সাম্প্রতিক সময়ে সামিট গ্রুপ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আওয়ামী লীগের সরকারের পতনের পর কোম্পানিটির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখা যায় না। ফলে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
আজিজ খান ১৯৮৮ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করছেন এবং ২০১৬ সালে সামিটের প্রধান কার্যালয় সিঙ্গাপুরে স্থানান্তর করেন।
আজিজ খান ২০১৮ সাল থেকে ফোর্বসের সিঙ্গা- পুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় আছেন। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ ১১০ কোটি ডলার।২০২২ সাল থেকে তিনি ফোর্বসের বৈশ্বিক বিলিয়নেয়ার তালিকায়ও রয়েছেন ২ হাজার ৬৭৪তম অবস্থানে। এতদিন পর্যন্ত এ তালিকায় তার নাম এসেছে একমাত্র বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে।
এতদিন তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন, কিন্তু এবার তাকে সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে সামিট গ্রুপ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আওয়ামী লীগের সরকারের পতনের পর কোম্পানিটির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণের কারণে তার বাং- লাদেশের নাগরিকত্ব হারানো ও নতুন পরিস্থিতি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নতুন দিক নির্দেশ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অর্ধশতকের ব্যবসায়ী জীবনে ট্রেডিং থেকে শুরু করে জ্বালানি, বন্দর, ফাইবার অপটিকসহ নানা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়েছেন মুহাম্মদ আজিজ খান। তবে তার সমৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিদ্যুতের ব্যবসা। এ ব্যবসার হাত ধরেই গত এক দশকে সম্পদে বড় উল্লম্ফনের দেখা পেয়েছেন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান।


