বিশ্বের ৭০% মানুষ দুই দশকের মধ্যে চরম আবহাওয়ার ধরণে দ্রুত এবং তীব্র পরিবর্তনের মুখোমুখি হবে। গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় বিশাল অঞ্চল চরম তাপমাত্রা এবং অতিবৃষ্টিপাতের শক্তিশালী মিলিত প্রভাবের মুখে পড়বে। প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা মেনে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো গেলে সংখ্যাটি ২০% এ নামিয়ে আনা সম্ভব। প্রধান লেখক ডঃ কার্লে ইলেস, আঞ্চলিক পরিবর্তনের উপর ফোকাস করায় জোর দিয়েছেন, কারণ মানুষের জীবন-যাপন, অভিজ্ঞতা এবং প্রতিবেশের জন্যে এটা বৈশ্বিক গড় হিসেবের চেয়ে বেশি জরুরি। গবেষণাটি একটি অপ্রত্যাশিত বিষয়ও সামনে এনেছে- বিশেষ করে এশিয়ায় বায়ু দূষণ দ্রুত কমে আসছে; এটা উষ্ণতার তীব্র বৃদ্ধিকে তরান্বিত করে এশিয়ার বর্ষাকে প্রভাবিত করতে পারে। স্বাস্থ্যগত কারণে বাতাস পরিষ্কার করা জরুরি, তবে এটা অস্থায়ীভাবে কিছু অঞ্চলে গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রভাবকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।


