রাখাইন বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মি গতবছর রোহিঙ্গাদের অধিকারের বিষয়ে সহানুভূতিসূচক বক্তব্য দিয়েছিল। কিন্তু চলমান সংঘাতে সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি দুই পক্ষই রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছে। তারা দুই দিক থেকেই আক্রমণের শিকার।
১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয় ক্যাম্পে বসবাস করছে। বিদেশি সহায়তার পরিমাণ কমছে। এবছর মানবিক সাহায্যের জন্য ৮৫২ মিলিয়ন ডলার চাহিদা থাকলেও এ পর্যন্ত পাওয়া গেছে এর ৪০% তহবিল।
সীমান্তে ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি নাফ নদী ও সাগর উপকূল থেকে কয়েক দফায় ৫৪ জন রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট মংডু যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নরত রোহিঙ্গাদের ওপর ড্রোন হামলায় ২ শতাধিক নিহত হয়।
নিয়মিত মনিটরিং, কাঁটাতারের বেড়া থাকার পরেও ক্যাম্পগুলো থেকে রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ পালিয়ে দেশের মূল জনস্রোতে মিশে যাওয়ার অভিযোগ মিলেছে। মাদক-অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা অপরাধ বাড়ছে ক্যাম্পগুলোতে ।
রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থানের উপযুক্ত ব্যবস্থা বাংলাদেশ করছে না বলে আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ আছে।


