওপর সামরিক আক্রমণ চালিয়েছে, যার ফলে ৪১,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
৮০-এর দশকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত হামাস এখনো ইরানের শক্তিশালী সমর্থন পেয়ে আসছে এবং এটি প্রতিরোধ অক্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হামাসের বর্তমান নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে গত বছরের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
হিজবুল্লাহ, লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় প্রতিষ্ঠিত, সংঘাতে আরেকটি শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করছে, যদিও তারা সম্প্রতি ইসরায়েল দ্বারা উল্লেখযোগ্যভাবে আক্রান্ত হয়েছে, যার মধ্যে নাসরুল্লাহর হত্যাও রয়েছে। এদিকে, জাইদি শিয়া ইসলাম থেকে উদ্ভূত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী রেড সিতে সক্রিয় রয়েছে এবং যুদ্ধের শুরু থেকে ইসরায়েলি জাহাজ ও বন্দরে হামলা চালিয়েছে।


