বৈঠকের পর উভয়পক্ষ একটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন । দলীয় নেতাদের ভাষ্য, … এমন সংবাদ সম্মেলন নজিরবিহীন।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন ‘ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পরে বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে চীনের রাষ্ট্রদূতের আসাটা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি। আমরা মনে করি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি চীনের যে কমিটমেন্ট, তাদের প্রতিশ্রুতি ডেভেলপমেন্টে এবং একইসঙ্গে তারা পরিষ্কার করে বলেছেন যে তারা (চীন) আধিপত্যবাদে বিশ্বাস করেন না।…’
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও বলেন, ‘… চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও বিএনপি একসঙ্গে কাজ করতে চায় এই সম্পর্ককে আরও নিবিড় ও সুদৃঢ় করে আমরা কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে পূর্ণ সমর্থন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন চীনের রাষ্ট্রদূত।


