- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউক্রেনে আপাতত কোনো সামরিক সহায়তা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে রাশিয়ার ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পরিকল্পনা করছে তারা।
- যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তের পর গতকাল মঙ্গলবার জেলেনস্কি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ইউক্রেনে টেকসই শান্তির লক্ষ্যে তিনি ট্রাম্পের শক্তিশালী নেতৃত্বে কাজ করতে চান। ওয়াশিংটনের সঙ্গে খনিজ চুক্তি করতেও প্রস্তুত আছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নে মস্কোর সঙ্গে বড় পরিসরে আলোচনা শুরু করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। - ট্রাম্প ইউক্রেনকে রাশিয়ার দাবিগুলো মেনে নেওয়ার চাপ দিচ্ছেন।
- ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতকে শক্তিশালী করতে এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ৮০০ বিলিয়ন পাউন্ডের একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন। গতকাল ব্রাসেলসে ‘ইউরোপকে নতুন করে অস্ত্র সজ্জিতকরণ’ নামের পরিকল্পনা সম্পর্কে উরসুলা বলেন, ‘এটি ইউরোপের সময়। আমরা সামনে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।’
- জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব কিয়েলের হিসাবমতে, ইউক্রেনকে ইউরোপের দেওয়া সামরিক সহায়তার পরিমাণ ৬২ বিলিয়ন ইউরো, যা ৬৪ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। আর যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে দিয়েছে ৬৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার পর সেই অভাব পূরণ করতে ইউরোপকে দ্বিগুণ অর্থ ঢালতে হবে।


