আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করতে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি। দলটি ভোটার তালিকার আপগ্রেড (হালনাগাদ) চায়। একই সঙ্গে বিএনপি মনে করে, তিন থেকে চার মাসের মধ্যে সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন সম্ভব। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারে গঠন করা কমিশনে বিএনপির জমা দেওয়া প্রস্তাব তুলে ধরতে সোমবার বিকেলে গুলশানে সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থান তুলে ধরেছে বিএনপি।
সংবাদ সম্মেলন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, সত্যিকার অর্থে একটি সঠিক ভোটার তালিকা চান তাঁরা।কিন্তু এর জন্য বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাড়ি বাড়ি যাওয়া অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ, অপ্রয়োজনীয় এবং তাতে ভুল হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। প্রযুক্তির মাধ্যমে ভোটার তালিকা আপগ্রেডের কাজটি করা হলে তা অবশ্যই নির্ভুল হবে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ২ ডিসেম্বরের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০২৪ সালের জন্য হালনাগাদ করা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ২ মার্চ প্রকাশ করা হবে। এরপর ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ওই হালনাগাদে যাঁদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে, তাঁরা ২০২৬ সালের ২ মার্চের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় (হালনাগাদ) অন্তর্ভুক্ত হবেন। ইসি মনে করছে, চলতি বছর বড়সংখ্যক মানুষ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি। যে কারণে আগামী বছরের হালনাগাদ কার্যক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যেসব প্রস্তাব করেছি, সেসব প্রস্তাব অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। এখানে এমন কোনো প্রস্তাব করা হয় নাই যেটা নতুন করে কোনো কিছু করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সরকারের আরও সংস্কার প্রশাসনিক সংস্কার, জুডিশিয়াল সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার আছে, এগুলো সব সম্পন্ন করে নির্বাচন উপহার দিতে আমাদের মনে হয় না খুব বেশি হলে ৩/৪ মাসের বেশি সময় লাগবে।’


