১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো পণ্যবাহী কোনো জাহাজ সরাসরি পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। ১৫ নভেম্বর টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের পূর্ব ও পশ্চিমের দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক সংযোগ দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে (সেভেন সিস্টার্স) অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছে, ‘চট্টগ্রাম ও মোংলা বাংলাদেশের প্রধান দুই বন্দর। গত পাঁচ দশকে এখানে পাকিস্তান জায়গা পায়নি। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য হতো সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর মাধ্যমে। কিন্তু এখন পাকিস্তানি জাহাজ সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে আসবে। আপনি বলতে পারবেন না পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ জিনিস (অস্ত্র) আসবে না আর সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে যাবে না।’
টেলিগ্রাফ প্রতিবেদন বলে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করে ভারত বাংলাদেশের এ দুটি বন্দর থেকে চীনকে দূরে রেখেছিল। ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র বলেছে, ‘গত বছর মোংলা পোর্টের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে চীনের ওপর একটি কৌশলগত জয় পেয়েছিল ভারত। কিন্তু এখন পাকিস্তান চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে। এই বিষয়টি অবশ্যই এই অঞ্চলের ভূরাজনীতির ওপর প্রভাব ফেলবে। কারণ মিয়ানমারও চট্টগ্রামের খুব কাছে।’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সরকারি কোনো সূত্রের কোনো বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।


