১. মহাবিশ্বের বিকাশ আমরা যতটা ভাবতাম তার থেকে অনেক দ্রুত হয়েছে। ওয়েব এমন উজ্জ্বল গ্যালাক্সি খুঁজে পেয়েছে যা বিগ ব্যাংয়ের মাত্র ৩০০ মিলিয়ন বছরের মধ্যে তৈরি হয়েছে।
২. গভীর মহাকাশে বিস্তৃত রহস্যময় “ছোট লাল বিন্দু” দেখা গেছে। ওয়েব এমন এক অদ্ভুত গ্যালাক্সির সন্ধান দিয়েছে যা ছোট, উজ্জ্বল ও লাল রঙের
৩. স্পন্দিত তারা (পালসেটিং স্টার) প্রমাণ দেয় মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ গতিশীলতা বিজ্ঞানীদের ধারণার চেয়ে দ্রুত হতে পারে, ওয়েব নিশ্চিত করেছে, এই তথ্য অন্য কোনো অতিরিক্ত আলো দ্বারা বিভ্রান্ত হয়নি।
৪. ওয়েব গ্যাস জায়ান্ট গ্রহের বায়ুমণ্ডল আবিষ্কার করেছে যা অপ্রত্যাশিতভাবে সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়
৫. পৃথিবী থেকে ৪০ আলোকবর্ষ দূরে একটি পাথুরে গ্রহে এমন বায়ুমণ্ডল থাকতে পারে যা তার আগ্নেয়গিরির লাবা থেকে গ্যাস বেরিয়ে এসে তৈরি হচ্ছে
৬. ওয়েব আমাদের কাছের স্পাইরাল গ্যালাক্সির ভীতরের কাঠামো অবিশ্বাস্য বিশদে উন্মোচন করেছে। ওয়েবের ইনফ্রারেড দৃষ্টি তারাগুলো ও তাদের পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
৭. ওয়েব শত শত ব্রাউন ডওয়ার্ফ-সদৃশ বস্তু শনাক্ত করেছে, তবে তাদের মধ্যে কিছু এত ছোট যে তাদের সৃষ্টির ধরন বোঝা কঠিন। ব্রাউন ডওয়ার্ফ আর কোনো রূপক গ্রহের মধ্যে পার্থক্য করাও কঠিন।
৮. কিছু গ্রহ তাদের তারার মৃত্যুর পরও টিকে থাকতে পারে। ওয়েব সম্ভবত এমন গ্রহেরও সন্ধান পেয়েছে যা ধীরে ধীরে নিভে আসা তারার কক্ষপথে থাকতে পারে।
৯. ওয়েব এমন সব ক্ষুদ্রগ্রহ শনাক্ত করতে সক্ষম, যেগুলো পৃথিবীর দিকে আসতে পারে। ২০২৪ সালে, ওয়েব ১৫ তলা ভবনের মতো আকারের একটি ক্ষুদ্রগ্রহের মাপ নিয়েছিল, যা এখন পৃথিবীর জন্য কোনো হুমকি নয়।


