উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন- ‘জাতীয় স্বার্থ ছাড়া আমরা কোনো বিদেশি বিনিয়োগ নিচ্ছি না। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের হাতে দেওয়া হলেও কনটেইনার প্রতি ১৮ ডলার আয় হচ্ছে। … সেটা বন্দরের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। এখন কারও না কারও স্বার্থে এসব বিদেশি বিনিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ করলে বাইরের কেউ (বিনিয়োগকারী) আসবে না।’ নতুন করে নিউমুরিং টার্মিনালে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে বলেন – ‘বন্দরের জন্য ভালো হলে এবং বন্দরের আয় বেশি হলে, আমরা বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে চিন্তা করব। টার্মিনালের কর্মীদের সমস্যা যাতে না হয়, সেটিও দেখা হবে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে আমাদের লোকজনই কাজ করছে।’ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন শেষে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল নৌপরিবহন এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন – ‘চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল একটি আয়বর্ধক টার্মিনাল। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে যথেষ্ট বিনিয়োগ রয়েছে। টার্মিনালটি দেশীয় অপারেটর দ্বারা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।’ ‘আমরা বিদেশি বিনিয়োগের বিপক্ষে নই। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে তুলে না দিয়ে অন্য জায়গায় বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন টার্মিনাল করতে পারে।’ ‘বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দিলে বন্দরে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা বেকার হয়ে পড়বেন এবং শ্রমিক অসন্তোষসহ বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হবে। অবিলম্বে দেশবিরোধী এই চক্রান্ত থেকে সরে না এলে আমরা রাজনৈতিকভাবে প্রতিরোধ কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’ মঙ্গলবার বিকেলে এক বিবৃতিতে ১২-দলীয় জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন এ কথা বলেন


