গতকাল মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে সিদ্ধান্ত দেশটির জনগণই নেবে।’ বাংলাদেশে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের শাসনামলে ‘ইসলামপন্থি উগ্রবাদ’, বিক্ষোভকারীদের প্রকাশ্যে ওসামা বিন লাদেনের ছবি প্রদর্শন করা, কেএফসি-কোকা কোলার মতো মার্কিন ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে আক্রমণ ও ইহুদিবিদ্বেষের বিস্তার নিয়ে ব্রুসের মন্তব্য জানতে চান ওই সাংবাদিক। জবাবে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন — ‘বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যে দেশের নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমরা এই দেশ নিয়ে আগেও বহুবার কথা বলেছি, বিশেষ করে এখানকার সাংবাদিকদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে। তবে এই নির্দিষ্ট প্রসঙ্গটি আমরা আলাদাভাবে বিবেচনা করব।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে আমি একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই—সেটি হলো, ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন বাংলাদেশের আদালত। এটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার আওতাধীন একটি বিষয়। আপনি যেসব ঘটনা তুলে ধরেছেন— যেমন বিক্ষোভ-প্রতিবাদ ইত্যাদি—সবই বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের দেখভালের বিষয়, এবং তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের জনগণের মাধ্যমে। তারা এমন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেটির কথা আপনি বলছেন—এবং আমরা নিজেরাও সেসব দেখেছি।’ ব্রুস বলেন — ‘আর নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কথার কথা হিসেবে বলছি না, গণতন্ত্র সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্রের গুরুত্ব আছে এবং মানুষের কর্মকাণ্ডও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ এসব দিয়েই তারা এমন সমস্যাগুলোর মোকাবিলা করতে পারে, যা গত ২০–২৫ বছরে আমরা দেখেছি। কিছু লোকের কর্মকাণ্ড অনেক সময় মানুষের জীবন বিপর্যস্ত করেছে। এখন অনেক দেশের জন্যই সামনে কোন পথ বেছে নেওয়া উচিত — তা স্পষ্ট হয়ে গেছে।’


